Sobar Desh | সবার দেশ সবার দেশ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০১:০২, ১৩ জুলাই ২০২৬

ক্ষতিগ্রস্ত ১০ লাখের বেশি মানুষ

বন্যার ভয়াবহতা আরও তীব্র: মৃত বেড়ে ৫১

বন্যার ভয়াবহতা আরও তীব্র: মৃত বেড়ে ৫১
ছবি: সংগৃহীত

টানা ভারি বৃষ্টি, উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল এবং পাহাড়ধসে দেশের দক্ষিণ-পূর্ব ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সাত জেলায় বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। ভয়াবহ এ দুর্যোগে এখন পর্যন্ত ৫১ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও ৩৯ জন। একই সঙ্গে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সংখ্যা ১০ লাখ ছাড়িয়েছে।

রোববার (১২ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত হালনাগাদ তথ্য প্রকাশ করে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের বন্যা পরিস্থিতি বিষয়ক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বন্যা ও সংশ্লিষ্ট দুর্ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৫১ জন প্রাণ হারিয়েছেন। আহত হয়েছেন ৩৯ জন এবং কয়েকটি এলাকায় এখনও নিখোঁজের ঘটনাও রয়েছে। দুর্যোগে মোট ১০ লাখ ২২ হাজার ৯৬৩ জন মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন ২ লাখ ৬৭ হাজার ৯১৮টি পরিবারের সদস্যরা। নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য ৪৪ হাজার ৪৫৭ জন মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন সরকারি আশ্রয়কেন্দ্রে।

মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি, বান্দরবান, কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ—এ সাত জেলার ৫৮টি উপজেলা, ৩৮৬টি ইউনিয়ন এবং ১১টি পৌরসভা বন্যার পানিতে প্লাবিত হয়েছে। দুর্গত মানুষের জন্য এসব এলাকায় মোট ১ হাজার ১৩১টি আশ্রয়কেন্দ্র চালু করা হয়েছে।

জেলাভিত্তিক পরিসংখ্যানে সবচেয়ে বেশি প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে কক্সবাজারে। জেলাটিতে ২৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের মধ্যে ১৫ জন স্থানীয় বাসিন্দা এবং ১৩ জন রোহিঙ্গা। এছাড়া সেখানে ২৪ জন আহত হয়েছেন এবং একজন এখনও নিখোঁজ রয়েছেন।

চট্টগ্রামে বন্যা ও পাহাড়ধসসহ বিভিন্ন দুর্ঘটনায় ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। বান্দরবানে প্রাণ হারিয়েছেন ৬ জন, রাঙামাটিতে ৩ জন এবং মৌলভীবাজারে একজনের মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করেছে মন্ত্রণালয়। অন্যান্য ক্ষতিগ্রস্ত জেলাতেও হতাহত ও ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটেছে।

ক্ষয়ক্ষতির দিক থেকে সবচেয়ে বেশি বিপর্যস্ত চট্টগ্রাম জেলা। জেলার ১৬টি উপজেলায় প্রায় ৫ লাখ ৯৫ হাজার মানুষ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। পানিবন্দি হয়ে পড়েছে প্রায় ১ লাখ ৪৭ হাজার ৫০০টি পরিবার। অন্যদিকে কক্সবাজারে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সংখ্যা ১ লাখ ৫৮ হাজারের বেশি।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, দুর্গত এলাকায় উদ্ধার, ত্রাণ বিতরণ এবং আশ্রয়কেন্দ্র পরিচালনার কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। প্রশাসন, সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড, ফায়ার সার্ভিস ও স্বেচ্ছাসেবীরা ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থেকে উদ্ধার ও সহায়তা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। একই সঙ্গে বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

সবার দেশ/কেএম

শীর্ষ সংবাদ:

বন্যার ভয়াবহতা আরও তীব্র: মৃত বেড়ে ৫১
ব্যাংক হিসাবে হঠাৎ ৭৬০ কোটি রুপি! আতঙ্কে থানায় ছুটলেন গৃহবধূ
বন্যাকবলিত ১১ জেলায় বিজিবি মোতায়েন
আইএমএফের শর্ত পূরণে বাড়ছে ডলারের দাম
ঐতিহ্যবাহী মসজিদে নামাজ নিষিদ্ধ করলো ভারত
হাসিনার খাবারে বছরে ব্যয় ৩৫ কোটি টাকা
ইরান যুদ্ধের চাপে টান মার্কিন অস্ত্রভান্ডারে
ইউএস-বাংলায় বড় বিনিয়োগ, যুক্ত হচ্ছে ২১টি নতুন বোয়িং
সংসদ চত্বরে চিরনিদ্রায় শায়িত জমির উদ্দিন সরকার
টানা বৃষ্টিতে পানির নিচে ঢাকা
কটিয়াদীতে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগ নেতা গ্রেফতার
বেনাপোল সীমান্তে বিদেশী পিস্তল ও গুলি উদ্ধার
আলমারিতে বিষাক্ত সাপ: কামড়ে প্রাণ গেলো গৃহবধূর
চট্টগ্রাম বোর্ড ছাড়া নির্ধারিত সূচিতেই এইচএসসি পরীক্ষা
কুয়েত-বাহরাইন-জর্ডানেে ইরানের একযোগে হামলা
সুইজারল্যান্ডকে বিধ্বস্ত করে সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা
বন্যার ভয়াবহতা বাড়ছে, এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত