Sobar Desh | সবার দেশ সবার দেশ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০০:৩৪, ৬ নভেম্বর ২০২৬

আপডেট: ০০:৩৫, ৬ নভেম্বর ২০২৬

জামায়াতের জোটে আপত্তি, এনসিপি ছাড়লেন তিন নেত্রী

জামায়াতের জোটে আপত্তি, এনসিপি ছাড়লেন তিন নেত্রী
ছবি: সংগৃহীত

জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে নির্বাচনি ঐক্য ও আসন সমঝোতার সিদ্ধান্ত ঘিরে জাতীয় নাগরিক পার্টিতে (এনসিপি) শুরু থেকেই বিরোধ ছিলো। দলের আদর্শিক অবস্থান, রাজনৈতিক স্বকীয়তা এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলে একে একে পদত্যাগ করেছেন একাধিক কেন্দ্রীয় নেতা। তাদের মধ্যে আলোচনায় রয়েছেন তিন পরিচিত নেত্রী—ডা. তাসনিম জারা, তাজনূভা জাবীন ও সামান্তা শারমিন।

তিন নেত্রীর পদত্যাগের পেছনে কারণের ধরনে কিছু পার্থক্য থাকলেও জামায়াতের সঙ্গে জোট গঠন, দলের আদর্শিক অবস্থান এবং নেতৃত্বের সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া নিয়ে তাদের আপত্তি ছিলো স্পষ্ট। তাদের বক্তব্যে উঠে এসেছে, নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্তের প্রত্যাশা নিয়ে গড়ে ওঠা এনসিপি শুরুতেই জামায়াতের সঙ্গে নির্বাচনি সমঝোতায় গিয়ে নিজস্ব রাজনৈতিক পরিচয় ও স্বকীয়তা হারানোর ঝুঁকিতে পড়েছে।

তাসনিম জারার পদত্যাগ ও স্বতন্ত্র নির্বাচনের ঘোষণা

এনসিপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্য সচিব ডা. তাসনিম জারা গত বছরের ২৭ ডিসেম্বর দল থেকে পদত্যাগ করেন। একই দিন নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেয়া এক পোস্টে তিনি কোনও নির্দিষ্ট দল বা জোটের প্রার্থী না হয়ে স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচনে অংশ নেয়ার ঘোষণা দেন।

ঢাকা-৯ আসনের খিলগাঁও, সবুজবাগ ও মুগদার বাসিন্দাদের উদ্দেশে দেয়া বার্তায় তাসনিম জারা বলেন, একটি রাজনৈতিক দলের প্ল্যাটফর্ম থেকে সংসদে গিয়ে এলাকার মানুষের পাশাপাশি দেশের সেবা করার স্বপ্ন ছিলো তার। কিন্তু বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনায় কোনও নির্দিষ্ট দল বা জোটের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ না নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেয়ার সীমাবদ্ধতার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তাসনিম জারার ভাষ্য, রাজনৈতিক দলের প্রার্থী হলে স্থানীয় কার্যালয়, সংগঠিত কর্মী বাহিনী এবং সরকার ও প্রশাসনের সঙ্গে নিরাপত্তাসহ বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলার সাংগঠনিক সুযোগ থাকে। কিন্তু কোনও দলের সঙ্গে না থাকায় এসব সুবিধা তার থাকবে না।

এদিকে জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে আসন সমঝোতা নিয়ে এনসিপির আলোচনা শুরুর পর দলটির ভেতরে বিরোধ প্রকাশ্যে আসতে থাকে। তাসনিম জারার পদত্যাগের দিনই জামায়াতের সঙ্গে জোট গঠনের বিরোধিতা করে নাহিদ ইসলামকে চিঠি দেন এনসিপির ৩০ নেতা।

চিঠিতে তারা উল্লেখ করেন, জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে রাজনৈতিক জোট কিংবা আসন সমঝোতার আলোচনা এনসিপির ঘোষিত আদর্শ, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ঐতিহাসিক দায়বদ্ধতা এবং গণতান্ত্রিক নৈতিকতার সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

নেতাদের অভিযোগ ছিলো, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর জামায়াত ও ছাত্রশিবিরের বিভাজনমূলক রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড, অন্য দলের ভেতরে গুপ্তচরবৃত্তি ও নাশকতার চেষ্টা, এনসিপির ওপর বিভিন্ন অপকর্মের দায় চাপানো এবং নারী সদস্যদের চরিত্রহননের চেষ্টা উদ্বেগজনক। এ ছাড়া ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় জামায়াতের ভূমিকা ও সংঘটিত অপরাধের বিষয়ে দলটির অবস্থান এনসিপির মূল্যবোধের সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।

