Sobar Desh | সবার দেশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ০০:২৮, ২৪ আগস্ট ২০২৬

বদলে যাচ্ছে উপসাগরের সমীকরণ

হরমুজে ভাঙলো মার্কিন শক্তির দম্ভ

হরমুজে ভাঙলো মার্কিন শক্তির দম্ভ
ছবি: সংগৃহীত

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে হত্যার মধ্য দিয়ে ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে যুদ্ধ শুরু করার পর ওয়াশিংটনের হিসাব ছিলো—বিপুল সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে তেহরানকে দ্রুত আত্মসমর্পণে বাধ্য করা যাবে। কিন্তু যুদ্ধ শুরুর প্রায় ছয় মাস পর হরমুজ প্রণালির সংকট সে হিসাবকে বড় ধরনের প্রশ্নের মুখে ফেলেছে।

একটি টাগবোট ডুবে যাওয়া, প্রায় এক ডজন নাবিকের মৃত্যু বা নিখোঁজ হওয়া এবং বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহনপথ হিসেবে পরিচিত হরমুজ প্রণালিতে দীর্ঘস্থায়ী অচলাবস্থা দেখিয়ে দিচ্ছে, সামরিক আধিপত্য থাকলেই রাজনৈতিক বিজয় নিশ্চিত হয় না। বরং সুস্পষ্ট রাজনৈতিক সমাধান ছাড়া সামরিক শক্তি অনেক সময় একটি সংঘাতকে আরও দীর্ঘায়িত করতে পারে।

আত্মসমর্পণের বদলে হরমুজ বন্ধের পথে ইরান

খামেনি হত্যার পর আত্মসমর্পণের বদলে পাল্টা প্রতিরোধের পথ বেছে নেয় ইরান। দেশটির ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) ঘোষণা করে, যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল কিংবা তাদের মিত্রদের মালিকানাধীন কোনও জাহাজ হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করলে সেটিকে বৈধ লক্ষ্য হিসেবে বিবেচনা করা হবে।

এরপর সংঘাত দ্রুত বিস্তৃত হয়। যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র অবকাঠামো ও ড্রোন স্থাপনায় হামলা চালায়। পাল্টা জবাবে ইরান বাণিজ্যিক জাহাজে ড্রোন হামলা এবং সমুদ্রপথে মাইন স্থাপনের মতো পদক্ষেপ নেয়।

হরমুজের নৌ অবরোধ কখনো কঠোর হয়েছে, কখনও কিছুটা শিথিল হয়েছে। আবার কূটনৈতিক আলোচনা ভেঙে পড়লে নতুন করে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। এপ্রিল নাগাদ মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের হিসাবে, কয়েক ডজন জাহাজকে বাধা দেয়া এবং কয়েকটি জাহাজ জব্দ করা হয়েছিলো। ওয়াশিংটনের দাবি, এতে ইরানের প্রতিদিন প্রায় ৫০ কোটি ডলার ক্ষতি হয়েছে।

তবে এত সামরিক ও অর্থনৈতিক চাপের পরও হরমুজ প্রণালি যুক্তরাষ্ট্রের শর্ত অনুযায়ী পুরোপুরি স্বাভাবিক করা সম্ভব হয়নি।

চাপে মার্কিন নৌবহরও

দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতের চাপ এখন মার্কিন যুদ্ধজাহাজগুলোর ওপরও দৃশ্যমান হচ্ছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কিছু মার্কিন নৌসেনা ২৫০ দিনেরও বেশি সময় ধরে মোতায়েন রয়েছেন।

দীর্ঘ সময়ের এ মোতায়েনে খাদ্যসংকট, দূষিত পানি, নষ্ট পাইপলাইন এবং আবাসিক এলাকায় ছত্রাকের মতো সমস্যার অভিযোগ সামনে এসেছে। নাবিকদের পরিবারের সদস্যরাও জাহাজে মানসিক চাপ ও অবসাদ বাড়ার কথা জানিয়েছেন। এমনকি কয়েকজন নাবিক জাহাজ থেকে সমুদ্রে ঝাঁপ দেয়ার চেষ্টা করেছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।

