Sobar Desh | সবার দেশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৯:৪৮, ২৬ আগস্ট ২০২৬

আপডেট: ২০:১৬, ২৬ আগস্ট ২০২৬

ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা ‘কল্পনার অতীত’

নেপালে আকস্মিক বন্যা, ৫৫ জনের মৃত্যু

নেপালে আকস্মিক বন্যা, ৫৫ জনের মৃত্যু
ছবি: সংগৃহীত

নেপালে তুষারধস ও আকস্মিক বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫৫ জনে দাঁড়িয়েছে। দেশটির স্থানীয় কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে বিবিসি। দুর্ঘটনায় হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

বুধবার (২৬ আগস্ট) স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ৮টার দিকে রাজধানী কাঠমাণ্ডুর উত্তরে রসুয়া জেলায় তুষারধসের পর আকস্মিক বন্যা দেখা দেয়। বিকেল ৫টা ২৫ মিনিট পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, এতে ৫৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর আগে সিএনএস ১৭ জনের মৃত্যুর খবর জানিয়েছিলো।

এদিকে নেপাল ট্যুরিজম বোর্ড সোশ্যাল মিডিয়া এক্সে দেয়া এক হালনাগাদ তথ্যে জানিয়েছে, বন্যার ঘটনায় ৩৮৪ জন পর্যটক নিখোঁজ রয়েছেন। তাদের মধ্যে ২৯১ জন বিদেশি এবং ৯৩ জন নেপালি নাগরিক। নিখোঁজ বিদেশিদের মধ্যে যুক্তরাজ্যের ১২ জন নাগরিক রয়েছেন।

পর্যটন বোর্ড জানিয়েছে, সীমান্তের উভয় পাশে জোরদার অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান চলছে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় অবস্থানরত এবং ওই অঞ্চল দিয়ে ভ্রমণরত পর্যটকদের নিরাপত্তা ও অবস্থান নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কাজ করছে।

নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শিশির খানাল জানিয়েছেন, ভূমিকম্পের পর তুষারধস শুরু হয় এবং এর ফলে আকস্মিক বন্যার সৃষ্টি হয়। তবে ঘটনার প্রকৃত কারণ ও পরিস্থিতি সম্পর্কে পাওয়া তথ্য এখনও যাচাই করা হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

এ দুর্যোগে নেপালের পাশাপাশি চীনও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির মুখে পড়েছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। চীন-নেপাল সীমান্তসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলের বেশ কয়েকটি জেলা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এসব এলাকায় ব্যাপক প্রাণহানি ও সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তবে এখনও ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ হিসাব পাওয়া যায়নি।

সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ভোটকোশী নদীর তীরবর্তী রসুয়া ও নুয়াকোট জেলার কয়েকটি জনবসতি। এলাকাগুলো তুলনামূলকভাবে জনবিরল হলেও নেপাল-চীন বাণিজ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সড়কপথ হওয়ায় সেখানে থাকা অবকাঠামোর ক্ষয়ক্ষতি বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।

বন্যার পানিতে ওই অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, সেতু ও জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত বা ধসে পড়েছে। ফলে যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যাহত হয়েছে এবং দুর্গত এলাকায় উদ্ধার তৎপরতা পরিচালনাও কঠিন হয়ে পড়েছে।

বিবিসিকে এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা ‘কল্পনার অতীত’। ২০১৫ সালের ভয়াবহ ভূমিকম্পের পর এটিকে নেপালের সবচেয়ে বড় দুর্যোগগুলোর একটি হিসেবে দেখা হচ্ছে। ২০১৫ সালের ভূমিকম্পে দেশটিতে প্রায় ৯ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছিলো।

উদ্ধারকারী দলগুলো দুর্গত এলাকায় নিখোঁজদের সন্ধানে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। একই সঙ্গে সীমান্তবর্তী এলাকায় আটকে পড়া পর্যটক ও স্থানীয় বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয়ার চেষ্টা চলছে।

সবার দেশ/কেএম

শীর্ষ সংবাদ:

চল্লিশের পরও তারুণ্য ধরে রাখার সহজ ৮ উপায়
ভয়াবহ বন্যায় তছনছ নেপাল, নিহত ৯৮
রংপুরে ৪ খুন: জমি সংক্রান্ত বিরোধও আসছে সামনে
পাঁচ ঘণ্টাতেই পাঁচ সিনেমাকে পেছনে ফেললো ‘টক্সিক’
নেপালে আকস্মিক বন্যা, ৫৫ জনের মৃত্যু
ভুটানের রাজাকে স্বাগত জানালেন রাষ্ট্রপতি
পাকিস্তানে হাসপাতালে আগুন, ১৫ নবজাতকের মৃত্যু
বৃটেনে কারাদণ্ড প্রাপ্ত রেজাউল বহাল তবিয়তে বাংলাদেশে
বৃটেনে প্রতারণার দায়ে বাংলাদেশিসহ ৫ জনের জেল
ভুল তথ্যের জন্য দুঃখ প্রকাশ সিপিডির
‘বিয়ে করিনি, গুঞ্জন সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন’: প্রভা
বিভেদ-প্রতিহিংসা জাতিকে শক্তিশালী করে না: রাষ্ট্রপতি
তথ্যমন্ত্রী হিসেবে বসেছি, হাসিনার আত্মীয় হিসেবে নয়: শেখ হাসিনার আত্মীয় বলায় তথ্যমন্ত্রী
‘তোমরা লেখবা, আমরা পিডাইমু’: বিএনপি নেতার হুমকি
স্থানীয় সরকার নির্বাচন নভেম্বরে শুরু: ইসি
সীমান্তে বাংলাদেশির সঙ্গে ধস্তাধস্তি, অস্ত্র ফেলে পালালো বিএসএফ