Sobar Desh | সবার দেশ সবার দেশ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২১:০৭, ২৭ অক্টোবর ২০২৫

এনবিআর দুই ভাগ করেও উন্নতি হবে না: আমির খসরু

এনবিআর দুই ভাগ করেও উন্নতি হবে না: আমির খসরু
ছবি: সংগৃহীত

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে (এনবিআর) দুই ভাগে বিভক্ত করেও কোনো ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তার মতে, এনবিআর ভাগ হলেও যেহেতু একই প্রশাসনিক কাঠামো ও আমলাতান্ত্রিক নিয়ন্ত্রণ বহাল আছে, তাই কাঙ্ক্ষিত সংস্কার সম্ভব নয়।

সোমবার (২৭ অক্টোবর) রাজধানীর গুলশানের একটি হোটেলে আয়োজিত দুই দিনব্যাপী ‘ইকোনমিক রিফর্ম সামিট ২০২৫’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আমির খসরু বলেন, 

এনবিআর ভেঙে দুই ভাগ করা হয়েছে, কিন্তু লাভ কী? আগে যেমন আমলারা চালাতেন, এখনো তারাই চালাচ্ছেন। ফলে কোনো বাড়তি সুফল পাওয়া যাবে না। প্রশাসনিক সংস্কার ছাড়া কাগুজে পরিবর্তনে বাস্তব উন্নতি হয় না।

তিনি বলেন, 

আমলারা বাংলাদেশের বাস্তব অর্থনীতি বোঝেন না। দেশের মানুষ কীভাবে আয়-ব্যয় করে, ব্যবসা চালাতে কী ধরনের বাধার মুখে পড়ে, কিংবা এসব সমস্যা সমাধান করতে কী করতে হয়—সেসব বিষয়ে তাদের কোনো ধারণা নেই। যারা ট্যাক্স নীতি তৈরি করবেন, তাদের এসব বিষয়ে বাস্তব জ্ঞান থাকা জরুরি।

দেশি-বিদেশি বিনিয়োগে প্রধান প্রতিবন্ধকতা হিসেবে আমলাতন্ত্রকে দায়ী করে বিএনপির এ নেতা বলেন, 

আমলাতন্ত্রকে নিয়ন্ত্রণ করার কোনো প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা নেই। যদি তাদের দায়িত্ব বিকেন্দ্রীকরণ করা যায়, তাহলে স্বাভাবিকভাবেই তারা নিয়ন্ত্রিত হবে। বিএনপি বেসরকারি খাতকে শক্তিশালী করতে চায়, যাতে সরকার নয়, উদ্যোক্তারাই অর্থনীতির নেতৃত্ব দেন।

রফতানি খাতের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, আগে রফতানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) ইউডি ইস্যু করত, তখন ঘুষ দিতে হতো, সময়ও লাগতো। বিএনপি সরকার ইউডি ইস্যুর দায়িত্ব ইপিবির কাছ থেকে নিয়ে বিজিএমইএ-র হাতে দেয়। ফলে ঘুষ ও দেরি—দুটোই কমে যায়। আমরা বিশ্বাস করি, বেসরকারি খাতকে দায়িত্ব দিলে দক্ষতা বাড়ে।

তিনি আরও বলেন, রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোকে এখন বেসরকারি খাতের সঙ্গে সম্পৃক্ত করতে হবে। না হলে বিনিয়োগ ত্বরান্বিত হবে না।

বাংলাদেশ ব্যাংকের স্বাধীনতার প্রসঙ্গ টেনে আমির খসরু বলেন, অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ এখন লুটপাটের জায়গা। রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোতে কে পরিচালক হবে, কাকে সুবিধা দেয়া হবে—এসব নিয়েই ব্যস্ত তারা। বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালীন সময়ে আমরা এ বিভাগ বিলুপ্ত করেছিলাম। শেখ হাসিনা এসে আবার চালু করেছেন। বিএনপি ক্ষমতায় এলে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ আর থাকবে না, যাতে সরকারি ব্যাংকগুলোর ওপর রাজনৈতিক দখলদারির সুযোগ বন্ধ হয়।

তিনি বলেন, আমরা এমন এক অর্থনীতি গড়তে চাই, যেখানে ব্যবসা প্রশাসনের অনুমতির নয়, বরং উদ্ভাবনের ওপর নির্ভর করবে। আমলাতন্ত্র নয়—বেসরকারি উদ্যোক্তাই হবে অর্থনীতির চালিকাশক্তি।

সবার দেশ/কেএম

শীর্ষ সংবাদ:

পাঁচ অস্ত্রসহ গ্রেফতার লিটন গাজী সম্পর্কে সব জানালো পুলিশ সুপার
আনসার ভিডিপি ব্যাংকের ৯ কোটি টাকা আত্মসাৎ, ব্যবস্থাপক গ্রেফতার
লালমনিরহাটে স্বামী হত্যা মামলায় স্ত্রী ও পরকীয়া প্রেমিকের যাবজ্জীবন
ভোলাহাটে বাসের চাকায় পিষ্ট হয়ে কলেজ শিক্ষকের মৃত্যু
সৌদি আরবে প্রবাসী বাংলাদেশিরা দালাল চক্রের খপ্পরে
বাংলাদেশ সীমান্তে পঁচছে ৩০ হাজার টন ভারতীয় পেঁয়াজ
সুদের টাকার জন্য নোয়াখালীতে ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে হত্যা, গ্রেফতার-১
ইমরান খান বেঁচে আছেন, দেশ ছাড়তে চাপ: পিটিআই
হাসিনা-রেহানা-টিউলিপের প্লট দুর্নীতি মামলার রায় আজ
শুরু হলো বিজয়ের মাস
বিডিআর হত্যাকাণ্ডে ভারত জড়িত
খালেদা জিয়ার খোঁজ নিতে হাসপাতালে জামায়াত সেক্রেটারি
স্কুল ভর্তির লটারি ১১ ডিসেম্বর
বিডিআরকে দুর্বল করে ক্ষমতা টিকিয়ে রাখাতেই পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ছয় উপসচিবের দফতর পরিবর্তন