পরিস্থিতির প্রভাব পর্যবেক্ষণে মার্কিন নৌবাহিনী প্রায় ১ হাজার ৬০০ নাবিকের ঘুম ও বায়োমেট্রিক তথ্য পর্যবেক্ষণ শুরু করেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এসব ঘটনা অবশ্যই প্রমাণ করে না যে যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধে পরাজিত হয়েছে। তবে এগুলো এমন একটি সামরিক ব্যবস্থার ওপর বাড়তে থাকা চাপের ইঙ্গিত দেয়, যা পরিকল্পনার তুলনায় অনেক বেশি সময় ধরে সংঘাতে আটকে আছে।

সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো, এ যুদ্ধের সুস্পষ্ট সমাপ্তির সময়সীমা কিংবা প্রকাশ্য কোনও ‘এক্সিট প্ল্যান’ নেই। ফলে সামরিক সক্ষমতার চেয়ে রাজনৈতিক ধৈর্য দ্রুত ক্ষয়ে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।

হরমুজ নিয়ন্ত্রণে তেহরানের নতুন দাবি

সংঘাতকে কাজে লাগিয়ে ইরান এমন একটি অবস্থান প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছে, যা যুদ্ধের আগে খুব কম মানুষই সম্ভব বলে মনে করতেন। তেহরান এখন কার্যত হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষ হিসেবে নিজেকে উপস্থাপন করছে।

মে মাসে ইরান ‘পারস্য উপসাগরীয় প্রণালি কর্তৃপক্ষ’ প্রতিষ্ঠা করে। একই সঙ্গে ঘোষণা দেয়, তাদের অনুমতি ছাড়া কোনও জাহাজ হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করতে পারবে না।

তবে আন্তর্জাতিক আইনের বাস্তবতায় হরমুজ প্রণালির জলসীমা ইরান ও ওমানের মধ্যে বিভক্ত। ওমানও ইরানের একতরফা এ দাবিকে সমর্থন করেনি।

ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফসহ দেশটির শীর্ষ কর্মকর্তারা অবশ্য ইঙ্গিত দিয়েছেন, যুদ্ধের আগে যে ব্যবস্থায় হরমুজ পরিচালিত হতো, তেহরান সেখানে আর ফিরতে চায় না।

প্রণালি খুলতে কঠিন শর্ত ইরানের

হরমুজ প্রণালি পুনরায় স্বাভাবিক করার ক্ষেত্রেও কঠোর শর্ত দিয়েছে তেহরান। এর মধ্যে রয়েছে মার্কিন নৌ অবরোধ ও নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, অঞ্চল থেকে মার্কিন বাহিনীর পূর্ণ প্রত্যাহার, যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ এবং জব্দ করা ইরানি সম্পদ মুক্ত করা।

এসব দাবি এমন কোনও রাষ্ট্রের অবস্থান নয়, যে রাষ্ট্র দ্রুত পতনের মুখে রয়েছে। বরং এতে এমন একটি দেশের আত্মবিশ্বাস ফুটে উঠছে, যারা মনে করছে প্রতিপক্ষই ধীরে ধীরে বিকল্পহীন হয়ে পড়ছে।

ওয়াশিংটনের সামনে কঠিন তিন পথ

যুদ্ধের প্রায় ছয় মাস পর হরমুজ সংকট ওয়াশিংটনের সামনে বড় ধরনের কৌশলগত সংকট তৈরি করেছে। যুদ্ধের আগে প্রতিদিন প্রায় ১১০টি জাহাজ এ প্রণালি দিয়ে চলাচল করতো। অথচ বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী নৌবাহিনী মোতায়েনের পরও সে নৌপথ পুরোপুরি স্বাভাবিক করা যায়নি।

যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক শক্তি ইরানের অবকাঠামো ধ্বংসে কার্যকর হলেও একটি রাজনৈতিক সমঝোতা আদায়ে ততটা কার্যকর প্রমাণিত হয়নি।

এখন ওয়াশিংটনের সামনে মূলত তিনটি ঝুঁকি। প্রথমত, আরও সামরিক উত্তেজনা তৈরি হলে উপসাগরীয় দেশগুলো সরাসরি সংঘাতে জড়িয়ে পড়তে পারে এবং বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের ধাক্কা আসতে পারে। দ্বিতীয়ত, কোনও সমঝোতা ছাড়াই পিছু হটলে সেটিকে পরাজয় হিসেবে দেখা হতে পারে। তৃতীয়ত, যুদ্ধ চালিয়ে গেলে যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘমেয়াদি সামরিক ও রাজনৈতিক ব্যয় আরও বাড়বে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একদিকে দীর্ঘমেয়াদি বিদেশি যুদ্ধে জড়িয়ে পড়া এড়িয়ে চলার কথা বলেছেন, অন্যদিকে তেহরানের বিরুদ্ধে কঠোর সামরিক অবস্থান নিয়েছেন। ফলে এমন এক সংঘাত তৈরি হয়েছে, যেখানে বিজয়ের সংজ্ঞা যেমন অস্পষ্ট, তেমনি বেরিয়ে আসার পথও অনিশ্চিত।

