Sobar Desh | সবার দেশ আবু ইউসুফ


প্রকাশিত: ০১:০৪, ৬ জুলাই ২০২৬

জুলাই নিয়ে ঔদ্ধত্য ও বিএনপির তথাকথিত নিরপেক্ষতার খতিয়ান

শাওন-মাহি-সোমাদের খুঁটির জোর কোথায়?

শাওন-মাহি-সোমাদের খুঁটির জোর কোথায়?
ছবি: সংগৃহীত

দীর্ঘ ১৮ বছরের জুলুম, নির্যাতন ও স্বৈরাচারী শাসনের অবসান ঘটিয়ে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক জুলাই অভ্যুত্থানের মাধ্যমে বাংলাদেশের রাজনৈতিক দৃশ্যপটে এক আমূল পরিবর্তন আসে। এ গণঅভ্যুত্থানে প্রায় ১ হাজার ৪০০ জন ছাত্র-জনতা শহীদ হন এবং ৩০ হাজারেরও বেশি মানুষ গুরুতর আহত ও পঙ্গুত্ব বরণ করেন। 

রক্তক্ষয়ী এ বিপ্লবের পর ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসীন হয়। তবে ক্ষমতায় আসার পর বিএনপির একাংশের মন্ত্রী, এমপি এবং প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের অতি-নিরপেক্ষতা দেখানোর প্রবণতা এবং স্বৈরাচারের দোসরদের প্রতি নমনীয় আচরণ নিয়ে তৃণমূলের নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মাঝে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে জুলাই আন্দোলনকে কটাক্ষকারী স্বৈরাচারের সুবিধাভোগী অলিগার্ক মেহের আফরোজ শাওন ও চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহির মতো ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা না নিয়ে উল্টো মাঠপর্যায়ের নির্যাতিত নেতাকর্মীদের ওপর চাঁদাবাজির ট্যাগ দেয়ার রাজনীতি শুরু হয়েছে। এ পরিস্থিতি চলমান থাকলে আগামী অক্টোবর-নভেম্বর মাসে অনুষ্ঠিতব্য স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বিএনপির বড় ধরনের বিপর্যয়ের আশঙ্কা করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

স্বৈরাচার আমলের বঞ্চনা ও মেধার অবমূল্যায়ন

আওয়ামী লীগের দীর্ঘ সাড়ে ১৫ বছরের শাসনামলে বিএনপি ও জামায়াতপন্থী পরিবারগুলোর ওপর যে রাষ্ট্রীয় নিপীড়ন চলেছিলো, তার অন্যতম বড় শিকার ছিলো দেশের মেধাবী তরুণ সমাজ। রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে লাখ লাখ যোগ্য প্রার্থীকে সরকারি চাকরি থেকে বঞ্চিত করা হয়েছিলো। এর একটি জ্বলন্ত উদাহরণ হলেন পীরগাছা উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান ও রংপুর জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আফসার আলীর পুত্র সাইদুল ইসলাম সাঈদী এবং পীরগাছা উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও ছাওলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নাজির হোসেনের পুত্র আসাদুজ্জামান আসাদ।

 এ দুই মেধাবী তরুণ বিসিএস ক্যাডারে একাধিকবার সুপারিশপ্রাপ্ত হলেও কেবল বিএনপি পরিবারের সদস্য হওয়ার অপরাধে পুলিশি ভেরিফিকেশনে তাদের বাদ দেয়া হয়। ২০২৪ সালেও একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটলে তারা রংপুরের তৎকালীন এসপি বিপ্লব কুমার সরকারের সঙ্গে দেখা করে ভেরিফিকেশন ইতিবাচক করার অনুরোধ জানান। তখন এসপি বিপ্লব সরকার অত্যন্ত অহংকার ও ঔদ্ধত্যের সঙ্গে তাদের জানিয়ে দিয়েছিলেন যে, শেখ হাসিনা তাকে রংপুরে বিএনপি পরিবারের সন্তানদের চাকরি দেয়ার জন্য পাঠাননি, বরং তাদের বঞ্চিত করার জন্যই পাঠিয়েছেন। তিনি তাদের অন্য চাকরি খোঁজার পরামর্শ দেন। যদিও জুলাই অভ্যুত্থানের সফলতার এক সপ্তাহ পর এই দুই বঞ্চিত তরুণ বিসিএস ক্যাডারে যোগ দেয়ার সুযোগ পান, কিন্তু সারা দেশের লাখ লাখ তরুণের জীবনের মূল্যবান সময় স্বৈরাচারী ব্যবস্থার কারণে নষ্ট হয়ে গেছে। আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম প্রকাশ্য সভায় ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের বলেছিলেন, তোমরা শুধু প্রিলিমিনারি ও লিখিত পরীক্ষা পাস করো, ভাইভা ও বাকিটা আমি দেখবো। এ নীতি অনুসরণের ফলে পুরো প্রশাসনকে একদলীয় ও দলীয়করণ করা হয়েছিলো, যেখানে মেধার কোনও মূল্যায়ন ছিলো না।

