দক্ষিণ এশিয়ায় নতুন রাজনৈতিক অধ্যায়
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে তারেক রহমানের শপথ
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয়ের পর প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমান-এর শপথ আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে ব্যাপক গুরুত্ব পেয়েছে। গণ-অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা নেতৃত্বাধীন সরকারের পতনের প্রায় ১৭ মাস পর অনুষ্ঠিত নির্বাচনে বিএনপির বড় জয়ের পর ১৭ ফেব্রুয়ারি শপথ নেন তিনি ও তার মন্ত্রিসভার সদস্যরা।
আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্স শিরোনাম করেছে, নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয়ের পর বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন তারেক রহমান। প্রতিবেদনে এটিকে দক্ষিণ এশিয়ার জন্য একটি নির্ণায়ক রাজনৈতিক পরিবর্তনের মুহূর্ত হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
এসোসিয়েট প্রেস তাদের প্রতিবেদনে লিখেছে, পাঁচ বছরের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত নতুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া ও সাবেক প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান-এর পুত্র। তারা আরও উল্লেখ করেছে, ১৯৯১ সালে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার পর এ প্রথম ৩৫ বছরের মধ্যে একজন পুরুষ প্রধানমন্ত্রী দায়িত্ব নিলেন।
জার্মান সংবাদমাধ্যম ডয়েচে ভেলের বিএনপির জয়কে ‘সহজ জয়’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে নতুন প্রধানমন্ত্রীর শপথকে গুরুত্ব দিয়ে প্রকাশ করেছে। কাতারভিত্তিক আল জাজিরাও একইভাবে তার শপথের খবর প্রকাশ করেছে।
পাকিস্তানের প্রভাবশালী পত্রিকা ডন শিরোনামে লিখেছে, বাংলাদেশের নতুন প্রধানমন্ত্রী, রাজনৈতিক উত্তরাধিকারী তারেক রহমান। তারা মন্তব্য করেছে, দীর্ঘদিন পরিবারিক রাজনৈতিক প্রভাবের আড়ালে থাকা এ নেতা এবার সরাসরি রাষ্ট্র পরিচালনার কেন্দ্রে এসেছেন।
ভারতের দ্য হিন্দু ও এনডিটিভিও তার শপথকে গুরুত্ব দিয়ে প্রকাশ করেছে। এনডিটিভি এটিকে বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন যুগের সূচনা হিসেবে বর্ণনা করেছে।
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের এ বিস্তৃত কাভারেজ ইঙ্গিত দিচ্ছে, বাংলাদেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিবর্তন শুধু দেশীয় নয়, আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক রাজনীতিতেও গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।
সবার দেশ/কেএম




























