ইয়ামালের জোড়া গোল,বার্সার পাঁচে পাঁচ
লা লিগায় দুর্দান্ত ছন্দ ধরে রেখেছে বার্সেলোনা। লেভান্তের মাঠে শুরুতে একতরফা আধিপত্য দেখিয়ে বড় জয়ের পথেই এগিয়েছিল হান্সি ফ্লিকের দল। তবে শেষ দিকে দুই গোল হজম করে কিছুটা চাপে পড়লেও শেষ পর্যন্ত ৪-২ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে কাতালান জায়ান্টরা।
বার্সেলোনার জয়ে জোড়া গোল করেছেন তরুণ তারকা লামিনে ইয়ামাল। একটি করে গোল করেন জাভি এসপার্ত ও করিম আদেয়েমি। এ জয়ে লা লিগায় টানা পাঁচ ম্যাচে জয় তুলে নিয়ে পূর্ণ ১৫ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষস্থান আরও মজবুত করেছে বার্সেলোনা।
লেভান্তের মাঠে ম্যাচের শুরু থেকেই বলের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের দখলে রাখে বার্সেলোনা। আক্রমণে একের পর এক সুযোগ তৈরি করতে থাকে তারা। ম্যাচের মাত্র ৫ মিনিটেই রাফিনিয়ার পাস থেকে গোল করে বার্সেলোনাকে এগিয়ে দেন এসপার্ত।
গোল পাওয়ার পরও আক্রমণের ধার কমেনি বার্সার। ১৯ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন ইয়ামাল। রাফিনিয়ার তৈরি করে দেওয়া আক্রমণ থেকে বাঁ পায়ের নিখুঁত শটে বল জালে জড়ান স্প্যানিশ ফরোয়ার্ড। প্রথমার্ধেই ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় বার্সেলোনা।
বিরতির পরও একই ছন্দে খেলতে থাকে ফ্লিকের দল। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই আবারও গোলের দেখা পান ইয়ামাল। ৪৮ মিনিটে পাওয়া পেনাল্টি থেকে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন তিনি। এতে ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় বার্সেলোনা এবং ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ প্রায় পুরোপুরি নিজেদের হাতে নিয়ে নেয়।
তবে তিন গোলে পিছিয়ে পড়েও লড়াই ছাড়েনি লেভান্তে। ম্যাচের শেষ ১৫ মিনিটে বদলে যায় দৃশ্যপট। ৭৯ মিনিটে ইভান রোমেরো লেভান্তের হয়ে প্রথম গোল করে ব্যবধান কমান। এরপর ৮৮ মিনিটে রজার ব্রুগে গোল করলে হঠাৎ করেই ম্যাচের উত্তেজনা বেড়ে যায়। ৩-২ ব্যবধানে পিছিয়ে থাকা লেভান্তে তখন সমতা ফেরানোর জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে।
শেষ মুহূর্তে বার্সেলোনার জয় নিয়ে শঙ্কাও তৈরি হয়। তবে যোগ করা সময়ে সেই শঙ্কা দূর করেন করিম আদেয়েমি। অতিরিক্ত সময়ে গোল করে বার্সেলোনার জয় নিশ্চিত করেন তিনি। ফলে শেষ পর্যন্ত ৪-২ গোলের জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে কাতালানরা।
পাঁচ ম্যাচে পাঁচ জয় তুলে নিয়ে ১৫ পয়েন্ট নিয়ে লা লিগার শীর্ষে অবস্থান করছে বার্সেলোনা। শুধু জয় নয়, গোল করার ক্ষেত্রেও দুর্দান্ত ফর্মে রয়েছে দলটি। লিগের প্রথম পাঁচ ম্যাচেই প্রতিপক্ষের জালে ২১ গোল করেছে ফ্লিকের দল। এ সময়ে আক্রমণভাগের ধারাবাহিকতা বার্সেলোনার শিরোপা ধরে রাখার প্রত্যাশাকেও আরও জোরালো করে তুলেছে।
সবার দেশ/এফও




























