ফিতরার হার জনপ্রতি সর্বনিম্ন ১১০ টাকা
রমজান মাসে বাংলাদেশের জন্য সাদাকাতুল ফিতর জনপ্রতি সর্বনিম্ন ১১০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ২ হাজার ৮০৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। গত বছরও (২০২৫ সাল) ফিতরার সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ হার একই ছিলো।
বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর বায়তুল মোকাররমে ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ-এর সভাকক্ষে জাতীয় সাদাকাতুল ফিতর নির্ধারণ কমিটির বৈঠকে ১৪৪৭ হিজরি সনের ফিতরার এ হার ঘোষণা করা হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন ফিতরা নির্ধারণ কমিটির সভাপতি ও মুফতি আবদুল মালেক। বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের ফিতরার হার জানান।
সভায় সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত হয়, ইসলামী শরীয়াহ অনুযায়ী সামর্থ্য অনুযায়ী গম, আটা, যব, খেজুর, কিসমিস অথবা পনির—যে কোনও একটি পণ্যের নির্দিষ্ট পরিমাণ বা এর বাজারমূল্য ফিতরা হিসেবে গরিবদের মধ্যে বিতরণ করা যাবে।
নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী, গম বা আটার ক্ষেত্রে ফিতরার পরিমাণ ধরা হয়েছে ১ কেজি ৬৫০ গ্রাম (অর্ধ সা’), যার বাজারমূল্য ১১০ টাকা (প্রতি কেজি ৬৫ টাকা ধরে)। যবের ক্ষেত্রে ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম বা এর বাজারমূল্য ৫৯৫ টাকা ফিতরা দিতে হবে।
কিসমিসের ক্ষেত্রে প্রতি কেজি ৮০০ টাকা ধরে ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম বা এর বাজারমূল্য ২ হাজার ৬৪০ টাকা, খেজুরের ক্ষেত্রে প্রতি কেজি ৭৫০ টাকা ধরে ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম বা এর বাজারমূল্য ২ হাজার ৪৭৫ টাকা এবং পনিরের ক্ষেত্রে প্রতি কেজি ৮৫০ টাকা ধরে ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম বা এর বাজারমূল্য ২ হাজার ৮০৫ টাকা ফিতরা আদায় নির্ধারণ করা হয়েছে।
ফিতরা নির্ধারণ কমিটি জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারমূল্যের তারতম্য অনুযায়ী নির্ধারিত পণ্যের স্থানীয় মূল্য পরিশোধ করলেও ফিতরা আদায় হবে।
এছাড়া বলা হয়েছে, ঈদের দিন সুবহে সাদিকের সময় কেউ নেসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক হলে তার ওপর নিজের ও নির্ভরশীলদের ফিতরা আদায় করা ওয়াজিব। ঈদের নামাজের আগে ফিতরা আদায় করা উত্তম।
চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ২০ বা ২১ মার্চ দেশে ঈদুল ফিতর উদযাপিত হতে পারে।
সবার দেশ/কেএম




























