সশস্ত্র বাহিনী রাষ্ট্রের, কোনও ব্যক্তি বা দলের নয়: প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, সশস্ত্র বাহিনী কোনো ব্যক্তি, দল বা পরিবারের সম্পদ নয়; এটি রাষ্ট্রের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তার প্রতীক—জাতির অমূল্য সম্পদ। রোববার ঢাকা সেনানিবাসে সশস্ত্র বাহিনীর বিশেষ দরবারে তিনি এ কথা বলেন।
বাহিনীর সদস্যদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পেশাদারিত্বের প্রশ্নে কোনও আপস করা যাবে না। তিনি আশ্বাস দেন, সরকার সশস্ত্র বাহিনীকে আরও আধুনিক, দক্ষ ও শক্তিশালী করতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা দেবে। তার ভাষায়, ২০২৪ সালের সংকটময় সময় এবং ৫ আগস্ট-পরবর্তী প্রশাসনিক অচলাবস্থা মোকাবিলায় বাহিনীর ভূমিকা জনগণের আস্থা বাড়িয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী বিশেষভাবে পিলখানা হত্যাকাণ্ডের প্রসঙ্গ তুলে বলেন, ওই ঘটনার মাধ্যমে সেনাবাহিনীকে দুর্বল করার একটি গভীর ষড়যন্ত্র হয়েছিলো, এবং সে ঘটনার পূর্ণ বিচার নিশ্চিত করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিনি অভিযোগ করেন, গত দেড় দশকে নানা অপচেষ্টায় বাহিনীকে বিতর্কিত করার চেষ্টা হয়েছে, যা প্রতিহত করে জনআস্থার প্রতীক হিসেবে বাহিনীকে প্রতিষ্ঠা করতে হবে।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকা-উজ-জামান, নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল এম নৃজমুল হাসান এবং বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খান। প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ড. একেএম শামছুল ইসলামও উপস্থিত ছিলেন।
দরবারে তিনি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বাহিনীর ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেন। পাশাপাশি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর অবদান দেশের আন্তর্জাতিক মর্যাদা বৃদ্ধি করেছে বলেও উল্লেখ করেন।
শেষে প্রধানমন্ত্রী বাহিনীর সদস্যদের দল-মতের ঊর্ধ্বে থেকে সংবিধান, সার্বভৌমত্ব ও দেশপ্রেমের আদর্শে অবিচল থাকার আহ্বান জানান।
সবার দেশ/কেএম




