সাংস্কৃতিক অঙ্গনে স্বৈরাচারের দোসরদের একচ্ছত্র আধিপত্য

শুধু সরকারি চাকরিই নয়, শিল্প, সাহিত্য, সংস্কৃতি এবং বিনোদন জগতেও তীব্র বৈষম্য ও দলীয়করণ বজায় রেখেছিলো পতিত আওয়ামী সরকার। জাতীয়তাবাদী চেতনায় বিশ্বাসী হওয়ার কারণে বেবি নাজনীনের মতো আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন কণ্ঠশিল্পীকে বছরের পর বছর প্রবাসে নির্বাসিত জীবন কাটাতে হয়েছে। দেশে থেকেও চরম অবহেলা ও উপেক্ষার শিকার হয়েছেন রুমানা ইসলাম কনকচাঁপা, মনির খানের মতো জনপ্রিয় শিল্পীরা। অন্যদিকে, যারা প্রতিনিয়ত শেখ মুজিবুর রহমান ও শেখ হাসিনার বন্দনায় ব্যস্ত থাকতেন, তারা রাষ্ট্রীয় সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা ও সুযোগ লুফে নিয়েছেন। তারানা হালিম, সুবর্ণা মুস্তফা, শমী কায়সার, রোকেয়া প্রাচী, ফেরদৌস, রিয়াজ, মমতাজ, তারিক আনাম, লিয়াকত আলী লাকীর মতো ব্যক্তিরা শুধু সাংস্কৃতিক সুবিধাই নেননি, বরং অনেকে মন্ত্রী ও এমপি পদও বাগিয়ে নিয়েছেন। এ সুবিধাবাদী গোষ্ঠী প্রতিটি বিতর্কিত ও পাতানো নির্বাচনে জনগণের ভোটাধিকার হরণের পক্ষে দাঁড়িয়ে নৌকার প্রচারণা চালিয়েছেন। এমনকি বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার গুলশান কার্যালয় যখন বালুর ট্রাক দিয়ে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছিলো, তখনও এ শিল্পীদের অনেকেই সে অন্যায়ের পক্ষে সাফাই গেয়েছিলেন। তারা বেগম জিয়ার বাড়িও ঘেরাও করেছিলেন।

জুলাই অভ্যুত্থানে গণশত্রুদের ভূমিকা ও বর্তমান ঔদ্ধত্য

২০২৪ সালের জুলাই মাসে যখন শেখ হাসিনার নির্দেশে ঢাকার রাজপথ ছাত্র-জনতার রক্তে রঞ্জিত হচ্ছিলো, তখন জাহিদ হাসান, শমী কায়সার, রোকেয়া প্রাচী, অরুণা বিশ্বাস, শাকিল খান, শাহরিয়ার নাজিম জয়, জ্যোতিকা জ্যোতি, সায়মন সাদিক, তানভীন সুইটি, মীর সাব্বির, বিজরী বরকতুল্লাহ, মাজনুন মিজান, রিয়াজ, পূর্ণিমা, ফেরদৌস, নাদিয়া আহমেদ, রবি চৌধুরী, মেহের আফরোজ শাওন ও মাহিয়া মাহি গংরা সরাসরি খুনি সরকারের পক্ষে অবস্থান নেন। তারা আন্দোলন দমাতে এবং শিক্ষার্থীদের ওপর কঠোর বলপ্রয়োগ করতে হাসিনাকে উসকানি দিয়েছিলেন। ৫ আগস্টের পর আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা দেশ ছেড়ে পালালেও এ অলিগার্ক শিল্পীদের অনেকেই দেশে থেকে গেছেন এবং এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় জুলাই অভ্যুত্থান ও অন্তর্বর্তীকালীন প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে নিয়মিত বিষোদ্গার করছেন। মাঝখানে শমী কায়সার, রোকেয়া প্রাচী ও সাংবাদিক মুন্নি সাহাকে গ্রেফতার করা হলেও রহস্যজনক কারণে তাদের দ্রুত ছেড়ে দেয়া হয়। এমনকি আওয়ামী লীগের থিংক ট্যাংক হিসেবে পরিচিত শাইখ সিরাজকে নতুন করে পুরস্কৃত করা হয়েছে এবং সোমা ইসলামের মতো বিতর্কিত উপস্থাপিকাকে ভারত সফর শেষে পুনরায় একটি টেলিভিশন চ্যানেলে পুনর্বাসন করা হয়েছে, যাতে তিনি জুলাই অভ্যুত্থান নিয়ে জনমনে বিভ্রান্তি ছড়াতে পারেন।

