Sobar Desh | সবার দেশ সবার দেশ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৮:৫৪, ১৩ এপ্রিল ২০২৬

আপডেট: ১৮:৫৪, ১৩ এপ্রিল ২০২৬

নববর্ষে ঐক্য, সংস্কৃতি ও নতুন অঙ্গীকারের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

নববর্ষে ঐক্য, সংস্কৃতি ও নতুন অঙ্গীকারের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
ফাইল ছবি

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, পহেলা বৈশাখ বাঙালি জাতির আত্মপরিচয়, ইতিহাস, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের এক অনন্য প্রতীক। বাংলা নববর্ষ শুধু নতুন বছরের সূচনা নয়, এটি পুরোনো গ্লানি ও জীর্ণতা ঝেড়ে ফেলে নতুন আশা, প্রত্যয় ও সম্ভাবনার পথে এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণাও জোগায়।

সোমবার (১৩ এপ্রিল) পহেলা বৈশাখ ও বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উপলক্ষে দেয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীসহ বিশ্বের সব বাংলাভাষী মানুষকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। একই সঙ্গে তিনি বিদায়ী বাংলা বছর ১৪৩২-কে বিদায় জানিয়ে নতুন বছরকে স্বাগত জানান।

বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পহেলা বৈশাখের সঙ্গে এ অঞ্চলের কৃষি, প্রকৃতি ও কৃষিনির্ভর অর্থনীতির সম্পর্ক গভীরভাবে জড়িত। আধুনিক প্রযুক্তির যুগেও কৃষক সমাজ প্রকৃতির ছন্দ মেনেই ফসল উৎপাদনের সময় নির্ধারণ করে থাকে। এ উৎসবের মধ্য দিয়ে বাংলার হাজার বছরের লোকজ ঐতিহ্য, কৃষ্টি, সংস্কৃতি ও মূল্যবোধ নতুন করে প্রাণ ফিরে পায়।

তিনি বলেন, বৈশাখী মেলা, শোভাযাত্রা, হালখাতা ও নানা লোকজ আয়োজন আমাদের সংস্কৃতির বহুমাত্রিক সৌন্দর্য তুলে ধরে। এসব আয়োজন শুধু আনন্দের নয়, জাতীয় ঐক্য ও সামাজিক সম্প্রীতির বন্ধনও আরও সুদৃঢ় করে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উল্লেখ করেন, দীর্ঘ দেড় দশকের শোষণ-শাসনের অবসানের পর গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন গণতান্ত্রিক সরকারের যাত্রা শুরু হয়েছে। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই সরকার মানুষের জীবনমান উন্নয়নে নানা কর্মসূচি বাস্তবায়ন শুরু করেছে।

তিনি জানান, নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে সরকার ইতোমধ্যে ফ্যামিলি কার্ড, ক্রীড়া কার্ড, খাল খনন কর্মসূচি চালু করেছে। পাশাপাশি ইমাম, মুয়াজ্জিন, খতিব এবং অন্যান্য ধর্মের ধর্মগুরুদের জন্য আর্থিক সহায়তা কর্মসূচিও চালু করা হয়েছে। বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন থেকেই কৃষক, কৃষি ও কৃষি অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে কৃষক কার্ড প্রদান কর্মসূচি শুরু হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের মানুষের ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধ, সহনশীলতা, উদারতা এবং পারস্পরিক সম্প্রীতির চর্চা গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী করবে। বহুমতের সহাবস্থান ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ দেশের গণতান্ত্রিক ভিত্তিকে সুসংহত করবে।

বিশ্বজুড়ে চলমান সংঘাত, অস্থিরতা ও সংকটের প্রেক্ষাপটে শান্তি, সহমর্মিতা ও মানবিক মূল্যবোধের গুরুত্ব আরও বেড়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, নববর্ষের এ শুভক্ষণে সংকীর্ণতা ও স্বার্থপরতার ঊর্ধ্বে উঠে মানবকল্যাণে নিজেদের নিয়োজিত করার অঙ্গীকার নিতে হবে।

বাণীর শেষাংশে প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, নতুন বছরের প্রথম প্রভাতে অতীতের হতাশা ও সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে নতুন উদ্যমে এগিয়ে যেতে হবে। বাংলা নববর্ষ সবার জীবনে সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি বয়ে আনুক—এ কামনা করেন তিনি।

সবার দেশ/কেএম

সর্বশেষ

শীর্ষ সংবাদ:

ফ্রান্সকে কাঁদিয়ে স্বপ্নের ফাইনালে স্পেন
নরসিংদীতে ২ মাসের শিশুর পা ভেঙ্গে দিলো আপন চাচি!
ফ্রান্সে বর্ণাঢ্য আয়োজনে পালিত হলো ‘ফেত নাসিওনাল’
বিরোধী দলকে সংবিধান সংশোধন কমিটিতে যোগ দেয়ার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
দিল্লিতে বসে হুংকার দিয়ে লাভ নেই, ঢুকলেই গ্রেফতার: আইনমন্ত্রী
সংবিধানে গণভোট না থাকলে ২০২৬ সালে নির্বাচনও নেই: জামায়াত আমির
শিক্ষার্থীদের নিয়ে মন্তব্যে সংসদে দুঃখ প্রকাশ শিক্ষামন্ত্রীর
ফার্মের মুরগিরা রাস্তায় নেমেছিলো বলেই আপনারা মন্ত্রী: হাসনাত
হাসিনা দেশে ফিরলেই রায় কার্যকর: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
দেশের মানুষ ঐক্যবদ্ধ হয়ে স্বৈরাচারকে বিদায় করেছে: প্রধানমন্ত্রী
বিএনপি কি একদলীয় শাসনের পথে?—প্রশ্ন আখতার হোসেনের
সংসদের ছাদ চুইয়ে পানি, আমার ঘরেও বাটি রাখতে হয়—ডেপুটি স্পিকার
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নেতৃত্বে সংবিধান সংশোধন কমিটি
মডেল মসজিদের নামে আওয়ামী লুটপাটের তদন্ত হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
২ কোটি টাকা চাঁদা না দেয়ায় ভাঙচুর-লুট
অভিনেত্রী শ্রাবন্তীর পিএস ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার
সাগরে ট্রলারডুবিতে চারজনের লাশ উদ্ধার, নিখোঁজ ১
আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড ম্যাচ ঘিরে ইতিহাসের উত্তাপ আবারও মাঠে