খামেনি ও তার ছেলেকে হত্যার পরিকল্পনা
মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উত্তেজনা নতুন করে তীব্র আকার ধারণ করেছে। ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যেকোনো সময় সরাসরি সংঘাত শুরু হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, যা পুরো অঞ্চলে যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়তে পারে বলে আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে পরমাণু চুক্তিতে রাজি হওয়ার জন্য ১০ দিনের সময়সীমা দিয়েছেন এবং চুক্তিতে সম্মত না হলে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি পুরোপুরি বন্ধ করার অঙ্গীকার করলে তেহরানকে সীমিত পরিসরে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের অনুমতি দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করতে পারেন ট্রাম্প। তবে ইরান শর্ত না মানলে দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি, তার ছেলে মোজতাবা খামেনি সহ কয়েকজন ধর্মীয় নেতাকে লক্ষ্য করে হত্যার পরিকল্পনার বিষয়টিও আলোচনায় রয়েছে বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগণ ট্রাম্পের কাছে একাধিক সামরিক বিকল্প প্রস্তাব উপস্থাপন করেছে। এসব প্রস্তাবের মধ্যে ইরানের নেতৃত্ব কাঠামো দুর্বল করার কৌশল এবং দেশটির রাজনৈতিক ব্যবস্থা ভেঙে দেওয়ার বিষয়ও রয়েছে।
একজন মার্কিন কর্মকর্তা জানান, ট্রাম্প এমন একটি চুক্তি চাইছেন যা তাকে রাজনৈতিকভাবে সফল নেতা হিসেবে উপস্থাপন করতে সাহায্য করবে। তবে এখনো পর্যন্ত তিনি কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেননি এবং সব বিকল্পই বিবেচনায় রাখা হয়েছে।
এদিকে উপসাগরীয় দেশগুলো ও ইসরায়েল মনে করছে, ইরানের সঙ্গে কূটনৈতিক সমঝোতার সম্ভাবনার চেয়ে সামরিক সংঘাতের ঝুঁকিই বেশি। আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এ পরিস্থিতি মধ্যপ্রাচ্যে বড় ধরনের যুদ্ধের আশঙ্কা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
সবার দেশ/এফএস




























