Sobar Desh | সবার দেশ আন্তর্জাতিক

প্রকাশিত: ১৬:৩৬, ২৭ আগস্ট ২০২৬

হড়পা বান ও ভূমিধসে নেপালে নিহত ২৮৯, নিখোঁজ ৮২৬

হড়পা বান ও ভূমিধসে নেপালে নিহত ২৮৯, নিখোঁজ ৮২৬
ছবি: সংগৃহীত

ভয়াবহ হড়পা বান ও ভূমিধসে বিপর্যস্ত নেপালে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২৮৯ জনে দাঁড়িয়েছে। দেশটির বিভিন্ন এলাকায় উদ্ধার ও তল্লাশি অভিযান অব্যাহত থাকলেও এখনো ৮২৬ জনের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। নিখোঁজদের মধ্যে স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য এবং দেশি-বিদেশি পর্যটকরাও রয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) দুপুরে নেপাল পুলিশের মুখপাত্র অবি নারায়ণ কাফলে নিহতের সংখ্যা ২৮৯ জনে পৌঁছানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেন। কাঠমান্ডু পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্থানীয় সময় দুপুর ১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এ সংখ্যা নিশ্চিত করা হয়েছে।

নেপালের জাতীয় দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের (NDRRMA) সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এখনো ৮২৬ জন নিখোঁজ রয়েছেন। দুর্গম ও ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় যোগাযোগব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন থাকায় নিখোঁজদের প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি কি না, তা নিয়েও উদ্বেগ রয়েছে।

চিতওয়ানে সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি

জেলাভিত্তিক হিসাবে সবচেয়ে বেশি মরদেহ উদ্ধার হয়েছে চিতওয়ানে। সেখানে ১০৮ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া নওয়ালপরাসি ইস্টে ৬২, ধাদিংয়ে ২৭, গোরখায় ২০, রাসুয়ায় ১৭, নওয়ালপরাসি ওয়েস্টে ১৫, নুয়াকোটে ১২ এবং তানাহুনে ৯ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

বুধবার (২৬ আগস্ট) সকালে আকস্মিক এ দুর্যোগে নেপালের বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ দেখা দেয়। পাহাড়ি নদীগুলোতে হঠাৎ পানির প্রবাহ বেড়ে যাওয়ায় ঘরবাড়ি, সড়ক ও সেতু ভেসে যায়। কোথাও কোথাও কাদা ও পাথরের স্রোত পুরো জনপদ ঢেকে দেয়।

ধসের পর নেমে আসে পানি, কাদা ও পাথরের স্রোত

বিশেষজ্ঞদের প্রাথমিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, হিমালয় অঞ্চলে বরফ ও পাথরের বিশাল ধসের পর এ বিপর্যয়ের সূত্রপাত। পাহাড়ের ওপর থেকে বিপুল পরিমাণ পানি, কাদা, বরফ ও পাথর নদীতে নেমে আসায় মুহূর্তের মধ্যে নদীর পানির উচ্চতা ও স্রোত ভয়াবহ আকার ধারণ করে।

এর ফলে সীমান্তবর্তী বিভিন্ন জনপদ, সড়ক, সেতু ও অবকাঠামো ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। প্রাথমিকভাবে ভূমিকম্পকে সম্ভাব্য কারণ হিসেবে বিবেচনা করা হলেও পরবর্তী বিশ্লেষণে হিমবাহ-সম্পর্কিত ধস ও ধ্বংসাবশেষের প্রবাহকেই দুর্যোগের প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

দুর্গম এলাকায় উদ্ধারকাজে বাধা

বন্যা ও ভূমিধসে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত পাহাড়ি এলাকাগুলোতে যোগাযোগব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। বহু সড়ক ও সেতু ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় উদ্ধারকারী দলকে দুর্গম এলাকায় পৌঁছাতে বেগ পেতে হচ্ছে। এর মধ্যেও নিখোঁজদের সন্ধানে তল্লাশি ও উদ্ধার অভিযান চালিয়ে যাচ্ছেন নিরাপত্তা বাহিনী ও উদ্ধারকর্মীরা।

তবে এখনো শত শত মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

সূত্র: কাঠমান্ডু পোস্ট

সবার দেশ/কেএম

শীর্ষ সংবাদ:

ধর্ষণের আলামত মেলেনি, শ্বাসরোধেই চারজনকে হত্যা
আমিনবাজারের বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করবে চীন
হড়পা বান ও ভূমিধসে নেপালে নিহত ২৮৯, নিখোঁজ ৮২৬
দুর্নীতির ১৫ মামলায় খালাস পেলেন মির্জা আব্বাস
চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ড্র আজ, চার পটে ৩৬ দল
নেপালের বন্যার ভয়াবহতা, প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনা
গাজীপুরে ঝুটের গোডাউনে ভয়াবহ আগুন
নিভে গেছে প্রাণের প্রদীপ, নিভেনি নজরুলের আগুন
সামিটে ভিড়েছে এলএনজি জাহাজ, গ্যাস সংকটে স্বস্তি
নেপালে বন্যা-ভূমিধসে প্রাণহানি, প্রধানমন্ত্রীর শোক
জোট ছাড়ার প্রশ্নে এনসিপিকে নিয়ে যা বললেন জামায়াত আমির
সংসদ অভিমুখে ১১ দলের পদযাত্রা রোববার
দুমকীতে যুবদলের কমিটি নিয়ে ক্ষোভ, ঝাড়ু মিছিল
‘মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে’ যোগদানের বিষয়টি সরকারের বিবেচনায়: শামা ওবায়েদ
চল্লিশের পরও তারুণ্য ধরে রাখার সহজ ৮ উপায়
ভয়াবহ বন্যায় তছনছ নেপাল, নিহত দেড় শতাধিক
রংপুরে ৪ খুন: জমি সংক্রান্ত বিরোধও আসছে সামনে
পাঁচ ঘণ্টাতেই পাঁচ সিনেমাকে পেছনে ফেললো ‘টক্সিক’