Sobar Desh | সবার দেশ সবার দেশ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৫:৫৬, ৭ এপ্রিল ২০২৬

আপডেট: ১৫:৫৬, ৭ এপ্রিল ২০২৬

লন্ডনে তারেক রহমানকে ট্রফি দিয়ে ভোটের তারিখ নিয়ে আসেন ড. ইউনূস

জুলাই-আগস্টের আন্দোলনের ক্যাপ্টেন তারেক রহমান: প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম

জুলাই-আগস্টের আন্দোলনের ক্যাপ্টেন তারেক রহমান: প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম
ছবি: সংগৃহীত

জাতীয় সংসদে জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের নেতৃত্ব নিয়ে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম দাবি করেছেন, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের আন্দোলনের ‘ক্যাপ্টেন’ ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) সংসদ অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, আন্দোলনের কৃতিত্ব নিয়ে বিভিন্ন মহলে বিভ্রান্তিকর বক্তব্য দেয়া হচ্ছে। তিনি ইঙ্গিত করে বলেন, একটি দলের নেতা দাবি করেছেন—ছাত্র-জনতা আন্দোলন করলেও এর ‘ট্রফি’ বিএনপি নিয়ে বসে আছে। এর জবাবে তিনি বলেন, আমরা কারও কাছে ট্রফি আনতে যাইনি।

তার বক্তব্য অনুযায়ী, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস লন্ডনে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে আলোচনা করে নির্বাচনের তারিখ নির্ধারণ করে দেশে ফিরে আসেন। এ ঘটনাকেই তিনি আন্দোলনের নেতৃত্বের প্রমাণ হিসেবে তুলে ধরেন।

মীর শাহে আলম বলেন, জুলাই-আগস্টের আন্দোলনে ছাত্র-জনতা সহ সব রাজনৈতিক শক্তির অংশগ্রহণ ছিলো, এটি অস্বীকার করার সুযোগ নেই। তবে তার ভাষায়, ক্যাপ্টেন একজনই থাকে—এবং সে ক্যাপ্টেনের সঙ্গেই আলোচনার মাধ্যমে নির্বাচনের পথ সুগম হয়েছে।

তিনি আরও দাবি করেন, সে আলোচনার ফলেই দেশে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং এর মাধ্যমেই বর্তমান সংসদের যাত্রা সম্ভব হয়েছে।

রাষ্ট্রপতির বক্তব্য প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, রাষ্ট্রপতি, যিনি আওয়ামী লীগের মাধ্যমে নির্বাচিত, তার ভাষণের মধ্য দিয়েই গুরুত্বপূর্ণ কিছু রাজনৈতিক বার্তা এসেছে। তিনি দাবি করেন, সংসদে রাষ্ট্রপতির বক্তব্যে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে স্বাধীনতার ঘোষক এবং বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া-কে ‘গণতন্ত্রের মা’ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।

একইসঙ্গে তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতির বক্তব্যে আওয়ামী লীগকে ফ্যাসিস্ট, স্বৈরাচার ও ‘ভোট চোর’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে—যার কৃতিত্ব তিনি বিএনপি ও সংসদ নেতা তারেক রহমানকে দেন।

সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মসূচির কথাও তুলে ধরেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি ইতোমধ্যে দেশের গৃহকর্ত্রীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। পাশাপাশি ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচিও কৃষকদের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে।

তিনি জানান, আগামী ১৪ এপ্রিল পহেলা বৈশাখে টাঙ্গাইল সদর থেকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে কৃষক কার্ড বিতরণ কার্যক্রম শুরু করবেন।

প্রতিমন্ত্রীর এ বক্তব্য ইতোমধ্যেই রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা ও বিতর্কের জন্ম দিয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সবার দেশ/কেএম

শীর্ষ সংবাদ:

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদ্রাসাশিক্ষকদের সঙ্গে এনসিপি নেতাদের সাক্ষাৎ
সরে দাঁড়ালো কওমি, এনসিপির অনুষ্ঠানের এবার বাধা হলো প্রশাসন
লাশের পাহাড় নেপাল, মর্গে ঠাঁই নেই
দুঃখ প্রকাশ করলেন হাসনাত আবদুল্লাহ
শামসুদ্দীন ইলিয়াস শাহ ও বাঙালি মুসলমানের আত্মপরিচয় নিয়ে সিম্পোজিয়াম
পিংক বাসে নারী চালক নিয়োগ, সাক্ষাৎকারেই চাকরি
স্বর্ণের দামে বড় ধস, ভরিতে কমেছে ৭,১১৫ টাকা
নেপালে বন্যা-ভূমিধসে মৃত ৬২৩, নিখোঁজ ২ হাজার
হাসনাতের বক্তব্যে উত্তাল ব্রাহ্মণবাড়িয়া
দেশে ফিরে নেপালে ভয়াবহ দুর্যোগের বর্ণনা দিলেন অপু বিশ্বাস
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ৫০ কিমি যানজট
গোসলে নেমে প্রাণ গেলো পাঁচ বোনের
ইরান যুদ্ধের ৬ বড় বৈশ্বিক পরিণতি
বিনা খরচে প্রথম বহরে মালয়েশিয়া যাবেন ১০ হাজার কর্মী
বাংলাদেশের ‘মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি’ নিয়ে নজর ভারতের
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী উত্তর না পেরে শাহবাগ-পল্টনের প্রসঙ্গ আনেন: সারজিস
দুমকিতে যুবদলের আনন্দ মিছিলে হামলা, আহত ৫
বাইকে নিথর তরুণী, জানালেন কী হয়েছিলো
নেপালে বন্যায় প্রাণহানি ৫৭৯, নিখোঁজ ২ হাজার
২০৩০ সালে অর্থনীতিতে মালয়েশিয়া-থাইল্যান্ডকে ছাড়াবে বাংলাদেশ