খামেনি হত্যার প্রতিশোধের ঘোষণা ইরানের, দোষীদের শাস্তির হুঁশিয়ারি
ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি হত্যার প্রতিশোধ নেয়ার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছে দেশটির সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ। পরিষদ বলেছে, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত পরিকল্পনাকারী, নির্দেশদাতা এবং বাস্তবায়নকারীদের বিরুদ্ধে প্রতিশোধমূলক ব্যবস্থা নেয়া হবে।
বুধবার সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের মিডিয়া শাখার এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্টে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এ ঘোষণা দেয়া হয়। পরিষদের সচিব মোহাম্মদ বাঘের জোলঘাদরের স্বাক্ষরিত ওই বিবৃতিতে বলা হয়, আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে হত্যার জন্য দায়ী, পরিকল্পনাকারী ও অপরাধীদের বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নেয়া হবে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, দেশের সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় নিরাপত্তার বিরুদ্ধে যেকোনx হামলার জবাব যথাসময়ে এবং উপযুক্ত উপায়ে দেয়া হবে। যদিও প্রতিশোধ কীভাবে বা কখন নেয়া হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত কোনও তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার প্রথম দিনেই নিহত হন আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। ওই হামলায় তার পাশাপাশি ইরানের আরও কয়েকজন ঊর্ধ্বতন সামরিক ও সরকারি কর্মকর্তা এবং খামেনির পরিবারের কয়েকজন সদস্যও প্রাণ হারান বলে ইরানি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।
এদিকে খামেনির শেষ বিদায়ের আনুষ্ঠানিক প্রস্তুতিও চূড়ান্ত করা হয়েছে। আগামী ৪ থেকে ৮ জুলাইয়ের মধ্যে রাজধানী তেহরান, পবিত্র নগরী কোম এবং মাশহাদে তার জানাজা ও দাফনের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হওয়ার কথা রয়েছে।
শুধু ইরানেই নয়, প্রতিবেশী ইরাকেও তার স্মরণে একাধিক শোকানুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। বাগদাদ, কাজিমাইন, কারবালা ও নাজাফে ধর্মীয় ও রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে শোকসভা এবং স্মরণানুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে বলে জানানো হয়েছে।
খামেনির মৃত্যুর পর মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। ইরানের প্রতিশোধের ঘোষণার পর আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে উদ্বেগ আরও বেড়েছে।
সবার দেশ/কেএম




























