রিজার্ভে বাড়তি স্বস্তি
আইএমএফের ১.৩ বিলিয়ন ডলার ঋণ ছাড়
বাংলাদেশের জন্য আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ১ দশমিক ৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ঋণ ছাড় হয়েছে। সোমবার (২৩ জুন) সংস্থাটির বোর্ড সভায় এ অর্থ ছাড়ের সিদ্ধান্ত হয় বলে অর্থ মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ ব্যাংকের একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে।
এটি বাংলাদেশের জন্য আইএমএফের অনুমোদিত ৪ দশমিক ৭০ বিলিয়ন ডলারের ঋণের চতুর্থ ও পঞ্চম কিস্তি। এর আগে তিন কিস্তিতে বাংলাদেশ ২৩১ কোটি ডলার পেয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর ড. হাবিবুর রহমান বলেন, আমরা জানতে পেরেছি, আইএমএফ চুক্তি অনুযায়ী ১ দশমিক ৩০ বিলিয়ন ডলার ছাড় করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় সোমবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে অনুষ্ঠিত বোর্ড সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়।
তিনি জানান, সভা শেষে আইএমএফ ওয়েবসাইটে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হবে এবং বাংলাদেশ ব্যাংককেও আনুষ্ঠানিকভাবে ই-মেইল পাঠানো হবে।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেন, আইএমএফ ঋণ ছাড়ের বিষয়টি পুরোপুরি নিশ্চিত হতে কিছুটা সময় লাগে। আজকের মধ্যে বিস্তারিত জানা যাবে। ঋণের অর্থ আসার পর রিজার্ভে তা যোগ হবে, যা দেশের বৈদেশিক মুদ্রার মজুদের ক্ষেত্রে স্বস্তি দেবে।
বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্র জানায়, সোমবার পর্যন্ত দেশের মোট রিজার্ভ ছিলো ২৬ দশমিক ৮৩ বিলিয়ন ডলার। বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে তা ছিল ২১ দশমিক ৭৫ বিলিয়ন ডলার। আইএমএফের অর্থ যুক্ত হলে মোট রিজার্ভ দাঁড়াবে প্রায় ২৮ দশমিক ১৩ বিলিয়ন ডলারে।
জানা গেছে, আইএমএফ জুন মাসের নিট ইন্টারন্যাশনাল রিজার্ভ (এনআইআর) এর লক্ষ্যমাত্রা ২০ দশমিক ১১ বিলিয়ন ডলার নির্ধারণ করেছিলো। সরকার এনআইআর লক্ষ্য কিছুটা কমানোর প্রস্তাব দিলে আইএমএফ তা অনুমোদন করে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বর্তমানে এনআইআর রয়েছে প্রায় ১৭ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার। আইএমএফের নতুন অর্থ যুক্ত হলে তা সাড়ে ১৮ বিলিয়নের বেশি হবে, যা সংশোধিত লক্ষ্য পূরণে সহায়ক হবে।
উল্লেখ্য, গত ১২ মে আইএমএফের সঙ্গে সরকারের স্টাফ লেভেল এগ্রিমেন্ট সম্পন্ন হওয়ার পরই দুই কিস্তির ঋণ ছাড়ের সিদ্ধান্ত হয়।
সবার দেশ/কেএম




