সম্প্রতি ট্রাম্প সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি মানচিত্র প্রকাশ করে হরমুজ প্রণালিকে নিজের এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। এমন বক্তব্য সামরিক বা কূটনৈতিক প্রভাবের চেয়ে ওয়াশিংটনের হতাশাই বেশি প্রকাশ করছে—এমন ব্যাখ্যাও সামনে এসেছে।

বদলে যাচ্ছে উপসাগরীয় দেশগুলোর কৌশল

হরমুজ সংকট উপসাগরীয় দেশগুলোর দীর্ঘদিনের ‘হেজিং’ বা ভারসাম্য রক্ষার কৌশলকে আরও ত্বরান্বিত করেছে। নিরাপত্তার ক্ষেত্রে তারা এখনও ওয়াশিংটনের ওপর নির্ভরশীল। মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রই সবচেয়ে শক্তিশালী সামরিক উপস্থিতি বজায় রেখেছে।

তবে একই সঙ্গে উপসাগরীয় দেশগুলো বিকল্প সম্পর্কও গড়ে তুলছে। চীনের সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার, দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়ার সঙ্গে বাণিজ্য ও নিরাপত্তা সহযোগিতা বাড়ানো এবং সৌদি আরবের পাকিস্তানের সঙ্গে মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি এ পরিবর্তনের গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ।

এ চুক্তি ভবিষ্যতে উপসাগরীয় নিরাপত্তার দ্বিতীয় একটি বাস্তব স্তম্ভে পরিণত হবে, নাকি কেবল কৌশলগত ভারসাম্য রক্ষার হাতিয়ার হিসেবে থাকবে, তা আগামী দিনের আঞ্চলিক নিরাপত্তা কাঠামোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

নতুন সমীকরণে পাকিস্তানের গুরুত্ব

পরিবর্তিত এ আঞ্চলিক সমীকরণে পাকিস্তানের অবস্থান বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। দেশটির ভৌগোলিক অবস্থান এমন একটি জায়গায়, যেখানে উপসাগর, ইরান, চীন ও মধ্য এশিয়ার স্বার্থ পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত।

ইসলামাবাদ একদিকে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে আলোচনার উদ্যোগ নিয়েছে, অন্যদিকে রিয়াদের সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তি করেছে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কার্যকর সম্পর্ক বজায় রাখার পাশাপাশি ইরানের সঙ্গেও সম্পর্ক ধরে রেখেছে পাকিস্তান।

আফগানিস্তানের সঙ্গেও সম্পর্ক স্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে ইসলামাবাদ। মধ্য এশিয়ার সঙ্গে স্থলপথে যোগাযোগ সম্প্রসারণের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার ক্ষেত্রেও এটি গুরুত্বপূর্ণ।

সব মিলিয়ে পাকিস্তানের কৌশল কোনও একটি শক্তির সঙ্গে পুরোপুরি জোটবদ্ধ হওয়ার পরিবর্তে একাধিক প্রতিদ্বন্দ্বী শক্তির সঙ্গে একই সময়ে কার্যকর সম্পর্ক বজায় রাখা। তবে সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে এ ভারসাম্য কতটা টেকসই হবে এবং তা পাকিস্তানের জন্য দীর্ঘমেয়াদে অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক সুবিধা বয়ে আনবে কি না, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন।

মুসলিম বিশ্বে বাড়ছে পাকিস্তানের গুরুত্ব

মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ একটি অঞ্চল যখন নিজেদের নিরাপত্তার ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে ভাবছে, তখন পাকিস্তানের এ ভারসাম্যপূর্ণ অবস্থানের গুরুত্ব তার নিজস্ব সীমারেখা ছাড়িয়ে যাচ্ছে।

পারমাণবিক শক্তিধর পাকিস্তানের উপসাগরীয় দেশগুলোর সঙ্গে গভীর সম্পর্ক রয়েছে। ওয়াশিংটনের সঙ্গে যোগাযোগ কার্যকর রাখার পাশাপাশি বেইজিং ও তেহরানের সঙ্গেও সম্পর্ক বজায় রেখেছে ইসলামাবাদ।

