গাজায় যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনায় আশাবাদী যুক্তরাষ্ট্র
গাজায় চলমান সংঘাত নিরসনে যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা নিয়ে আশাবাদ প্রকাশ করেছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। বৃহস্পতিবার মালয়েশিয়ায় দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় দেশগুলোর এক বৈঠকে অংশগ্রহণকালে সাংবাদিকদের তিনি জানান, যুদ্ধবিরতির শর্তগুলো নিয়ে সামগ্রিকভাবে অগ্রগতি হয়েছে।
রুবিও বলেন, আমরা আশাবাদী। মনে হচ্ছে, সাধারণভাবে প্রধান শর্তগুলোর বিষয়ে একমত হওয়া গেছে। এখন মূল বিষয় হলো সেগুলোর বাস্তবায়ন।
ইসরায়েল ও হামাস রোববার থেকে দোহায় মধ্যস্থতাকারী কাতার, মিসর ও যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তায় পরোক্ষ আলোচনায় বসেছে। যদিও উভয় পক্ষ আলাদা কক্ষে অবস্থান করছে, তারা একই ভবনে থাকায় আলোচনার পরিবেশ কিছুটা সক্রিয় বলে ধারণা করছেন বিশ্লেষকরা।
তবে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী সতর্ক করেছেন, অতীতেও ঠিক এই পর্যায়েই আলোচনার প্রক্রিয়া ভেঙে পড়েছে। তিনি বলেন, মূল চ্যালেঞ্জগুলোর একটি হলো—হামাসের নিরস্ত্রীকরণে অনীহা। যদি তারা সম্মত হতো, তাহলে সংঘাত তাৎক্ষণিকভাবে থেমে যেত।একইসঙ্গে তিনি স্বীকার করেন, ইসরায়েল কিছু নমনীয়তা দেখিয়েছে।
হামাসের পক্ষ থেকে অবশ্য জানানো হয়েছে, গাজায় মানবিক সহায়তার প্রবেশাধিকার, ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার এবং ‘স্থায়ী শান্তির জন্য বাস্তব নিশ্চয়তা’র মতো মৌলিক দাবিগুলোর ব্যাপারে এখনো মতপার্থক্য রয়েছে।
উল্লেখ্য, এর আগেও ২০২৩ সালের নভেম্বরে এক সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি এবং ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে দুই মাসব্যাপী বিরতির পরও স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আলোচনায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়নি। এবারের দোহা সংলাপ বৃহস্পতিবার পঞ্চম দিনে গড়িয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এবারের মধ্যস্থতা যদি ব্যর্থ হয়, তাহলে দীর্ঘমেয়াদি সংঘাতের আশঙ্কা আরও ঘনীভূত হতে পারে।
সবার দেশ/এফএস




























