Sobar Desh | সবার দেশ সবার দেশ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০০:৫১, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫

সাংবাদিক কর্মশালায় বক্তারা

জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধনে গতি আনতে আইন সংশোধনের দাবি

জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধনে গতি আনতে আইন সংশোধনের দাবি
ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশে জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন হার কিছুটা বাড়লেও এখনও বৈশ্বিক গড়ের তুলনায় অনেক পিছিয়ে রয়েছে। বর্তমানে দেশে জন্ম নিবন্ধনের হার ৫০ শতাংশ এবং মৃত্যু নিবন্ধনের হার ৪৭ শতাংশ। অথচ বিশ্বে গড় হার যথাক্রমে ৭৭ শতাংশ ও ৭৪ শতাংশ। বাংলাদেশ সরকার ২০৩০ সালের মধ্যে শতভাগ নিবন্ধন নিশ্চিতের অঙ্গীকার করেছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন আইন ২০০৪ সংশোধন করে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে আইনগতভাবে নিবন্ধনের দায়িত্ব দিলে এ লক্ষ্য অর্জন সহজ হবে।

রোববার রাজধানীর ফারস হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টসে অনুষ্ঠিত “বাংলাদেশে জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন: অগ্রগতি, প্রতিবন্ধকতা ও করণীয়” শীর্ষক জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকদের কর্মশালায় এ সুপারিশ আসে। কর্মশালাটি আয়োজন করে প্রজ্ঞা (প্রগতির জন্য জ্ঞান) গ্লোবাল হেলথ অ্যাডভোকেসি ইনকিউবেটরের সহযোগিতায়। এতে প্রিন্ট, টেলিভিশন ও অনলাইন মিডিয়ার ২৬ জন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক অংশ নেন।

কর্মশালায় জানানো হয়, বিদ্যমান আইনে জন্ম ও মৃত্যুর তথ্য দেয়ার দায়িত্ব পরিবারের ওপর রয়েছে এবং স্বাস্থ্য বিভাগের ভূমিকা ঐচ্ছিক। ফলে অধিকাংশ জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধিত হয় না। বক্তারা বলেন, হাসপাতালগুলোকে আইনি বাধ্যবাধকতার আওতায় আনলে স্বাস্থ্য সেবার আওতায় জন্ম নেওয়া প্রায় ৬৭ শতাংশ শিশু সহজেই নিবন্ধনের আওতায় আসবে। এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের বহু দেশ হাসপাতালভিত্তিক নিবন্ধন ব্যবস্থার মাধ্যমে শতভাগ বা কাছাকাছি সাফল্য অর্জন করেছে।

বিশেষজ্ঞরা আরও জানান, জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন নাগরিকদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি নাগরিকত্ব প্রমাণ, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, ভোটাধিকার, সম্পত্তির উত্তরাধিকারসহ মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করে। পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় উন্নয়ন পরিকল্পনা, বাজেট প্রণয়ন, জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা ও সুশাসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

জিএইচএআই বাংলাদেশ কান্ট্রি লিড মুহাম্মাদ রূহুল কুদ্দুস বলেন, 

২০৩০ সালের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে আইন সংশোধন করে স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রগুলোকে জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনের দায়িত্ব আইনগতভাবে প্রদান করা জরুরি।

কর্মশালায় বক্তারা আইন শক্তিশালীকরণ এবং কার্যকর বাস্তবায়নের পাশাপাশি সচেতনতা বৃদ্ধি, নিবন্ধন প্রক্রিয়া সহজীকরণ, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বাড়ানো ও স্বাস্থ্য খাতের সঙ্গে সমন্বয় জোরদারের আহ্বান জানান।

কর্মশালায় আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভাইটাল স্ট্র্যাটেজিসের কান্ট্রি কো-অর্ডিনেটর মো. নজরুল ইসলাম, অ্যান্টি টোব্যাকো মিডিয়া এলায়েন্সের কনভেনর লিটন হায়দার, কো-কনভেনর নাদিরা কিরণ এবং প্রজ্ঞার নির্বাহী পরিচালক এবিএম জুবায়ের। মুক্ত আলোচনা সঞ্চালনা করেন চ্যানেল আইয়ের চিফ নিউজ এডিটর মীর মাসরুর জামান। বিষয়ভিত্তিক উপস্থাপনা করেন প্রজ্ঞার কর্মসূচি প্রধান হাসান শাহরিয়ার এবং কোঅর্ডিনেটর মাশিয়াত আবেদিন।

সবার দেশে/কেএম

সম্পর্কিত বিষয়:

শীর্ষ সংবাদ:

জামায়াতে যোগ দিলেন বিএনপি নেতা, সাবেক বিচারপতিসহ ৬৫০ জন
অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি বিদ্যুৎমন্ত্রী টুকু
ইরানে ফের মার্কিন হামলা, জানালেন ট্রাম্প
পাপারাজ্জিদের ওপর বিরক্ত কারিনা, তুলনা জয়া বচ্চনের সঙ্গে
শিগগিরই তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ চান ট্রাম্প
রিজার্ভে ফের ঊর্ধ্বগতি, ছাড়ালো ৩৭ বিলিয়ন ডলার
সম্পদের হিসাব প্রকাশ করলেই নতুন পে-স্কেল: টিআইবি
সুইমিংপুলে তরুণীর সঙ্গে মামুনুর রশীদ!
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত অর্ধশতাধিক
আগস্টে রফতানি আয় বাড়লো ১৩ শতাংশ
শার্শায় দুই শিশু পুত্রকে হত্যার পর বাবার আত্মহত্যা
মেধা না বিশেষ সুবিধা: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কোন পথে?
একা ভ্রমণে নারীদের জন্য নিরাপদ ১০ দেশ
স্থানীয় নির্বাচনে জোট নয়, আলাদা প্রার্থী: গোলাম পরওয়ার
প্যাডেল রিকশা বন্ধ, প্রাইভেটকারে লাগাম, অটোরিকশা চালু করতে আইনি নোটিশ
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর নাগরিকত্ব যাচাইয়ে আইনি নোটিশ
অর্ধেকেরও কম খরচে চীনের জে-১০ নিচ্ছে বাংলাদেশ
মব অনেকাংশেই নিয়ন্ত্রণে এসেছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী