Sobar Desh | সবার দেশ সবার দেশ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০১:৪৩, ২ জুন ২০২৫

অভিন্ন চাকরিবিধি ও চেয়ারম্যান অপসারণ দাবিতে

পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মহাসমাবেশ আজ

কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে দেশজুড়ে কর্মবিরতি রেখে ৪৫ হাজার কর্মচারীর এক দফা: ‘বৈষম্য ভাঙো, বিদ্যুৎ বাঁচাও’

পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মহাসমাবেশ আজ
ছবি: সংগৃহীত

এক ও অভিন্ন চাকরিবিধি বাস্তবায়ন, ফ্যাসিবাদী আচরণে অভিযুক্ত চেয়ারম্যানের অপসারণ এবং চাকরি নিয়মিতকরণসহ সাত দফা দাবিতে আজ সোমবার (২ জুন) রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে মহাসমাবেশের ডাক দিয়েছে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

দেশের ৮০টি সমিতির প্রায় ৪৫ হাজার কর্মকর্তা-কর্মচারী এদিন কর্মবিরতি পালন করবেন বলে জানা গেছে।

গতকাল রোববার আন্দোলনরতদের পক্ষ থেকে এ ঘোষণা দেন পল্লী বিদ্যুৎ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি প্রকৌশলী তাজুল ইসলাম।

তিনি বলেন, আমরা বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ করিনি, জনগণকে কষ্ট দেইনি। বিদ্যুৎ উপকেন্দ্রগুলো চালু রেখে সোমবার শহীদ মিনারে মহাসমাবেশ করবো। সরকার যদি এ শান্তিপূর্ণ কর্মসূচির জবাবও না দেয়, তাহলে কর্মস্থলে আর ফেরা হবে না।

১২ দিনের অবস্থান, সরকারের নিরবতা

চলমান অবস্থান কর্মসূচি আজ ১২তম দিনে পড়েছে। গত ১২ দিন ধরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে অবস্থান করছেন আন্দোলনরত কর্মীরা। এখনও পর্যন্ত সরকার পক্ষ থেকে কোনো প্রতিনিধি তাদের সঙ্গে আলোচনায় বসেননি। ফলে চাপ বাড়াতে আজকের এ মহাসমাবেশের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

নাগরিক সমাজের সংহতি

রোববার আন্দোলনে সংহতি জানিয়ে শহীদ মিনারে উপস্থিত হন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী এবং সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন।

নাসির উদ্দিন বলেন, মানুষের ঘরে আলো জ্বালায় যারা, তারাই আজ বৈষম্যের আঁধারে। পল্লী বিদ্যুৎ কর্মীদের এভাবে বঞ্চিত করা মানে—পুরো দেশের জনগণকে অন্ধকারে ঠেলে দেয়া। বিদ্যুৎ উপদেষ্টা সাহেব, এখনো সময় আছে, কথা বলুন—না হলে আপনার হাতেই দেশের অন্ধকারের দায় থাকবে।

সামান্তা শারমিন বলেন, পল্লী বিদ্যুৎ বোর্ডের ভেতরে আজও পতিত স্বৈরতন্ত্র টিকে আছে। এ ফ্যাসিবাদী কাঠামো না ভাঙলে বিদ্যুৎ খাতেও দুর্নীতি-দমন-প্রতিহিংসার রাজনীতি চলতেই থাকবে।

আন্দোলনকারীদের সাত দফা দাবি

  • আরইবি চেয়ারম্যানের অপসারণ, যিনি ফ্যাসিবাদী কায়দায় দমন-পীড়ন চালিয়ে কর্মপরিবেশ অস্থির করেছেন।
  • আরইবি ও পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি একীভূত করে অভিন্ন চাকরি বিধি প্রণয়ন।
  • মিটার রিডার, লাইন শ্রমিক, পোষ্য কর্মীদের চাকরি নিয়মিতকরণ।
  • মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার এবং চাকরিচ্যুতদের পুনর্বহাল।
  • হয়রানিমূলক বদলি ও বরখাস্ত আদেশ বাতিল।
  • জনবল ঘাটতি পূরণ করে আন্তর্জাতিক মানে নির্ধারিত শিফটিং ডিউটি চালু।
  • পূর্ণ সংস্কারের আগ পর্যন্ত অন্তর্বর্তী বোর্ড গঠন।

আন্দোলনের প্রেক্ষাপট

২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে সারাদেশের ৮০টি সমিতির কর্মকর্তা-কর্মচারীরা কর্মসূচি চালিয়ে আসছেন। অভিযোগ, পল্লী বিদ্যুৎ বোর্ডের (আরইবি) অধীনে যারা চাকরি করেন, তাদের চাকরি নিরাপত্তা, নিয়মিতকরণ এবং সুযোগ-সুবিধায় চরম বৈষম্য রয়েছে। একই প্রতিষ্ঠানে থেকে কেউ একজন সরকারি সুবিধা পাচ্ছেন, আবার কেউ পাচ্ছেন না—এ অভ্যন্তরীণ শ্রেণিবিভাজন ভেঙে ফেলার আহ্বান জানিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই দাবি জানিয়ে আসছেন আন্দোলনকারীরা।

সবার দেশ/কেএম

শীর্ষ সংবাদ:

বাংলাদেশের বিবৃতিতে কষ্ট পেয়েছি: ইরানি রাষ্ট্রদূত
গণভোটের রায় অবমূল্যায়নের অভিযোগে বিরোধীদলের ওয়াকআউট
৫ এপ্রিল থেকে দেয়া হবে হামের টিকা
চূড়ান্ত হলো ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের ১২টি গ্রুপ
কোন সংবিধানে অ্যাটর্নি জেনারেল হলেন—আইনমন্ত্রীকে প্রশ্ন আখতারের
পার্থ বক্তব্যে ‘ব্যাকফায়ার’ করেছেন: বিরোধীদলীয় নেতা
সিইসি সংবিধান লঙ্ঘন করেছেন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
ট্রেজারি বেঞ্চ বেগম জিয়াকে অপমান করেছে: হাসনাত
সংবিধান কি মনে করিয়ে দেয় একাত্তরের পরাজয়ের দলিল?-জামায়াতের সমালোচনায় পার্থ
নোয়াখালীতে স্ত্রী হত্যায় স্বামীর যাবজ্জীবন
ইউনূসের হাতে ‘স্ফুলিঙ্গ থেকে দাবানল’: ছাত্রদল নেতার বই উপহার
সংবিধান সংশোধনে গঠিত হচ্ছে বিশেষ কমিটি
ফুলবাড়ী সীমান্তে ২লাখ ৭৬ হাজার টাকার মাদক আটক
যুক্তরাষ্ট্র স্থল হামলা চালালে রাশিয়ার চেচেন আর্মি ইরানের পক্ষে লড়বে
চলন্ত অ্যাম্বুলেন্সে আগুন, অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচলেন চালক
বাড়ছে না জ্বালানি তেলের দাম
আকস্মিক সাক্ষাতে পদোন্নতিবঞ্চিত চিকিৎসকদের কথা শুনলেন প্রধানমন্ত্রী
স্কুল-কলেজে সপ্তাহে ৩ দিন অনলাইন ক্লাস
জ্বালানি কার্ড নিতে গিয়ে লাইনে মৃত্যু, চুয়াডাঙ্গায় ভিড়ে বিশৃঙ্খলা