Sobar Desh | সবার দেশ চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ১১:২৬, ২৫ মে ২০২৬

যৌথ বাহিনীর সাঁড়াশি অভিযান

মধ্যরাতে জঙ্গল সলিমপুরে র‍্যাব ক্যাম্পে গুলিবর্ষণ

মধ্যরাতে জঙ্গল সলিমপুরে র‍্যাব ক্যাম্পে গুলিবর্ষণ
ছবি: সংগৃহীত

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার আলোচিত জঙ্গল সলিমপুরে সদ্য স্থাপিত র‍্যাব ক্যাম্প লক্ষ্য করে গভীর রাতে মুহুর্মুহু গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। হামলার পরপরই সেনাবাহিনী, র‍্যাব ও পুলিশের সমন্বয়ে গঠিত যৌথ বাহিনী পুরো এলাকায় সাঁড়াশি অভিযান শুরু করেছে।

রোববার (২৪ মে) দিবাগত রাত প্রায় ১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন লেফটেন্যান্ট কর্নেল হাফিজুর রহমান। তিনি জানান, রাত ১টার পর জঙ্গল সলিমপুরে স্থাপিত র‍্যাব ক্যাম্পকে লক্ষ্য করে একদল সন্ত্রাসী অতর্কিত গুলিবর্ষণ করে।

তিনি বলেন, যৌথ বাহিনীর অভিযানে এলাকা থেকে বিতাড়িত ইয়াসিন বাহিনীর সদস্যরাই এ হামলা চালিয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হওয়া গেছে।

অভিযানে অংশ নেয়া র‍্যাবের এক কর্মকর্তা জানান, রাত ৩টার দিকে যৌথ বাহিনী জঙ্গল সলিমপুর এলাকা ঘিরে ফেলে। পাহাড়ি এলাকায় অবস্থান নিয়ে সন্ত্রাসীদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

চট্টগ্রাম নগরের বায়েজিদ-ফৌজদারহাট সংযোগ সড়ক ধরে এগোলে এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর উইমেনের বিপরীত পাশের পাহাড়ি সড়ক দিয়েই শুরু জঙ্গল সলিমপুর। জঙ্গল সলিমপুর ও আলীনগর—এ দুই অংশে বিভক্ত বিস্তীর্ণ এলাকাটি দীর্ঘদিন ধরে ভূমিদস্যু ও সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণে ছিলো।

জেলা প্রশাসনের তথ্যমতে, এলাকাটিতে প্রায় ৩ হাজার ১০০ একর খাসজমি রয়েছে। গত প্রায় তিন দশক ধরে বিভিন্ন সন্ত্রাসী গোষ্ঠী সেখানে আধিপত্য বিস্তার করে আসছে। পাহাড় কেটে বসতি স্থাপন, অস্ত্র ও মাদকের কারবার এবং অবৈধ দখলদারিত্বের কারণে এলাকাটি দীর্ঘদিন ধরেই আলোচিত।

স্থানীয়দের ভাষ্য, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাস্তুচ্যুত ও নিম্নআয়ের মানুষদের স্বল্পমূল্যে পাহাড়ে বসবাসের সুযোগ করে দেওয়ার আড়ালে সেখানে গড়ে ওঠে অস্ত্র ও মাদকের শক্তিশালী নেটওয়ার্ক।

এর আগে গত ৯ মার্চ সেনাবাহিনী, র‍্যাব, পুলিশ ও বিজিবির সমন্বয়ে পরিচালিত যৌথ অভিযানে জঙ্গল সলিমপুরের নিয়ন্ত্রণ হারায় সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলো। ওই অভিযানে ২২ জনকে গ্রেফতার করা হলেও ইয়াসিন বাহিনীর প্রধান মো. ইয়াসিন, রোকন বাহিনীর প্রধান রোকন উদ্দিন, মশিউর রহমান, নুরুল হক ভান্ডারি, গাজী সাদেক ও গোলাম গফুরসহ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী এখনও পলাতক রয়েছে।

এলাকাবাসীর দাবি, অভিযানের আগে জঙ্গল সলিমপুরের ছিন্নমূল এলাকা নিয়ন্ত্রণ করত রোকন বাহিনী এবং আলীনগর এলাকায় আধিপত্য ছিলো ইয়াসিন বাহিনীর।

সরকার ইতোমধ্যে জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় পুলিশ প্রশিক্ষণ একাডেমি, কারাগারসহ বিভিন্ন সরকারি স্থাপনা নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে। তবে সাম্প্রতিক এ হামলার ঘটনায় পাহাড়ি এলাকাটির নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

সবার দেশ/কেএম

শীর্ষ সংবাদ:

‘সেক্রেটারির ৭০০ অটোরিকশা’, প্রশাসকের কাছে প্রমাণ চাইলো জামায়াত
অন্যের ‘গেমের ঘুঁটি’ না হয়ে ‘নিজস্ব গেমের প্লেয়ার’ হোন: হাসনাত
আশুলিয়ায় ঝুটের গুদাম ও বাড়িতে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ৪ ইউনিট
দেখা হচ্ছে নিউইয়র্কে—রহস্যজনক পোস্ট মিথিলার
৪০ লাখ টাকা চাঁদা না দেয়ায় হামলা, ট্রাক এনে লুটপাট
বাংলাদেশে ফ্যাসিবাদ ফিরলে দায় জামায়াতের: শামা ওবায়েদ
ইমরানের মুক্তির দাবিতে পিটিআইয়ের লংমার্চ, সোয়াবিতে ‘বড় চমক’
গাজীপুরে গুলি করে ৩ কোটি টাকা ছিনতাই, আহত ৩
রূপপুরের বিদ্যুৎ দ্রুত গ্রিডে দেয়ার প্রতিশ্রুতি রোসাটমের
ডিপি ওয়ার্ল্ডকে বিনিয়োগে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান
দিল্লির ককরোচ আন্দোলনে যোগ দেবেন মমতা!
সব ইসলামী দল এক হলেও ক্ষমতায় যাওয়া সম্ভব নয়: আ ফ ম খালিদ
ইউরেনিয়াম ছাড়বে না ইরান, মজুতও দেবে না
রংপুরের চার খুনে ডিএনএ মিললো সিদ্ধার্থ-মুগ্ধর
হুতিদের হামলায় রিয়াদে শতাধিক ফ্লাইট বাতিল