ডিসেম্বরে তফসিল
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা, ফেব্রুয়ারিতে ভোট
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ২৪ দফা অগ্রাধিকারভিত্তিক কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এতে আসন পুনর্বিন্যাস থেকে শুরু করে ভোটার তালিকা চূড়ান্তকরণ, রাজনৈতিক দল নিবন্ধন এবং দেশীয় পর্যবেক্ষক সংস্থার অনুমোদন পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রমের সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) দুপুরে ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ রাজধানীতে আনুষ্ঠানিকভাবে এ রোডম্যাপ ঘোষণা করেন।
২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন, ডিসেম্বরেই তফসিল
ঘোষিত রোডম্যাপ অনুযায়ী, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে। এর আগে চলতি বছরের ডিসেম্বরের প্রথমার্ধে নির্বাচন তফসিল ঘোষণা করা হবে।
১৫ সেপ্টেম্বর আসন সীমানার গেজেট, জিআইএস ম্যাপ ৩০ সেপ্টেম্বর
সংসদীয় আসনের সীমানা চূড়ান্ত করে গেজেট প্রকাশ করা হবে আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর। এর মাধ্যমে ৩০০টি আসনের ভৌগোলিক সীমানা আনুষ্ঠানিকভাবে নির্ধারণ হবে। আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে প্রস্তুত জিআইএস (ভৌগোলিক তথ্য ব্যবস্থা) ম্যাপ ৩০ সেপ্টেম্বর প্রকাশ করা হবে, যাতে প্রতিটি আসনের সীমারেখা স্পষ্টভাবে দেখা যাবে।
নতুন রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত
নির্বাচনে অংশ নিতে ইচ্ছুক নতুন রাজনৈতিক দলগুলোকে প্রাথমিক নিবন্ধনের আবেদন জমা দিতে হবে ১৪ সেপ্টেম্বরের মধ্যে। যাচাই-বাছাই শেষে ৩০ সেপ্টেম্বর চূড়ান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে, যা নতুন দলগুলোর নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের সুযোগ তৈরি করবে।
কারাবন্দিদের ভোটাধিকার নিশ্চিতের পদক্ষেপ
ভোটের অন্তত দুই সপ্তাহ আগে দেশের সব কারাগারে ব্যালট পেপার পাঠানো হবে, যাতে কারাবন্দিরাও ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন। ইসি মনে করছে, এ উদ্যোগ গণতান্ত্রিক অধিকার সবার জন্য সমানভাবে নিশ্চিত করতে বড় ভূমিকা রাখবে।
দেশীয় পর্যবেক্ষক সংস্থার নিবন্ধন ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত
নির্বাচনের স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে দেশীয় পর্যবেক্ষক সংস্থাগুলোর নিবন্ধন কার্যক্রম চলমান রয়েছে। ১৫ নভেম্বরের মধ্যে নিবন্ধন সম্পন্ন হবে বলে ইসি জানিয়েছে। অনুমোদন পাওয়া সংস্থাগুলো ভোটের দিন কেন্দ্রগুলোতে পর্যবেক্ষক পাঠাতে পারবে।
সুষ্ঠু নির্বাচনের অঙ্গীকার
ইসির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ঘোষিত রোডম্যাপের প্রতিটি ধাপ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শেষ করার জন্য জোর প্রস্তুতি চলছে। তাদের দাবি, এ পরিকল্পনা একটি অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক জাতীয় নির্বাচন নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে।
সবার দেশ/কেএম




























