শহীদ মিনারে বাধা ইস্যু
ইগনোর করলে ভালো হবে না: রুমিনের হুঁশিয়ারি
শহীদ মিনারে বাধা দেয়ার ঘটনাকে বিচ্ছিন্নভাবে দেখলে বা এড়িয়ে গেলে বিএনপির জন্য তা শুভ হবে না বলে সতর্কবার্তা দিয়েছেন বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত সাবেক সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সদ্য নির্বাচিত স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা।
শনিবার দুপুরে আশুগঞ্জ উপজেলা চত্বরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, বিএনপি যদি বিষয়টিকে বিচ্ছিন্নভাবে দেখে ইগনোর করতে চায়, তাহলে তাদের জন্য ভালো হবে না। এটা আমার পরিষ্কার বার্তা।
গত শুক্রবার একুশের প্রথম প্রহরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলা পরিষদ মাঠের শহীদ মিনারে ঘটে যাওয়া ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, একটি আসনে এ ধরনের অন্যায়কে প্রশ্রয় দিলে তা অন্য আসনগুলোতেও ছড়িয়ে পড়বে। এতে সারা দেশে অরাজকতা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
এর আগে আশুগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন রুমিন ফারহানা। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আশুগঞ্জের ইউএনও রাফে মোহাম্মদ ছড়া।
রুমিন ফারহানার অভিযোগ, একুশের প্রথম প্রহরে ভাষা শহীদদের স্মরণে পুষ্পস্তবক অর্পণ করতে গেলে সরাইল উপজেলা পরিষদ শহীদ মিনারে একদল উচ্ছৃঙ্খল জনতা তাকে বাধা দেয় এবং পরিকল্পিতভাবে হামলা চালায়। এ ঘটনার প্রতিবাদে ওই রাতেই তার সমর্থকরা সরাইল উপজেলার শাহবাজপুর এলাকায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে অবরোধ সৃষ্টি করেন।
এদিকে শনিবার বিকেলে আশুগঞ্জ প্রেসক্লাবে সরাইলে ঘটে যাওয়া ঘটনার প্রতিবাদে সমাবেশ ও সংবাদ সম্মেলন করে আশুগঞ্জ উপজেলা রুমিন ফারহানা সমর্থক গোষ্ঠী। বক্তারা দাবি করেন, ভাষার মাসে একজন ভাষাসৈনিকের কন্যা ও নির্বাচিত সংসদ সদস্যের ওপর হামলা আইনের শাসনের পরিপন্থি এবং এটি দেশের জন্য অশনিসংকেত।
সমর্থকরা বিএনপির ঊর্ধ্বতন নেতৃত্ব ও তারেক রহমান-এর দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, গত ১৭ বছর দুঃসময়ে রুমিন ফারহানা দলের পক্ষে মাঠে ছিলেন। তার ওপর এ ধরনের হামলা ন্যক্কারজনক। তারা অবিলম্বে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানান। পাশাপাশি সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়ার আহ্বানও জানান।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন আশুগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক (বহিষ্কৃত) মো. নাসির মুন্সি, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক (বহিষ্কৃত) মো. আতাউর রহমান বাবুল এবং উপজেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি (বহিষ্কৃত) ডা. ইদ্রিস হাছান। এ সময় অর্ধশতাধিক কর্মী-সমর্থক উপস্থিত ছিলেন।
সবার দেশ/কেএম




























