আতশবাজির আলোয় বিশ্বজুড়ে ২০২৬ সালের আগমন
বিশ্বজুড়ে আতশবাজির ঝলকানি, উৎসবের আনন্দ আর মানুষের উচ্ছ্বাসের মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে নতুন বছর ২০২৬। বাংলাদেশে নতুন বছর শুরু হতে তখনো বাকি মাত্র দুই ঘণ্টা, এর মধ্যেই পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে মানুষ বিদায় জানায় পুরোনো বছরকে এবং স্বাগত জানায় নতুন বছরকে।
বিশ্বে সবার আগে নতুন বছরকে স্বাগত জানায় প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপরাষ্ট্র কিরিবাতির কিরিতিমাতি দ্বীপ। এরপর সময়ের ধারাবাহিকতায় নতুন বছর শুরু হয় নিউজিল্যান্ডে। দেশটির বিভিন্ন শহরে মধ্যরাত ঘিরে চলে আলোকসজ্জা ও উদযাপন। নিউজিল্যান্ডের পর অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলেও বেজে ওঠে নতুন বছরের ঘণ্টাধ্বনি।
প্রতি বছরের মতো এবারও অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে ছিলো চোখধাঁধানো আয়োজন। বিখ্যাত অপেরা হাউজ ও হারবার ব্রিজকে ঘিরে অনুষ্ঠিত হয় বর্ণিল আতশবাজির প্রদর্শনী, যা দেখতে ভিড় করেন হাজারো মানুষ। টেলিভিশন ও অনলাইন মাধ্যমে সে দৃশ্য উপভোগ করেন বিশ্বের কোটি দর্শক।
সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, এশিয়ার পূর্বাঞ্চলে দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপানে নতুন বছর শুরু হওয়ার মধ্য দিয়ে উৎসবের আবহ আরও বিস্তৃত হয়। জাপানে নতুন বছর উপলক্ষে সরকারি ছুটি থাকে। দেশটিতে এটি অন্যতম বড় উৎসব হিসেবে পালিত হয়। নতুন বছরকে কেন্দ্র করে পরিবার ও স্বজনদের সঙ্গে সময় কাটানো, মন্দিরে প্রার্থনা এবং ঐতিহ্যবাহী খাবার আয়োজনের প্রস্তুতি আগে থেকেই নিয়ে রাখেন সাধারণ মানুষ।
জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার পর নতুন বছরে পা রাখে চীন। একই সঙ্গে ফিলিপাইন, মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়াসহ এশিয়ার বিভিন্ন দেশেও শুরু হয় ২০২৬ সালের পথচলা। এসব দেশে কোথাও আতশবাজি, কোথাও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, আবার কোথাও ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে নতুন বছরকে স্বাগত জানানো হয়।
এভাবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এক দেশ থেকে আরেক দেশে ছড়িয়ে পড়ে নতুন বছরের আনন্দ। পুরোনো বছরের সব গ্লানি পেছনে ফেলে নতুন প্রত্যাশা ও আশার বার্তা নিয়ে বিশ্ব এগিয়ে যায় ২০২৬ সালের দিকে।
সূত্র: বিবিসি
সবার দেশ/কেএম




























