আইনি সীমার মধ্যেই খরচ
ঢাকা-১৭ আসনে তারেক রহমানের নির্বাচনি ব্যয় ২৩ লাখ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৭ আসনে বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী তারেক রহমানের নির্বাচনি ব্যয় হয়েছে ২৩ লাখ টাকা। নির্বাচন কমিশনে (ইসি) জমা দেয়া নির্বাচনি ব্যয়ের রিটার্ন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
রিটার্নে উল্লেখিত ব্যয়ের খাত বিশ্লেষণে দেখা যায়, প্রচার-প্রচারণায় ব্যয় হয়েছে প্রায় সাড়ে ৫ লাখ টাকা। পরিবহন খাতে ১ লাখ ১০ হাজার, জনসভা আয়োজনের জন্য ১ লাখ ৮০ হাজার এবং নির্বাচনি ক্যাম্প পরিচালনায় ৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা খরচ করা হয়েছে।
এছাড়া এজেন্ট ও অন্যান্য স্টাফদের জন্য সর্বোচ্চ ৯ লাখ ৮৪ হাজার টাকা ব্যয় দেখানো হয়েছে, যা মোট ব্যয়ের সবচেয়ে বড় অংশ। আবাসন ও প্রশাসনিক খাতে ব্যয় হয়েছে ৬৬ হাজার টাকা এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচারণার জন্য খরচ করা হয়েছে ৫০ হাজার টাকা।
নির্বাচন কমিশনের তথ্যমতে, ঢাকা-১৭ আসনে মোট ভোটার ছিলেন ৩ লাখ ৩৩ হাজার ৭৭৭ জন। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ অনুযায়ী, একজন প্রার্থী সর্বোচ্চ ২৫ লাখ টাকা অথবা ভোটারপ্রতি ১০ টাকা—এ দুইয়ের মধ্যে যেটি বেশি হয়, সে পরিমাণ অর্থ নির্বাচনে ব্যয় করতে পারেন। সে হিসাবে তারেক রহমানের দেখানো ব্যয় আইনি সীমার মধ্যেই রয়েছে।
আইন অনুযায়ী, নির্বাচিত প্রার্থীর নাম গেজেটে প্রকাশের ৩০ দিনের মধ্যে নির্বাচনি ব্যয়ের পূর্ণাঙ্গ হিসাব নির্বাচন কমিশনে জমা দেয়া বাধ্যতামূলক। নির্বাচন পরিচালনা বিধিমালা, ২০০৮ অনুসারে নির্ধারিত ফরম-২২-এ হলফনামাসহ এ রিটার্ন দাখিল করতে হয় এবং এর অনুলিপি রেজিস্টার্ড ডাকযোগে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে পাঠাতে হয়।
সবার দেশ/কেএম




























