Sobar Desh | সবার দেশ এম এস শ্রাবণ মাহমুদ, স্টাফ রিপোর্টার

প্রকাশিত: ০১:২৭, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫

তামাক চাষ বন্ধের দাবিতে পার্বত্য ছাত্র ফোরামের বিক্ষোভ

তামাক চাষ বন্ধের দাবিতে পার্বত্য ছাত্র ফোরামের বিক্ষোভ
ছবি: সবার দেশ

তামাক চাষের জন্য বন ও পাহাড় উজাড় করা হচ্ছে। তামাককে না বলি, নিরাপদ সমাজ গড়ি। ‘তামাক চাষ বন্ধ চাই-নিরাপদ সমাজ চাই’- এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে পার্বত্য ছাত্র ফোরাম রাঙ্গামাটি জেলা শাখার উদ্যোগে পার্বত্য অঞ্চলের পরিবেশ রক্ষায় তামাক চাষ বন্ধের বিক্ষোভ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে রাঙ্গামাটি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গনে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশের আয়োজন করা হয়। এসময়ে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে বিক্ষোভ সমাবেশ শেষ করে প্রেস ক্লাব পর্যন্ত মিছিল করে ছাত্র ফোরাম।

সচেতন ছাত্র সমাজকে নিয়ে মাদক এর বিরুদ্ধে  সমাজে সচেতনতা বৃদ্ধি করাই পার্বত্য ছাত্র ফোরাম এর মুল লক্ষ্য। 

উক্ত কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য মোঃ হাবীব আজম, মিনহাজ মুরশিদ, পার্বত্য ছাত্র ফোরামের আহ্বায়ক তাজুল ইসলাম তাজের সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য রাখেন, পার্বত্য ছাত্র ফোরামের রাঙ্গামাটি জেলার যুগ্ম আহ্বায়ক  মোঃ আলমগীর, পারভেজ মোশাররফ হোসেন, সদস্য জাহিদুল ইসলাম রনি, রিয়াজুল ইসলাম প্রমুখ।
 
মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচিতে উপস্থিত বক্তাগণ বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে তামাক চাষের কারণে কৃষি জমির উর্বরতা নষ্ট হচ্ছে, কারণ এটি মাটি থেকে পুষ্টি উপাদান শোষণ করে নেয় এবং মাটির রাসায়নিক গঠন পরিবর্তন করে। তামাক চাষের জন্য বন উজাড় করে জমি পরিষ্কার করা হয়, যা স্থানীয় জীববৈচিত্র্যের জন্য মারাত্মক হুমকি সৃষ্টি করে। এছাড়াও, তামাক চাষের ফলে খাদ্য নিরাপত্তা বিঘ্নিত হয় এবং উর্বর কৃষি জমি কমে যায়। তামাক গাছ মাটি থেকে প্রচুর পরিমাণে পুষ্টি উপাদান শোষণ করে, যার ফলে মাটির উর্বরতা কমে যায় এবং তা অনুর্বর হয়ে পড়ে। 

তামাক চাষে ব্যবহৃত রাসায়নিক সার ও কীটনাশক মাটির স্বাভাবিক গঠন ও রাসায়নিক ভারসাম্য নষ্ট করে দেয়, যা দীর্ঘমেয়াদী ক্ষতি সাধন করে। তামাক চাষে ঘন ঘন জমি চাষ করা হয়। এবং বন উজাড় করা হয়, যা মাটি ক্ষয়কে বাড়িয়ে তোলে। তামাক চাষের জন্য বন ও পাহাড় উজাড় করা হয়, যার ফলে জীববৈচিত্র্য মারাত্মক হুমকির মুখে পড়ে এবং অনেক প্রাণী তাদের বাসস্থান হারায়। 

খাদ্য শস্য চাষের জমি তামাক চাষে ব্যবহৃত হওয়ায় খাদ্য শস্যের উৎপাদন কমে যায়, যা স্থানীয়ভাবে খাদ্য সংকট তৈরির আশঙ্কা তৈরি করে। তামাক শুকানোর জন্য বিপুল পরিমাণে কাঠ পোড়ানো হয়, যা বায়ুদূষণ ও বন উজাড়ের জন্য দায়ী। একটি সমীক্ষা অনুযায়ী, পৃথিবীর ২-৩% বন ধ্বংসের জন্য তামাক চাষ দায়ী। 

পার্বত্য চট্টগ্রামে তামাক চাষ বন্ধে কঠোর হুশিয়ারি দেয়া হয়। অন্যথায় আরো ব্যাপক কর্মসূচি পালন করা হবে বলে ঘোষণা দিয়ে নেতৃবৃন্দরা বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের ভুমিতে তামাক চাষ সহ পরিবেশ ক্ষতিকারক কোন চাষাবাদ যেন করা না হয়।

এ ক্ষতিকর প্রভাবগুলোর কারণে পার্বত্য চট্টগ্রামে খাদ্য নিরাপত্তা ও পরিবেশের সুরক্ষার জন্য আইন করে তামাক চাষ নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি।

সবার দেশ/কেএম

শীর্ষ সংবাদ:

পিরোজপুরে গর্ত খুঁড়তে গিয়ে মাটি ধসে ২ শ্রমিকের মৃত্যু
দর্শনা সীমান্তে ‘পুশইন’, নারী ও শিশুসহ আটক ১০
লক্ষ্মীপুরে ধর্ষণের অভিযোগ, যুবদল নেতার বিরুদ্ধে মামলা
প্রেমের টানে টাঙ্গাইলে চীনা স্কুলশিক্ষক
যুক্তরাষ্ট্রে রাসায়নিক ট্যাংক বিস্ফোরণে নিহত বেড়ে ১১
৪০০ টাকায় কেনা চামড়া বিক্রি ১৫০ টাকায়
মে মাসে মব সহিংসতায় সর্বোচ্চ ৩২ মৃত্যু: এমএসএফ
প্রাণনাশের শঙ্কায় ঈদে বাড়ি যাননি এনসিপি নেত্রী বর্ষা
জাতিসংঘের সর্বোচ্চ সম্মানে ভূষিত হচ্ছেন ৬ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী
জ্বালানি তেলের নতুন দাম, লিটারপ্রতি বাড়লো ৫ টাকা
জিয়াউর রহমান ও বাংলাদেশ একে অপরের পরিপূরক: মির্জা ফখরুল
দুঃসংবাদ পিছু ছাড়ছেনা জ্যাকলিনের!
সামনে চ্যালেঞ্জিং সময়, দায়িত্বশীল না হলে দেশের ক্ষতি হবে: প্রধানমন্ত্রী
পিএসজির শিরোপা উদযাপন ঘিরে ফ্রান্সজুড়ে তাণ্ডব
জঙ্গল সলিমপুরে সন্ত্রাসীদের ঠাঁই হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
দিল্লিতে পাঁচতলা ভবন ধস, ধ্বংসস্তূপের নিচে শতাধিক শিক্ষার্থী