ইসরায়েল-লেবানন যুদ্ধবিরতিতে নিম্নমুখী তেলের দাম
মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা কমার ইঙ্গিতে বিশ্ববাজারে আবারও নিম্নমুখী হলো তেলের দাম। ইসরায়েল-লেবানন যুদ্ধবিরতির পর সংঘাত শিগগিরই প্রশমিত হতে পারে—এমন আশাবাদ থেকেই এ পতন ঘটেছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) এক প্রতিবেদনে আল জাজিরা জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুড তেলের ফিউচার্স ১ শতাংশের বেশি কমে প্রতি ব্যারেল ৯৮.০৫ ডলারে নেমে এসেছে।
অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের অপরিশোধিত তেলের দামও কমে প্রতি ব্যারেল ৯৪ ডলারের নিচে নেমে গেছে, যা সাম্প্রতিক সময়ের তুলনায় উল্লেখযোগ্য পতন হিসেবে দেখা হচ্ছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতি প্রশমিত হওয়ার ইঙ্গিতই মূলত বাজারে এ ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। বিশেষ করে ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে সাম্প্রতিক যুদ্ধবিরতি বিনিয়োগকারীদের আস্থায় বড় ভূমিকা রেখেছে।
উল্লেখ্য, গত মার্চ মাসে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও ইরানকে ঘিরে উত্তেজনা চরমে পৌঁছালে তেলের দাম প্রায় ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে যায়। তবে সাম্প্রতিক সময়ে তা আবার ১০০ ডলারের নিচে নেমে এলেও পুরো সপ্তাহজুড়ে ৯০ ডলারের ঘরেই অবস্থান করছে।
এদিকে ইরানকে ঘিরে কূটনৈতিক তৎপরতাও বাজারে প্রভাব ফেলছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, চলতি সপ্তাহান্তে পাকিস্তানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের কর্মকর্তাদের মধ্যে বৈঠক হতে পারে। তার এ মন্তব্যও বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ইতিবাচক প্রত্যাশা তৈরি করেছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, যদি মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও কমে এবং বড় ধরনের সংঘাত এড়ানো যায়, তাহলে তেলের দাম আরও স্থিতিশীল হতে পারে।
সবার দেশ/কেএম




