তাদের আশঙ্কা ছিলো, জামায়াতের সঙ্গে জোট হলে এনসিপির রাজনৈতিক বিশ্বাসযোগ্যতা দীর্ঘমেয়াদে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। নতুন, নীতিনিষ্ঠ ও ভবিষ্যতমুখী রাজনীতির প্রত্যাশায় যারা দলটির পাশে দাঁড়িয়েছেন, তাদের মধ্যে হতাশা ও বিভ্রান্তি তৈরি হবে। এ কারণে জামায়াতের সঙ্গে কোনও রাজনৈতিক জোটে না যাওয়ার বিষয়ে স্পষ্ট অবস্থান নেয়ার জন্য নাহিদ ইসলামকে অনুরোধ করেন তারা।

তবে এসব আপত্তি উপেক্ষা করেই শেষ পর্যন্ত জামায়াতের সঙ্গে নির্বাচনি জোটের পথে এগোয় এনসিপির শীর্ষ নেতৃত্ব।

তাজনূভা জাবীনের আপত্তি জোট গঠনের প্রক্রিয়ায়

তাসনিম জারার পদত্যাগের একদিন পর, ২৮ ডিসেম্বর এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক পদ থেকে সরে দাঁড়ান তাজনূভা জাবীন। ফেসবুকে দেয়া পদত্যাগের ঘোষণায় জামায়াতের সঙ্গে জোট গঠনের সিদ্ধান্তের পাশাপাশি এ সিদ্ধান্ত নেয়ার প্রক্রিয়া নিয়ে গুরুতর আপত্তি জানান তিনি।

তাজনূভা বলেন, জামায়াতের সঙ্গে জোটে তার আপত্তির কারণ শুধু ঐতিহাসিক বিষয় কিংবা নারীর অধিকারসংক্রান্ত প্রশ্ন নয়। এর চেয়েও বড় উদ্বেগের বিষয় হলো, যে প্রক্রিয়ায় জোটের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। তার মতে, বিষয়টিকে রাজনৈতিক কৌশল কিংবা নির্বাচনি জোট হিসেবে ব্যাখ্যা করা হলেও পুরো প্রক্রিয়াটি পরিকল্পিতভাবে এগিয়ে নেয়া হয়েছে।

তার অভিযোগ, দলের শীর্ষ নেতৃত্ব প্রার্থী মনোনয়ন ও আসন সমঝোতার মাধ্যমে স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচনে অংশ নেয়ার সুযোগও সীমিত করে দিয়েছে। তবে পদত্যাগের পরপরই স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেয়ার সিদ্ধান্ত নেননি তিনি।

তাজনূভা নিজেকে এনসিপির প্রতিষ্ঠাকালীন লক্ষ্য ও আদর্শের একজন ধারক হিসেবে উল্লেখ করেন। তার ভাষ্য, গণপরিষদ, সেকেন্ড রিপাবলিক, মধ্যপন্থি রাজনীতি, নারী ও বিভিন্ন জাতিসত্তার অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার যে রাজনৈতিক লক্ষ্য নিয়ে দলটির যাত্রা শুরু হয়েছিলো, তিনি সেসব ধারণায় বিশ্বাসী ছিলেন। প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হয়েও পদত্যাগ ছাড়া সামনে আর কোনও সম্মানজনক বিকল্প ছিলো না বলে মনে করেন তিনি।

জামায়াতের সঙ্গে জোটের সময় নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তাজনূভা। তার মতে, এনসিপি নিজস্ব রাজনৈতিক পরিচয় ও স্বকীয়তা নিয়ে দাঁড়ানোর পর পাঁচ বছর কিংবা আরও পরে যেকোনও দলের সঙ্গে জোট করতে পারতো। কিন্তু প্রথম নির্বাচনেই কেনো জোট করতে হবে, সে প্রশ্নের উত্তর দলের নেতৃত্ব দিতে পারেনি।

তার অভিযোগ, অন্য রাজনৈতিক বিকল্পগুলো ধীরে ধীরে বন্ধ করে দেয়া হয়েছিলো, যাতে শেষ পর্যন্ত জামায়াতের সঙ্গে জোট করা ছাড়া আর কোনও পথ খোলা না থাকে।

তাজনূভা বলেন, তার পদত্যাগের পেছনে জোটের চেয়ে জোট গঠনের প্রক্রিয়া বেশি দায়ী। দলের ভেতরে অবিশ্বাস ও অনাস্থাই ছিলো মূল কারণ।