সবচেয়ে বড় বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন প্রয়াত কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমদের দ্বিতীয় স্ত্রী মেহের আফরোজ শাওন (যার মা তহুরা আলী আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি ছিলেন) এবং চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহি। গত ১ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তির শুরুতে শাওন তার ফেসবুক আইডিতে জুলাই আন্দোলনকে একটি অত্যন্ত আপত্তিকর ও অশ্লীল শব্দের সঙ্গে তুলনা করে জুলাই ‘#জুলাইCDI’ লিখে পোস্ট দেন। তিনি বিভিন্ন ভিডিওবার্তায় এ আন্দোলনকে পরিকল্পিত বা সাজানো নাটক হিসেবে আখ্যায়িত করেন। একইভাবে মাহিয়া মাহিও তার সোশ্যাল মিডিয়ায় আন্দোলনের শহীদ ও আহতদের ত্যাগকে অভিনয়ের সঙ্গে তুলনা করে কটাক্ষ করেন। 

আরও পড়ুন <<>> চীনের নতুন অর্থনৈতিক করিডোর, চাপে পড়ছে ভারত?

এ দুই অভিনেত্রীর এমন ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণের বিরুদ্ধে গত ৩ জুলাই রাষ্ট্র সংলাপ ফোরামের পক্ষ থেকে ঢাকার শাহবাগ থানায় একটি মামলা করার চেষ্টা করা হলে পুলিশ আইসিটি অপরাধের তদন্ত পিবিআইয়ের ওপর ন্যস্ত করার অজুহাতে মামলা না নিয়ে কেবল একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) হিসেবে গ্রহণ করে। এর দুই দিন পর, ৫ জুলাই কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) থানায় সাংবাদিক আনিস আলমগীর, মেহের আফরোজ শাওন, মাহিয়া মাহি, শান্তা ফারজানা, সোমা ইসলাম ও মোমিন মেহেদীর বিরুদ্ধে জুলাই আন্দোলনের স্মৃতিচিহ্ন অবমাননা ও কটাক্ষের অভিযোগে আরও একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন এনসিপির কেন্দ্রীয় সদস্য এস এম সুইট। শান্তা ফারজানা নামের এক নারী জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে জুতা নিক্ষেপ করার ভিডিও ফেসবুকে শেয়ার করার পরও তাদের বিরুদ্ধে কোনও দৃশ্যমান আইনি ব্যবস্থা না নেয়া তৃণমূলের মানুষকে ক্ষুব্ধ করেছে।

বিএনপির তথাকথিত নিরপেক্ষতার নীতি ও তৃণমূলের ক্ষোভ

ক্ষমতায় আসার পর বিএনপির কিছু মন্ত্রী ও এমপি ডা. বদরুদ্দোজা চৌধুরীর মতো অতিরিক্ত নিরপেক্ষ ভাব দেখাতে গিয়ে সবার জন্য সরকার স্লোগান তুলছেন। মাঠপর্যায়ের নেতাকর্মীদের অভিযোগ, যারা স্বৈরাচারের সাড়ে ১৫ বছর আন্দোলন-সংগ্রামে মাঠে ছিলেন না, সমঝোতা করে চলেছেন কিংবা নিষ্ক্রিয় ছিলেন, তারাই এখন প্রশাসনের বড় বড় পদে বসে ভালোমানুষি দেখাচ্ছেন। অথচ দীর্ঘ দুই দশক ধরে ছাত্রদল, যুবদল ও বিএনপির তৃণমূল কর্মীরা হামলা, মামলা ও হুলিয়া মাথায় নিয়ে যাযাবরের মতো দিন কাটিয়েছেন। অনেকে পড়াশোনা ছেড়ে রিকশা, সিএনজি বা মোটরবাইক চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করেছেন। অভ্যুত্থানের পর যখন এ নির্যাতিত কর্মীরা এলাকায় ফিরে নিজেদের হারানো ব্যবসা-বাণিজ্য বা জমিজমা উদ্ধারের চেষ্টা করছেন, তখন সুকৌশলে তাদের ওপর চাঁদাবাজ ও দখলদার ট্যাগ দেয়া হচ্ছে। অন্যদিকে, শিল্পকলা একাডেমি, বাংলা একাডেমি বা নজরুল একাডেমির মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানগুলোতে দলবাজি মুক্ত করার নামে স্বৈরাচারের দোসর ও দীর্ঘ দেড় যুগ ধরে বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানকে গালিগালাজ করা ব্যক্তিদের আবারও পুনর্বাসনের সুযোগ করে দেয়া হচ্ছে।