ফলে মধ্যপ্রাচ্যে একাধিক শক্তির মধ্যে অবিশ্বাস বাড়তে থাকায় পাকিস্তান একটি সম্ভাব্য মধ্যস্থতাকারী হিসেবে বাড়তি সুযোগ পাচ্ছে। ইসলামাবাদ এ অবস্থান ব্যবহার করে হরমুজ সংকটের রাজনৈতিক সমাধানের পথ তৈরি করবে, নাকি দ্বিপক্ষীয় সুবিধা আদায়েই বেশি মনোযোগ দেবে, সেটি দেশটির ভবিষ্যৎ আঞ্চলিক ভূমিকার গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা হয়ে উঠতে পারে।

সামরিক শক্তির সীমাবদ্ধতার বড় শিক্ষা

হরমুজ প্রণালির সংকট গত ছয় মাসে একটি বিষয় স্পষ্ট করেছে—যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক শক্তি কমে যায়নি, কিন্তু সামরিক শক্তি একা রাজনৈতিক সমাধান নিশ্চিত করতে পারে না।

যে নৌপথ যুদ্ধের আগে প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক বাণিজ্যিক জাহাজের চলাচলের কেন্দ্র ছিলো, সেটি এখনও পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি। মার্কিন নৌবহরে দীর্ঘমেয়াদি মোতায়েনের চাপ দৃশ্যমান। অন্যদিকে ইরান তার দাবিকে আরও জোরালো করছে এবং উপসাগরীয় দেশগুলোও ওয়াশিংটনের ওপর একক নির্ভরতা কমানোর পথ খুঁজছে।

হরমুজ সংকটের সবচেয়ে বড় শিক্ষা তাই ইরান বা যুক্তরাষ্ট্রের তাৎক্ষণিক জয়-পরাজয় নয়। বরং এটি দেখিয়ে দিচ্ছে, রাজনৈতিক সমাপ্তির পথ ছাড়া সামরিক শক্তি একটি যুদ্ধকে দ্রুত শেষ করার বদলে আরও দীর্ঘায়িত করতে পারে।

আর সে বাস্তবতার মধ্যেই বদলে যাচ্ছে উপসাগরীয় নিরাপত্তার পুরোনো কাঠামো। একসময় যেখানে ওয়াশিংটনের সিদ্ধান্তই ছিলো প্রধান নির্ধারক, সেখানে এখন ধীরে ধীরে তৈরি হচ্ছে বহু-মেরুকেন্দ্রিক এক নতুন আঞ্চলিক সমীকরণ।

সূত্র: মিডলইস্ট মনিটর

সবার দেশ/কেএম

শীর্ষ সংবাদ:

মার্কিন প্রতিনিধিদল মোবাইলের আলোয় দেখলেন জুলাই জাদুঘর
সেপ্টেম্বরে নিউইয়র্ক যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী
১৮০ দিনের অব্যবস্থাপনায় জনভোগান্তি বেড়েছে: নাহিদ ইসলাম
যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক যুদ্ধে নামলে শত্রু ভাববে ইরান
অর্থ কমিটির বৈঠক অকার্যকর করার অভিযোগ হাসনাতের
হরমুজে ভাঙলো মার্কিন শক্তির দম্ভ
ভারত থেকে বিদ্যুৎ আমদানিতে নতুন চার্জ, বাড়বে খরচ
প্রতিশোধ নয়, আত্মসম্মানের লড়াই ছিলো: কামিন্স
মেঘনায় স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকে কুপিয়ে জখম
ঢাকার কূটনৈতিক এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার
লংমার্চে বাধা এলে প্রতিহত করার ঘোষণা ১১ দলের
মাদক সেবন দেখে ফেলায় একই পরিবারের চারজনকে হত্যা, আটক ২
টেস্টে ইতিহাসের সেরা র‍্যাংকিংয়ে বাংলাদেশ
শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে উঠলো জাপান, বহু হতাহতের আশঙ্কা
বঙ্গভবনে মির্জা ফখরুল, পিজিআরের গার্ড অব অনার
‘দুঃখ পেয়েছেন’ চুপ্পু, আমন্ত্রণ পাননি বঙ্গভবনে
আজ বঙ্গভবনে উঠছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল
দেশে হবে পোস্টগ্র্যাজুয়েট বিশ্ববিদ্যালয়: শিক্ষামন্ত্রী