Sobar Desh | সবার দেশ আন্তর্জাতিক

প্রকাশিত: ১১:৩১, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ড্রিসকলের বিদায়ে শীর্ষ সামরিক নেতৃত্বে শূন্যতা, উদ্বিগ্ন আইনপ্রণে

প্রতিরক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে বিরোধে মার্কিন সেনাপ্রধানের পদত্যাগ

প্রতিরক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে বিরোধে মার্কিন সেনাপ্রধানের পদত্যাগ
ছবি: মার্কিন সেনাবাহিনী প্রধান ড্যান ড্রিসকল।

প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথের সঙ্গে দীর্ঘদিনের মতবিরোধের জেরে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী প্রধানের পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন জেনারেল ড্যান ড্রিসকল। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) ‘দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল’-এর বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে আনাদোলু এজেন্সি।

জানা গেছে, ড্রিসকল ইতোমধ্যে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই তিনি পেন্টাগন ছাড়বেন।

হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র অ্যানা কেলি এক বিবৃতিতে ড্রিসকলের নেতৃত্বের প্রশংসা করে বলেন, ট্রাম্পের এজেন্ডা বাস্তবায়নে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন এবং তার নেতৃত্বে মার্কিন সেনাবাহিনী আরও শক্তিশালী হয়েছে।

শীর্ষ নেতৃত্বে নতুন শূন্যতা

ড্রিসকলের পদত্যাগের ফলে মার্কিন সেনাবাহিনীর শীর্ষ নেতৃত্বে নতুন করে শূন্যতা তৈরি হলো। সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল র‍্যান্ডি জর্জকে হেগসেথ সরিয়ে দেয়ার পর থেকে জেনারেল ক্রিস্টোফার লানেভ ভারপ্রাপ্ত সেনাপ্রধানের দায়িত্ব পালন করছেন।

ফলে ড্রিসকলের বিদায়ের পর সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে সিনেট-অনুমোদিত কোনো পূর্ণাঙ্গ সামরিক বা বেসামরিক প্রধান থাকছেন না। এমন পরিস্থিতি নিয়ে মার্কিন আইনপ্রণেতাদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

বিশেষ করে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ ছয় মাসে গড়ানোর সময় মার্কিন সশস্ত্র বাহিনীর শীর্ষ পর্যায়ে নেতৃত্বের এ অস্থিরতা নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

যে কারণে দ্বন্দ্ব

মার্কিন সংবাদমাধ্যম ‘অ্যাক্সিওস’-এর তথ্য অনুযায়ী, ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের সঙ্গে ড্রিসকলের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক তাকে এতোদিন রাজনৈতিকভাবে সুরক্ষা দিয়েছে বলে ধারণা করা হলেও প্রতিরক্ষামন্ত্রী হেগসেথের সঙ্গে তার মতবিরোধ কমেনি।

‘দ্য নিউইয়র্ক টাইমস’-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ড্রিসকলের আপত্তি সত্ত্বেও চারজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাকে পদোন্নতির তালিকা থেকে বাদ দেয়ার চেষ্টা নিয়ে দুই শীর্ষ কর্মকর্তার মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়েছিলো।

এর আগে ড্রিসকলের জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা কর্নেল ডেভিড বাটলারকে বরখাস্ত করার জন্য হেগসেথ চাপ দিয়েছিলেন বলেও ফক্স নিউজের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছিলো। ড্রিসকল ওই সিদ্ধান্ত ঠেকানোর চেষ্টা করেছিলেন বলে জানা যায়।

‘ড্রোন গাই’ থেকে সেনাপ্রধান

সামরিক আধুনিকায়নের ওপর গুরুত্ব দেয়ার কারণে ড্রিসকল মার্কিন সেনাবাহিনীতে ‘ড্রোন গাই’ নামে পরিচিত ছিলেন। সেনাবাহিনীর আধুনিকায়ন ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধিতে তার ভূমিকা ছিলো গুরুত্বপূর্ণ।

সেনাপ্রধান হিসেবে তিনি মার্কিন সেনাবাহিনীর বিশাল বার্ষিক বাজেট, ১০ লাখের বেশি সেনাসদস্য এবং ৩ লাখ ৩০ হাজারেরও বেশি বেসামরিক কর্মীর সামগ্রিক ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে ছিলেন।

তার আকস্মিক বিদায় তাই শুধু একজন শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তার পদত্যাগ নয়; বরং যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা প্রশাসনের অভ্যন্তরীণ সমন্বয় ও নেতৃত্ব কাঠামো নিয়েও নতুন প্রশ্ন সামনে এনেছে।

সবার দেশ/এমকেজে

শীর্ষ সংবাদ:

ক্ষমার আদর্শের নামে জুলাই ধুয়ে যাওয়ার পথে!
লংমার্চে গ্যাস-বিদ্যুৎ সমস্যার সমাধান হলে আমরাই আগে করতাম: প্রধানমন্ত্রী
পুনর্বহালের সুযোগ নেই ৮,৭৯৬ বিডিআর সদস্যের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
লালমনিরহাট সীমান্তে বিএসএফের গুলি, ৪ নৌকা জব্দ
বিলুপ্ত হলো র‍্যাব, পাস এসআরবি বিল
ভারতে কারাভোগ শেষে দেশে ফিরলো ৪৭ বাংলাদেশি
এনবিআর আন্দোলনে আরও ৩ কর্মকর্তার দণ্ড মওকুফ
প্যারোলে মুক্তি পেয়ে মায়ের শেষকৃত্যে চিন্ময় দাস
বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক: এখনই সময় নতুন উচ্চতায় পৌঁছানোর
চাঁদাবাজির অভিযোগ ১৬ দিনে ১৮ কোটি টাকার
সংসদে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজের অভিযোগ রুমিনের
হরমুজে মার্কিন ড্রোন-সাবমেরিন জব্দের দাবি ইরানের
মেসির পর আর্জেন্টিনার নতুন অধিনায়ক রোমেরো
ধাপে ধাপে ঠকছেন মালদ্বীপের প্রবাসীরা: হাসনাত
এক ভিসায় মধ্যপ্রাচ্যের ৬ দেশে ভ্রমণ