তৃণমূলের একাধিক নেতা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন, আওয়ামী লীগ সরকার তাদের দীর্ঘ শাসনামলে গ্রাম পর্যায় পর্যন্ত নিজস্ব অনুসারীদের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সুবিধা দিয়ে একটি শক্তিশালী বলয় তৈরি করেছিলো, যার কারণে দলটির নিবন্ধন বাতিল বা শীর্ষ নেতারা পলাতক থাকার পরও তারা এখনো মাঠে ঝটিকা মিছিল করার সাহস পাচ্ছে। কিন্তু বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর মন্ত্রী-এমপিরা নিজেদের ও নিজেদের আত্বীয়-স্বজনদের পকেট ভারী করতে ব্যস্ত থাকলেও মাঠের ত্যাগী কর্মীদের মূল্যায়ন করছেন না। স্বৈরাচারের সুবিধাভোগী অলিগার্ক আর ১৮ বছর নির্যাতিত কর্মীকে সমানে সমান ভাবার এ তথাকথিত প্রগতিশীল বা নিরপেক্ষ নীতি গ্রামীণ রাজনীতিতে দলের ভিত দুর্বল করে দিচ্ছে।

সামনে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের বড় পরীক্ষা

নির্বাচন কমিশনের পরিকল্পনা অনুযায়ী আগামী অক্টোবর ও নভেম্বর মাসের মধ্যে দেশের ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা ও সিটি করপোরেশনসহ স্থানীয় সরকারের সব স্তরের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরও ইতিমধ্যে এ নির্বাচনের ইঙ্গিত দিয়েছেন। নির্বাচনকে সামনে রেখে জামায়াতে ইসলামী, এনসিপিসহ অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলো পুরোদমে প্রচারণা শুরু করে দিয়েছে। বিএনপির তৃণমূলও নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। তবে মাঠপর্যায়ের বর্তমান ক্ষোভ ও বঞ্চনাবোধ যদি কেন্দ্র নিরসন করতে না পারে, তবে এ স্থানীয় নির্বাচনে বিএনপিকে বড় ধরনের বিপর্যয়ের মুখোমুখি হতে হবে বলে মনে করছেন স্থানীয় নেতারা। তারা স্পষ্ট ভাষায় হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, ক্ষমতা শুধু মন্ত্রী-এমপি এবং তাদের স্বজনরা ভোগ করবেন আর কর্মীরা শুধু মার খেয়ে যাবেন এবং চাঁদাবাজির অপবাদ সইবেন, এ নীতি তৃণমূল মেনে নেবে না। স্বৈরাচারের দোসর শাওন-মাহি-সোমাদের খুঁটির জোর ভেঙে তাদের আইনের আওতায় আনা এবং দলের ত্যাগী কর্মীদের পুনর্বাসন করা না হলে এর নেতিবাচক প্রভাব ব্যালট বক্সে পড়তে বাধ্য।

সবার দেশ/কেএম

শীর্ষ সংবাদ:

ইংল্যান্ডকে উড়িয়ে সপ্তমবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ অস্ট্রেলিয়ার
এক মোটরসাইকেলে তিন বন্ধু, শেষ হলো একসঙ্গেই
কোরআনের আয়াত শুনিয়ে জুলাই শহীদদের স্মরণ করলো ইরান
ইরানের জন্য প্রস্তুত রাশিয়ার ২০টি সুখোই-৩৫ যুদ্ধবিমান
অ্যাটর্নি জেনারেলকে হুমকির অভিযোগ
সমৃদ্ধ পল্লীই গড়ে তুলবে উন্নত বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী
শাওন-মাহি-সোমাদের খুঁটির জোর কোথায়?
মিয়ানমার সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
পুলিশের ৩৩ শীর্ষ কর্মকর্তার বাধ্যতামূলক অবসর
যুবলীগ নেতার মুক্তি দাবিতে থানা ঘেরাও, ছাত্রদল নেতাকে শোকজ
নিউইয়র্কে গোলাগুলি, ৪ শিশুসহ আহত অন্তত ৮
বেনাপোল কাস্টমসে ৪ হাজার ৭৩১ কোটি টাকার রাজস্ব ঘাটতি
বেড়াতে নিয়ে মামাতো বোনকে ধর্ষণ, ফুফাতো ভাই গ্রেফতার