আপিলেও বাতিল মনিরা শারমিনের মনোনয়ন
সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মনিরা শারমিন-এর মনোনয়নপত্র আপিলেও টিকলো না। সোমবার (২৭ এপ্রিল) বেলা ১১টার দিকে দীর্ঘ শুনানি শেষে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন তার আপিল খারিজ করে দেয়।
এর আগে রোববার (২৬ এপ্রিল) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশনে মনোনয়নপত্র বাতিলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল আবেদন করেন তিনি। আপিল জমা দেয়ার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মনিরা শারমিন বলেছিলেন, তার মনোনয়ন বাতিলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তিনি আইনি লড়াই চালিয়ে যাবেন।
তিনি দাবি করেন, যে আইনের ভিত্তিতে তার মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে, সেটিকে ‘ব্ল্যাক অ্যান্ড হোয়াইট’ভাবে ব্যাখ্যা করা হচ্ছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, সংরক্ষিত নারী আসনের উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে আইনটির প্রয়োগ হওয়া উচিত ছিলো, কিন্তু বর্তমান ব্যাখ্যা সে উদ্দেশ্যকে ব্যাহত করছে।
মনিরা শারমিন আরও বলেন, একজন এন্ট্রি-লেভেলের ব্যাংক কর্মকর্তা হিসেবে তার চাকরির বয়স ছিলেঅ মাত্র দুই বছর, এবং সে সময় তিনি এমন কোনও প্রশাসনিক পদে ছিলেন না যেখানে কারও প্রতি প্রভাব খাটানোর সুযোগ ছিলো।
উল্লেখ্য, সরকারি চাকরি থেকে পদত্যাগের পর তিন বছর পূর্ণ না হওয়ায় গত ২৩ এপ্রিল মনোনয়ন যাচাই-বাছাইয়ের দিনে তার মনোনয়নপত্র বাতিল করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা।
এর একদিন আগে, ২২ এপ্রিল জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের ১৩ প্রার্থীর মধ্যে ১২ জনের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হলেও একমাত্র মনিরা শারমিনের প্রার্থিতা বাতিল করা হয়।
আপিলেও মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় তার নির্বাচনে অংশ নেয়ার পথ কার্যত বন্ধ হয়ে গেলো, যদিও ভবিষ্যতে তিনি আদালতের শরণাপন্ন হন কি না, তা এখন দেখার বিষয়।
সবার দেশ/কেএম




























