Sobar Desh | সবার দেশ সবার দেশ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০১:৩০, ৩১ মে ২০২৬

আপডেট: ০১:৩৬, ৩১ মে ২০২৬

আ.লীগ-বিএনপির এমপিরা আমাকে প্রধানমন্ত্রী বানাতে চেয়েছিলো: কর্নেল অলি

আ.লীগ-বিএনপির এমপিরা আমাকে প্রধানমন্ত্রী বানাতে চেয়েছিলো: কর্নেল অলি
ছবি: সংগৃহীত

লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রম দাবি করেছেন, ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির একদল সংসদ সদস্য তাকে প্রধানমন্ত্রী করার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। তবে দলের প্রতি আনুগত্যের কারণে তিনি সে প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন।

সম্প্রতি ‘পাবলিক পাবলিক ইনভেস্টিগেশন’-কে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ দাবি করেন। একই সাক্ষাৎকারে তিনি প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে দলীয় সংসদ সদস্যদের কর্মকাণ্ডের ওপর আরও কঠোর নজরদারি করার আহ্বান জানান।

কর্নেল অলি বলেন, 

১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগের ১৪৩ জন এবং বিএনপির ৪০ জন সংসদ সদস্যসহ মোট ১৮৩ জন এমপি একটি সংসদীয় ক্যুর পরিকল্পনা করেছিলেন। তারা আমাকে প্রধানমন্ত্রী বানানোর প্রস্তাব দিয়েছিলেন। প্রথম দুই দিন আমি বিষয়টি নিয়ে চিন্তা করেছিলাম। কিন্তু তৃতীয় দিনে সিদ্ধান্ত বদলাই।

তিনি বলেন, আমি স্পষ্ট করে বলেছিলাম, এমন বেইমানি ও মুনাফেকি আমি বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে করতে পারবো না। তাই আমি সে প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করি।

এলডিপি চেয়ারম্যানের দাবি, ওই সময় সংসদে একটি বিশেষ বিল আনার পরিকল্পনা করা হয়েছিলো, যার মাধ্যমে মূলত রাজনৈতিক ক্ষমতার পালাবদল ঘটানোর চেষ্টা চলছিলো।

সাক্ষাৎকারে তিনি আরও বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান একসময় তাকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী করার আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন। তবে বিভিন্ন মহলের বিরোধিতা ও প্রভাবের কারণে শেষ পর্যন্ত সে সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হয়নি।

বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে কর্নেল অলি আহমদ বলেন, সংসদ সদস্যদের প্রধান দায়িত্ব আইন প্রণয়ন করা। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে জনপ্রতিনিধিদের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সম্পৃক্ত করা হচ্ছে, যা প্রশাসনিক নিরপেক্ষতার জন্য ক্ষতিকর।

তিনি বলেন, আমি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে তার এমপিদের সামাল দেয়ার অনুরোধ করবো। তিনি যদি তা না পারেন, তাহলে ভবিষ্যতে তিনিই বিপদে পড়বেন। এমপিদের কাজ আইন প্রণয়ন করা, প্রশাসন পরিচালনা করা নয়।

জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও পুলিশ সুপারদের (এসপি) রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রাখার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, প্রশাসনকে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে রাখা গেলে সাধারণ মানুষ ন্যায়বিচার পাবে এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠা সহজ হবে।

প্রধানমন্ত্রীর প্রতি পরামর্শ দিয়ে কর্নেল অলি বলেন, সরকারের কাছে বিভিন্ন উৎস থেকে তথ্য সংগ্রহের সুযোগ রয়েছে। এসব তথ্যের ভিত্তিতে জনপ্রতিনিধিদের কর্মকাণ্ড মূল্যায়ন করা উচিত। এলাকায় চাঁদাবাজি, প্রভাব বিস্তার কিংবা অনিয়মের অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া প্রয়োজন।

তিনি বলেন, কোনও এমপি যদি অন্যায় বা অনিয়মে জড়িত থাকেন, তাহলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। পাঁচ-দশজন এমপির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিলেও বিএনপির কোনও ক্ষতি হবে না। বরং দল ও সরকারের ভাবমূর্তি আরও শক্তিশালী হবে।

ছয়বারের নির্বাচিত সংসদ সদস্য ও তিনবারের সাবেক মন্ত্রী কর্নেল অলি আহমদ বলেন, গণতন্ত্রের স্বার্থে রাজনৈতিক নেতৃত্ব ও প্রশাসনের মধ্যে একটি স্পষ্ট সীমারেখা থাকা প্রয়োজন। তবেই জনগণের আস্থা বৃদ্ধি পাবে এবং সুশাসন নিশ্চিত হবে।

সবার দেশ/কেএম

শীর্ষ সংবাদ:

মেসির বিদায়ে আবেগঘন আন্তোনেলা
লঘুচাপের প্রভাবে ঝড়ো হাওয়ার আশঙ্কা, ৩ নম্বর সতর্কসংকেত
কানাডার পার্লামেন্টের এমপি বাংলাদেশি তানভীর
ভারতে ভয়াবহ বিস্ফোরণে নিহত ১১; রেল চলাচল বন্ধ
নভেম্বরে যোগ হবে রূপপুরের বিদ্যুৎ!
প্রতিরক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে বিরোধে মার্কিন সেনাপ্রধানের পদত্যাগ
ফিল্মি কায়দায় নববধূ ‘ছিনতাই’! যা বললেন কনে তামান্না
বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ, সামনে ১০ চ্যালেঞ্জ
ঢাবির মেয়েদের হল বন্ধ রাত ১১টায়
নবম পে-স্কেল অনুমোদন: কার বেতন কত
নেপালে বন্যায় প্রাণহানি বেড়ে ৯১৯, নিখোঁজ ৪ হাজারের বেশি
জামালপুরে বাস-ইজিবাইক সংঘর্ষে নিহত ৪
ফেল করা শিক্ষার্থীদের জন্য সুখবর
শিল্প কোনও পাপ নয়: প্রভা
মক্কা ডিফেন্স অ্যালায়েন্সের আনুষ্ঠানিক যাত্রা
দেশে প্রথম রোবটিক সার্জারি, প্রথম দিনে ২ রোগীর অস্ত্রোপচার
আন্তর্জাতিক ফুটবলকে গুডবাই বললেন মেসি
পূজার আগেই পাকিস্তানের হামলার প্রস্তুতিতে শঙ্কিত ভারত