Sobar Desh | সবার দেশ মনির হোসেন, বেনাপোল প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ০০:৪৮, ২৬ মে ২০২৬

আপডেট: ০০:৪৯, ২৬ মে ২০২৬

বেনাপোলে ইউনুস হত্যায় সোহেল রানা আটক

বেনাপোলে ইউনুস হত্যায় সোহেল রানা আটক
ছবি: সবার দেশ

বেনাপোলে  ইউনুস আলী (নিরাপত্তাকর্মী) হত্যা মামলায় আরও এক আসামিকে আটক করেছে পিবিআই যশোরের সদস্যরা। একই সঙ্গে হত্যায় ব্যবহৃত গামছাও উদ্ধার করা হয়েছে। 

আটক সোহেল রানা বেনাপোলের পুটখালী রহমতপুর গ্রামের কুদ্দুস সিকদারের ছেলে। 

রোববার (২৪ মে) রাতে শার্শার গোগা বাগানপাড়া এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। সোমবার তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

এর আগে এ মামলায় বেনাপোলের রহমতপুর গ্রামের তরিকুল ইসলাম এবং একই গ্রামের সবুজ হোসেনকে আটক করা হয়। তাদের জিজ্ঞাসাবাদেও উঠে আসে, হত্যাকাণ্ডে সরাসরি সোহেল রানা অংশ নিয়েছিলেন।

নিহত ইউনুস আলী (৪৭) ছোট আঁচড়া গ্রামের মৃত মোস্তাব আলীর ছেলে। তিনি বেনাপোল স্থলবন্দরের একটি ট্রান্সপোর্ট এজেন্সিতে নিরাপত্তাকর্মী হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

আটকের পর সোহেল রানা জানিয়েছেন, মূলত ঘটনার রাতে আনোয়ার ও ইউনুস তার ঘরে যান। এ সময় আনোয়ার তাকে ১০টি ইয়াবা কিনে আনতে বলেন। সোহেল রানা ইয়াবা কিনেও আনেন। এর মধ্যে একটি ইয়াবা সোহেল রানা সেবন করেন এবং বাকি নয়টি তারা দুজন সেবন করেন। কিছু সময় পর ইউনুস ঢলে পড়েন। পরে আনোয়ার জানান, ইয়াবার সঙ্গে ইউনুসকে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে দিয়েছিলেন তিনি। এরপর ইউনুস অচেতন হয়ে পড়েন। পরে তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়।

যশোর পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার কামরুজ্জামান জানান, পারিবারিক জটিলতা ও পূর্বের দাম্পত্য বিরোধকে কেন্দ্র করে এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়। নিহতের স্ত্রী তাসলিমা খাতুনের সঙ্গে একই এলাকার আনোয়ার হোসেনের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরবর্তীতে বিয়ে, বিচ্ছেদ এবং পুনরায় সংসার এসব ঘটনার জেরে বিরোধের সৃষ্টি হয় এবং সেখান থেকেই হত্যার পরিকল্পনা করা হয়।

গত ২২ এপ্রিল কৌশলে তরিকুল ইসলাম ইউনুস আলীকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে রহমতপুরের একটি বাড়িতে নিয়ে যায়। সেখানে আনোয়ারসহ আরও কয়েকজন মিলে তাকে আটকে রেখে মারধর ও নির্যাতন করে। একপর্যায়ে শ্বাসরোধ করে তাকে হত্যা করা হয়। পরে সবুজের অ্যাপাচি মোটরসাইকেলে মরদেহ বেনাপোল বড়আঁচড়া-পুটখালী সড়কের পাশে ফেলে রাখা হয়।

এ ঘটনায় নিহতের ভাই বেনাপোল পোর্ট থানায় অজ্ঞাত আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। মামলাটি তদন্ত করেন পিবিআই যশোরের এসআই রতন মিয়া। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় জড়িতদের শনাক্ত করে গত ২৭ এপ্রিল রাতে গোপালগঞ্জ থেকে তরিকুল ইসলামকে আটক করা হয়। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সবুজ হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়। সর্বশেষ রোববার রাতে আটক করা হয় সোহেল রানাকে।

তবে এই মামলার মূল পরিকল্পনাকারী আনোয়ার হোসেন এখনও পলাতক রয়েছেন। তাকে আটকে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

সবার দেশ/কেএম

শীর্ষ সংবাদ:

বন্যার ভয়াবহতা আরও তীব্র: মৃত বেড়ে ৫১
ব্যাংক হিসাবে হঠাৎ ৭৬০ কোটি রুপি! আতঙ্কে থানায় ছুটলেন গৃহবধূ
বন্যাকবলিত ১১ জেলায় বিজিবি মোতায়েন
আইএমএফের শর্ত পূরণে বাড়ছে ডলারের দাম
ঐতিহ্যবাহী মসজিদে নামাজ নিষিদ্ধ করলো ভারত
হাসিনার খাবারে বছরে ব্যয় ৩৫ কোটি টাকা
ইরান যুদ্ধের চাপে টান মার্কিন অস্ত্রভান্ডারে
ইউএস-বাংলায় বড় বিনিয়োগ, যুক্ত হচ্ছে ২১টি নতুন বোয়িং
সংসদ চত্বরে চিরনিদ্রায় শায়িত জমির উদ্দিন সরকার
টানা বৃষ্টিতে পানির নিচে ঢাকা
কটিয়াদীতে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগ নেতা গ্রেফতার
বেনাপোল সীমান্তে বিদেশী পিস্তল ও গুলি উদ্ধার
আলমারিতে বিষাক্ত সাপ: কামড়ে প্রাণ গেলো গৃহবধূর
চট্টগ্রাম বোর্ড ছাড়া নির্ধারিত সূচিতেই এইচএসসি পরীক্ষা
কুয়েত-বাহরাইন-জর্ডানেে ইরানের একযোগে হামলা
সুইজারল্যান্ডকে বিধ্বস্ত করে সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা
বন্যার ভয়াবহতা বাড়ছে, এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত