আরপিও বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ
সংরক্ষিত নারী আসনে মনিরা শারমিনের প্রার্থিতা স্থগিত
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনে প্রার্থীতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছেন মনিরা শারমিন। আরপিও বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে তার প্রার্থিতা স্থগিত করেছে নির্বাচন কমিশন।
বুধবার (২১ এপ্রিল) দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের সময় এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়। একই জোটের বাকি ১২ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র প্রাথমিকভাবে বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।
নির্বাচন কমিশন সূত্র জানায়, গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশ (আরপিও) অনুযায়ী কোনও সরকারি চাকরিজীবী চাকরি ছাড়ার কমপক্ষে তিন বছর পর সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে পারেন। কিন্তু মনিরা শারমিনের ক্ষেত্রে এ শর্ত পূরণ হয়েছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
তথ্য অনুযায়ী, তিনি ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে ২০২৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত রাষ্ট্রায়ত্ত কৃষি ব্যাংকে অফিসার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। চাকরি ছাড়ার মাত্র চার মাসের মাথায় সংরক্ষিত নারী আসনে প্রার্থী হওয়ায় তার প্রার্থিতা আইনগতভাবে প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
এ প্রেক্ষাপটে নির্বাচন কমিশন তাকে চাকরি থেকে পদত্যাগসংক্রান্ত প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে বৃহস্পতিবার বেলা ১২টা পর্যন্ত সময় দিয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে না পারলে তার প্রার্থিতা বাতিল হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
এদিকে, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-এর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট থেকে মোট ১৩ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র যাচাই করা হয়েছে। এর মধ্যে মনিরা শারমিন ছাড়া বাকি ১২ জনের প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।
জোট সূত্রে জানা যায়, সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে ৮ জন, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে ২ জন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস থেকে একজন এবং জাগপা থেকে একজন প্রার্থী মনোনয়ন পেয়েছেন। এছাড়া জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ এক শিশুর মাকেও বিশেষ প্রার্থী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
আগামী বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে বিএনপি জোটের ৩৬ জন, একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী এবং আরও তিনজনের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করা হবে বলে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে।
সবার দেশ/কেএম




























