তত্ত্বাবধায়ক সরকার পুনর্বহাল বিষয়ে রায় ২০ নভেম্বর
নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহালের দাবিতে করা আপিলের শুনানি শেষ হয়েছে। সর্বোচ্চ আদালত আগামী ২০ নভেম্বর (বৃহস্পতিবার) এ বহুল আলোচিত মামলার রায় ঘোষণা করবেন।
মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) সকালে প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে সাত সদস্যের পূর্ণাঙ্গ আপিল বেঞ্চ শুনানি শেষে রায়ের তারিখ নির্ধারণ করেন।
এর আগে শুনানিতে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী অবৈধ ঘোষণা করে দেয়া রায় বহাল রাখা ঠিক হবে না। পূর্বের রায়ে সাংবিধানিক সীমালঙ্ঘন হয়েছে, যা দণ্ডনীয় অপরাধের সামিল। তিনি আরও যুক্তি দেন, নির্বাচনকালীন সরকারের জন্য বিকল্প কাঠামো প্রণয়ন সম্ভব হলেও সংবিধানবহির্ভূত কোনও অনির্বাচিত সরকার কাঠামো সংবিধানসম্মত নয়।
উল্লেখ্য, গত ২৭ আগস্ট তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিলের রায় পুনর্বিবেচনার আবেদন মঞ্জুর করেন সর্বোচ্চ আদালত এবং আপিলের অনুমতি দেন। এর পরপরই ড. বদিউল আলম মজুমদার, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, জামায়াতে ইসলামী সেক্রেটারি জেনারেল গোলাম পরওয়ারসহ মোট পাঁচজন আবেদনকারী হিসেবে আপিল দায়ের করেন।
২০১১ সালে সাবেক প্রধান বিচারপতি এবিএম খায়রুল হকের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ সংখ্যাগরিষ্ঠ মতামতের ভিত্তিতে ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল করে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থাকে সংবিধানবহির্ভূত ঘোষণা দেন। সে রায়ের পর থেকেই এ ব্যবস্থা বিলুপ্ত হয়।
তবে রাজনৈতিক মহল ও নাগরিক সমাজের বড় অংশের দাবি, নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকারের বিকল্প নেই। এর মাধ্যমে প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনের ওপর জনগণের আস্থা ফিরিয়ে আনা সম্ভব।
এ প্রেক্ষাপটে আসন্ন রায়কে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র আগ্রহ ও উত্তেজনা বিরাজ করছে। রায়ের ফলাফল দেশের ভবিষ্যৎ নির্বাচন পদ্ধতিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে বলে মনে করছেন আইনজীবী ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা।
সবার দেশ/কেএম




