এনসিপির শীর্ষ নেতাদের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব ও রাজনৈতিক হিসাব-নিকাশের সমালোচনা করে তিনি বলেন, নেতৃত্ব নিজেদের মধ্যে হিসাব মেলাতেই এত বেশি ব্যস্ত যে দেশের জন্য নতুন মধ্যপন্থি ও বাংলাদেশপন্থি রাজনীতি গড়ে তোলার সক্ষমতা নিয়ে তার সন্দেহ তৈরি হয়েছে।

এনসিপিতে ফিরে আসার সম্ভাবনা নিয়েও নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন তাজনূভা। গণমাধ্যমকে তিনি বলেন, তিনি ইতোমধ্যে অলটারনেটিভস নামে একটি প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছেন। শিগগিরই বড় পরিসরে সাংগঠনিক শক্তি প্রকাশের পরিকল্পনা রয়েছে তাদের। অলটারনেটিভসকে নিজস্ব শক্তিতে দাঁড় করাতে চান তিনি। এনসিপিতে ফিরে আসার ইচ্ছা নেই বলেও জানান।

সামান্তা শারমিনের আপত্তি সংস্কারের প্রশ্নে

সবশেষ বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) এনসিপি থেকে পদত্যাগ করেন দলটির প্রথম সারির নেত্রী ও যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন। ফেসবুকে দেয়া দীর্ঘ বার্তায় তিনি জানান, প্রায় এক বছর আগে থেকেই জামায়াতের সঙ্গে জোট গঠনের প্রশ্নে দলের ভেতরে নিজের ভিন্ন অবস্থান তুলে ধরেছিলেন।

সামান্তা শারমিন লেখেন, 

জামায়াতে ইসলামী নীতিগত কিংবা কৌশলগত কোনও বিবেচনাতেই মিত্র হওয়ার যোগ্য নয়। তাদের সঙ্গে জোট করার জন্য এনসিপিকে ভবিষ্যতে কঠিন মূল্য দিতে হবে বলেও তিনি সতর্ক করেছিলেন।

নিজের বক্তব্যে ‘সংস্কারের বন্ধু জামায়াত হতে পারে কিনা’ শিরোনামে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেন তিনি। সামান্তার মতে, এনসিপির রাজনীতির মূল লক্ষ্য ছিলো রাষ্ট্র ও রাজনৈতিক ব্যবস্থার সংস্কার। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার পথে বিদ্যমান ক্ষমতা কাঠামো যেন বাধা হয়ে না দাঁড়ায়, সে জন্য সাংবিধানিক সংস্কার, আইনের সংস্কার এবং রাজনীতি ও রাজনৈতিক দলের সংস্কার জরুরি ছিলো।

কিন্তু জামায়াতে ইসলামী এ তিনটি সংস্কারের কোনোটিকেই নিজেদের রাজনীতি ও রাষ্ট্রপ্রকল্পের অংশ হিসেবে বিবেচনা করে না বলে দাবি করেন সামান্তা। তার মতে, জামায়াত প্রকৃত অর্থে সংস্কারের রাজনীতি ধারণ করে না। সংগঠনটির দার্শনিক ভিত্তি এবং প্রস্তাবিত রাষ্ট্রব্যবস্থাও গণতান্ত্রিক নয়।

তিনি আরও বলেন, গণতান্ত্রিক সংস্কারের ভিত্তি হলো উদার গণতান্ত্রিক সামাজিক মূল্যবোধ। অন্যদিকে জামায়াত গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থার পরিপন্থী। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের সুযোগ কাজে লাগিয়ে ফ্যাসিস্ট রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করাই সংগঠনটির রাজনৈতিক অভিপ্রায় বলে মনে করেন তিনি।

সামান্তার ভাষ্য, জামায়াতকে সংস্কারের সহযোগী হিসেবে বিবেচনা করার কারণে বাংলাদেশের উদার ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধে বিশ্বাসী সাধারণ মানুষ এনসিপির সংস্কারের রাজনীতি থেকে মুখ ফিরিয়ে নিতে বাধ্য হয়েছেন। দলের নিজস্ব রাজনৈতিক অবস্থান স্পষ্ট না থাকায় এনসিপি ক্রমেই জামায়াতের মধ্যে হারিয়ে যাচ্ছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক ইস্যুতেও দলটিকে জামায়াতের পক্ষে প্রতিক্রিয়ামূলক ও সহায়ক ভূমিকা নিতে হচ্ছে।

তিনি জানান, জনগণের আকাঙ্ক্ষা থেকে জন্ম নেয়া রাজনৈতিক দল হিসেবে এনসিপিকে এসব বিষয়ে বারবার সতর্ক করেছেন। দলের নেতৃত্বকে সঠিক পথে ফিরিয়ে আনারও চেষ্টা করেছেন। কিন্তু নিজের অবস্থান ও আপত্তি জানানোর পরও প্রত্যাশিত পরিবর্তন না আসায় শেষ পর্যন্ত পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

