সীমান্ত রক্ষায় সীমান্তবাসীদের সামরিক ট্রেনিং দিতে হবে: নাসীরুদ্দিন পাটওয়ারী
দেশের সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার করতে সীমান্তবর্তী অঞ্চলের বাসিন্দাদের সামরিক প্রশিক্ষণ দেয়ার প্রস্তাব দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দিন পাটওয়ারী। তিনি বলেছেন, সীমান্তকে কার্যকরভাবে সুরক্ষিত রাখতে শুধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর নির্ভর না করে সীমান্ত এলাকার জনগণকেও প্রস্তুত ও সচেতন করে তুলতে হবে।
বুধবার (২৪ জুন) রাজধানীর তোপখানা রোডে অনুষ্ঠিত ‘সীমান্ত হত্যা, পুশইন ও বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের বর্তমান বাস্তবতা’ শীর্ষক এক গোলটেবিল বৈঠকে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।
নাসীরুদ্দিন পাটওয়ারী বলেন, বাংলাদেশের সীমান্তে বিভিন্ন সময়ে হত্যা, অনুপ্রবেশ এবং পুশইনের মতো ঘটনা উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় জাতীয় ঐক্যের বিকল্প নেই। তিনি মনে করেন, সীমান্ত প্রশ্নে রাজনৈতিক বিভাজনের ঊর্ধ্বে উঠে জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।
তিনি বলেন, সীমান্তকে সুরক্ষা দিতে হলে সীমান্তবর্তী মানুষকে মিলিটারি ট্রেনিং দিতে হবে। দেশের সীমান্ত নিরাপত্তার বিষয়ে দল-মত নির্বিশেষে সবাইকে একটি অভিন্ন অবস্থানে আসতে হবে।
এনসিপির এ নেতা আরও বলেন, সীমান্ত শুধু ভৌগোলিক সীমানা নয়, এটি দেশের সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও জাতীয় মর্যাদার প্রতীক। তাই সীমান্তে যেকোনও ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা প্রতিরোধে রাষ্ট্রকে আরও কার্যকর ও দীর্ঘমেয়াদি পদক্ষেপ নিতে হবে।
গোলটেবিল বৈঠকে সীমান্ত হত্যা, সীমান্তে পুশইন এবং বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়। বক্তারা সীমান্ত ব্যবস্থাপনা, কূটনৈতিক উদ্যোগ এবং জাতীয় নিরাপত্তা ইস্যুতে সমন্বিত নীতির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ, এনসিপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন, যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার, উমামা ফাতেমাসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের তরুণ নেতারা।
আলোচকরা সীমান্তে প্রাণহানি বন্ধ, অবৈধ অনুপ্রবেশ প্রতিরোধ এবং প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে পারস্পরিক সম্মান ও স্বার্থের ভিত্তিতে সম্পর্ক উন্নয়নের প্রয়োজনীয়তার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।
সবার দেশ/কেএম




























