যুদ্ধক্ষেত্র থেকে পালিয়ে গিয়েছিলো আওয়ামী লীগ: ড. মঈন খান
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান বলেছেন, স্বাধীনতা যুদ্ধের দাবিদার আওয়ামী লীগ মুক্তিযুদ্ধের সময় যুদ্ধক্ষেত্রে নামেনি, বরং পালিয়ে গিয়েছিলো। পরবর্তীতেও বিভিন্ন সময়ে দলটি জনগণের মুখোমুখি না হয়ে পিছু হটেছে। সর্বশেষ ২০২৪ সালেও তারা একইভাবে পালিয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
সোমবার (১ জুন) বিকেলে নরসিংদীর পলাশ উপজেলা মাল্টিপারপাস অডিটোরিয়ামে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তমের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানের আয়োজন করে পলাশ উপজেলা বিএনপি ও ঘোড়াশাল পৌর বিএনপি।
ড. মঈন খান বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তম শুধু বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষকই নন, তিনি সম্মুখযুদ্ধে অংশ নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছিলেন। নতুন প্রজন্মের কাছে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস তুলে ধরা বিএনপির দায়িত্ব বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
তিনি অভিযোগ করেন, ২০২৪ সালের পূর্ববর্তী ১৭ বছরে আওয়ামী লীগ সরকার শিক্ষার্থীদের কাছে বিকৃত ইতিহাস তুলে ধরেছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জ্ঞান ও বিজ্ঞান শিক্ষার স্থান, সেখানে রাজনৈতিক বিভ্রান্তি ছড়িয়ে দেওয়া উচিত নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
দেশের অর্থনীতি প্রসঙ্গে বিএনপির এ নেতা বলেন, ১৯৭২ থেকে ১৯৭৫ সালের মধ্যে দেশের অর্থনীতি ধ্বংসের মুখে পড়েছিলো। পরবর্তীতে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তম সে অর্থনীতিকে পুনরুদ্ধার করে উন্নয়নের ভিত্তি গড়ে তুলেছিলেন। তিনি আরও অভিযোগ করেন, গত ১৭ বছরে আওয়ামী লীগ লুটপাট ও অর্থ পাচারের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিকে দুর্বল করেছে।
জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক দর্শনের প্রশংসা করে ড. মঈন খান বলেন, তিনি ছিলেন দেশপ্রেম, শৃঙ্খলা ও পরিচ্ছন্ন রাজনীতির প্রতীক। দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বহু আগে থেকেই ইউনিয়ন পর্যায়ে খাদ্যগুদাম নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছিলেন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
পলাশ উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুস সাত্তারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় আরও বক্তব্য দেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বাহাউদ্দীন ভূঁইয়া মিল্টন, ঘোড়াশাল পৌর বিএনপির সভাপতি আলম মোল্লা, সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন, পলাশ উপজেলা শ্রমিক দলের সভাপতি আল আমিন ভূঁইয়া এবং উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক নাজমুল হোসেন সোহেলসহ স্থানীয় নেতারা।
সবার দেশ/এফও




