জোট নিয়ে বিরোধের পরিণতি কী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে জামায়াতের সঙ্গে নির্বাচনি ঐক্য গঠন নিয়ে এনসিপির অভ্যন্তরীণ বিরোধ ক্রমেই প্রকাশ্য রূপ নেয়। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে জামায়াতের ভূমিকা, দলটির ঐতিহাসিক দায় এবং পরবর্তী সময়ে ক্ষমা না চাওয়ার বিষয়টি সামনে রেখে এনসিপির অনেক নেতা এ জোটের বিরোধিতা করেন।

তবে শেষ পর্যন্ত নাহিদ ইসলাম, আখতার হোসেন ও হাসনাত আব্দুল্লাহসহ দলের শীর্ষ নেতারা জামায়াতের সঙ্গে নির্বাচনি সমঝোতার পথে এগিয়ে যান। নির্বাচনে এনসিপি ছয়টি আসনে জয়ী হয়।

তিন নেত্রীর বক্তব্য বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, তাদের আপত্তির জায়গা শুধু জামায়াতের সঙ্গে জোট গঠনেই সীমাবদ্ধ ছিলো না। এর সঙ্গে যুক্ত ছিলো এনসিপির প্রতিষ্ঠাকালীন আদর্শ থেকে সরে আসার আশঙ্কা, নেতৃত্বের একক সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রবণতা, দলের অভ্যন্তরীণ গণতন্ত্র এবং রাজনৈতিক স্বকীয়তা ধরে রাখার প্রশ্ন।

তাদের মতে, 

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্তের যে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিলো, জামায়াতের সঙ্গে ঐক্যের সিদ্ধান্ত সে প্রত্যাশাকে দুর্বল করেছে। এতে এনসিপি নিজস্ব পরিচয় হারিয়ে জামায়াতের রাজনৈতিক প্রভাবের মধ্যে চলে যেতে পারে। এমনকি ভবিষ্যতে দলটি জামায়াতের রাজনীতির সঙ্গে মিশে যাওয়ার ঝুঁকিও তৈরি হতে পারে।

তিন নেত্রীর পদত্যাগ তাই শুধু ব্যক্তিগত রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নয়, এনসিপির আদর্শিক অবস্থান, নেতৃত্বের সিদ্ধান্ত গ্রহণের পদ্ধতি এবং ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক পরিচয় নিয়ে দলটির ভেতরে তৈরি হওয়া গভীর মতপার্থক্যেরও প্রতিফলন।

সবার দেশ/কেএম

সর্বশেষ

শীর্ষ সংবাদ:

বিনা খরচে ওমরাহর সুযোগ, আবেদন করবেন যেভাবে
৭ নভেম্বর ছিলো শত্রু-মিত্র চিহ্নিত করার গুরুত্বপূর্ণ দিন: প্রধানমন্ত্রী
সামান্তাদের রাজনীতিতে আরও বড় জায়গা চান তাসনিম জারা
টেকনাফে পাচারকারীদের-যৌথবাহিনীর গোলাগুলি, আহত সেনাসদস্যের মৃত্যু
জামায়াতের জোটে আপত্তি, এনসিপি ছাড়লেন তিন নেত্রী
চুয়েট উপাচার্যের পুনর্বহালে রিজভীর দ্বারস্থ শিক্ষার্থীরা
হাসিনার গুণ্ডা-পাণ্ডারা গার্মেন্টসে আগুন দিচ্ছে: রিজভী
নিউইয়র্কে আবাসিক ভবনে ভয়াবহ আগুন, নিহত ৬
গ্যাস আমদানিনির্ভরতা কমাতে কতটা ভূমিকা রাখবে তিতাসের নতুন দুই কূপ?
টেকনাফে যৌথবাহিনীর অভিযানে গোলাগুলি, সেনাসদস্য আহত
বিনা খরচে মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানো শুরু ডিসেম্বরে
ভুটানকে হারিয়ে সাফে বাংলাদেশের শুভসূচনা
পরীমনির বিরুদ্ধে সাংবাদিককে হেনস্তার অভিযোগ
‘ওই নারী আমার স্ত্রী নন’, দাবি রনির
৭ নভেম্বর ছুটি সব পোশাক কারখানায়
এনসিপি ছাড়লেন সামান্তা শারমিন
৭ নভেম্বরের র‌্যালিতে নেতৃত্ব দেবেন তারেক রহমান
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি, কাজে ফিরছেন শ্রমিকরা