Sobar Desh | সবার দেশ সবার দেশ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০০:৩৬, ৫ অক্টোবর ২০২৫

তোফায়েল আহমেদের মৃত্যুর খবরটি গুজব, অবস্থা অপরিবর্তিত

তোফায়েল আহমেদের মৃত্যুর খবরটি গুজব, অবস্থা অপরিবর্তিত
ছবি: সংগৃহীত

আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য, প্রবীণ রাজনীতিক ও সাবেক মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। প্রায় দশ দিন ধরে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন, তবে তার শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়নি।

শনিবার (৪ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে স্কয়ার হাসপাতালের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইউসুফ সিদ্দিক জানান, তোফায়েলের অবস্থা ভালো নয়, তবে মৃত্যুর খবরটি সত্য নয়। কিছু সংবাদমাধ্যমে তার মৃত্যুর খবর প্রকাশিত হলেও সেটি গুজব বলে নিশ্চিত করেন তিনি।

হাসপাতালের কাস্টমার কেয়ার প্রতিনিধি মোরশেদুলও জানান, ওনার অবস্থা নিয়ে এক সপ্তাহ ধরেই নানা গুজব ছড়াচ্ছে। তিনি বর্তমানে সিসিইউতে ভর্তি আছেন। চিকিৎসকরা নিয়মিত পর্যবেক্ষণে রেখেছেন।

তোফায়েল আহমেদের ব্যক্তিগত সহকারী আবুল খায়ের বলেন, সাবেক এ মন্ত্রীর অবস্থা অপরিবর্তিত রয়েছে।

প্রবীণ এ নেতার পরিবার জানায়, কয়েক বছর আগে স্ট্রোকের কারণে তার শরীরের একাংশ পক্ষাঘাতগ্রস্ত হয়ে পড়ে। ফলে বাঁ হাত ও পা অবশ হয়ে যায় এবং তিনি হুইলচেয়ারে চলাফেরা করতেন।

১৯৪৩ সালের ২২ অক্টোবর ভোলা জেলার দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নের কোড়ালিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন তোফায়েল আহমেদ। বরিশালের ব্রজমোহন কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মৃত্তিকাবিজ্ঞানে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।

ষাটের দশকের ছাত্র আন্দোলনে তিনি ছিলেন অন্যতম নেতৃত্বস্থানীয় ব্যক্তি। ১৯৬৮-৬৯ সালে ডাকসুর ভিপি হিসেবে সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক হন। ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানে তিনি অগ্রভাগে নেতৃত্ব দেন। সেই বছর শেখ মুজিবুর রহমানসহ আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার আসামিদের মুক্তির পর ২৩ ফেব্রুয়ারি ঢাকার রেসকোর্স ময়দানের জনসভায় বঙ্গবন্ধু উপাধি ঘোষণা করেন তোফায়েল আহমেদ।

১৯৭০ সালের নির্বাচনে তিনি আওয়ামী লীগের প্রার্থী হয়ে জাতীয় পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। মুক্তিযুদ্ধের সময় মুজিব বাহিনীর আঞ্চলিক দায়িত্বপ্রাপ্ত চার নেতার একজন ছিলেন তিনি।

স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিবুর রহমান তাকে প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদায় রাজনৈতিক সচিব নিযুক্ত করেন। পরবর্তী সময়ে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য এবং সর্বশেষ উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি।

দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি নয়বার জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। সর্বশেষ তিনি ভোলা-১ আসনের এমপি ছিলেন। ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলে শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পান। পরে ২০১৪ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত বাণিজ্যমন্ত্রীর দায়িত্বও পালন করেন।

আপনি কি চান আমি এটিকে আরও স্মরণধর্মী ফিচার আকারে সাজাই, যেখানে তার রাজনৈতিক জীবন, বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে ভূমিকা এবং ছাত্র রাজনীতি থেকে জাতীয় নেতায় উত্তরণ বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হবে?

সবার দেশ/কেএম

সর্বশেষ

শীর্ষ সংবাদ:

ফ্রান্সকে কাঁদিয়ে স্বপ্নের ফাইনালে স্পেন
নরসিংদীতে ২ মাসের শিশুর পা ভেঙ্গে দিলো আপন চাচি!
ফ্রান্সে বর্ণাঢ্য আয়োজনে পালিত হলো ‘ফেত নাসিওনাল’
বিরোধী দলকে সংবিধান সংশোধন কমিটিতে যোগ দেয়ার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
দিল্লিতে বসে হুংকার দিয়ে লাভ নেই, ঢুকলেই গ্রেফতার: আইনমন্ত্রী
সংবিধানে গণভোট না থাকলে ২০২৬ সালে নির্বাচনও নেই: জামায়াত আমির
শিক্ষার্থীদের নিয়ে মন্তব্যে সংসদে দুঃখ প্রকাশ শিক্ষামন্ত্রীর
ফার্মের মুরগিরা রাস্তায় নেমেছিলো বলেই আপনারা মন্ত্রী: হাসনাত
হাসিনা দেশে ফিরলেই রায় কার্যকর: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
দেশের মানুষ ঐক্যবদ্ধ হয়ে স্বৈরাচারকে বিদায় করেছে: প্রধানমন্ত্রী
বিএনপি কি একদলীয় শাসনের পথে?—প্রশ্ন আখতার হোসেনের
সংসদের ছাদ চুইয়ে পানি, আমার ঘরেও বাটি রাখতে হয়—ডেপুটি স্পিকার
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নেতৃত্বে সংবিধান সংশোধন কমিটি
মডেল মসজিদের নামে আওয়ামী লুটপাটের তদন্ত হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
২ কোটি টাকা চাঁদা না দেয়ায় ভাঙচুর-লুট
অভিনেত্রী শ্রাবন্তীর পিএস ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার
সাগরে ট্রলারডুবিতে চারজনের লাশ উদ্ধার, নিখোঁজ ১
আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড ম্যাচ ঘিরে ইতিহাসের উত্তাপ আবারও মাঠে