বনানীতে ‘জলজ’ থিমে দুর্গোৎসব
রাজধানীর বনানী কামাল আতাতুর্ক পার্কে শুরু হয়েছে ছয় দিনব্যাপী শারদোৎসব ১৪৩৩। এবারের দুর্গোৎসবের মূল আকর্ষণ ‘জলজ’ থিম। পরিবেশবান্ধব ও নান্দনিক সাজসজ্জায় তৈরি পূজামণ্ডপ ঘিরে উৎসবের আয়োজন করেছেন গুলশান-বনানী সর্বজনীন দুর্গোৎসবের আয়োজকেরা।
শুক্রবার মহাষষ্ঠীর সন্ধ্যায় দেবীর বোধন, আমন্ত্রণ ও অধিবাসের মধ্য দিয়ে উৎসবের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। উদ্বোধন করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের আইনকানুন কাউকে সংখ্যালঘু বা ভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষ হিসেবে বিবেচনা করে না। দেশের সব নাগরিক সমান অধিকার ভোগ করেন।
তিনি বলেন, আমাদের দেশের আইন-কানুন কেউ কাউকে সংখ্যালঘু বা ভিন্ন সম্প্রদায় হিসেবে দেখে না। আমরা সবাই বাংলাদেশের নাগরিক, সবাই সমান অধিকারের অধিকারী।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন গুলশান সোসাইটির সভাপতি ব্যারিস্টার ওমর সাদাত। এ সময় উপস্থিত ছিলেন গুলশান-বনানী সর্বজনীন দুর্গোৎসবের সভাপতি অলক সাহা, সাধারণ সম্পাদক বিনয় গোপাল রায়, বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, বিদেশি মিশনের প্রতিনিধি এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিরা।
এবারের উৎসবের মূল ভাবনা ‘জলজ’। আয়োজকেরা পরিবেশ ও প্রকৃতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে পূজামণ্ডপ সাজিয়েছেন। নান্দনিক উপস্থাপনার পাশাপাশি পরিবেশবান্ধব আয়োজনের মাধ্যমে দর্শনার্থীদের কাছে ভিন্নধর্মী অভিজ্ঞতা তুলে ধরাই এ থিমের উদ্দেশ্য।
উৎসবের প্রথম দিনের সাংস্কৃতিক আয়োজনে নৃত্য পরিবেশন করেন রেচেল পেরিস ও তার দল। সংগীত পরিবেশন করেন রণু কর্মকার, জয়ন্ত আচার্য ও রোকসানা মমতাজসহ অন্য শিল্পীরা। তাদের পরিবেশনায় উৎসবের প্রথম সন্ধ্যায় সাংস্কৃতিক আবহ তৈরি হয়।
আয়োজকেরা আশা করছেন, ছয় দিনব্যাপী এ শারদোৎসবে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে বিপুলসংখ্যক মানুষের সমাগম ঘটবে। পূজার আনুষ্ঠানিকতা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও পরিবেশবান্ধব সাজসজ্জার মধ্য দিয়ে বনানীর এ আয়োজন রাজধানীর অন্যতম উৎসবকেন্দ্রে পরিণত হবে বলে তাদের প্রত্যাশা।
সবার দেশ/কেএম




























