যুদ্ধের মধ্যেও বিদ্যুতের দাম বাড়ছে না
তেলের মজুত বাড়বে, মূল্য নয়: জ্বালানিমন্ত্রী
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি ঘিরে দেশে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। তিনি বলেন, দেশে তেলের মজুত বাড়ছে এবং নতুন করে তেলবাহী জাহাজও নোঙর করছে। ফলে আপাতত বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর কোনও পরিকল্পনা নেই। তবে পরিস্থিতি বিবেচনায় তেলের ব্যবহার রেশনিং পদ্ধতিতে চালিয়ে যেতে হবে।
রোববার (৮ মার্চ) রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে উত্তরাঞ্চল ছাত্র ফোরামের উদ্যোগে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।
জ্বালানিমন্ত্রী বলেন, বিরোধী পক্ষ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে দিচ্ছে যে যুদ্ধের কারণে সরকার বিদ্যুৎ ও জ্বালানি তেলের দাম বাড়াতে পারে। কিন্তু বাস্তবে তেমন কোনও সিদ্ধান্ত নেয়া হয়নি। বরং নতুন করে তেলবাহী জাহাজ আসায় দেশের মজুত আরও বাড়বে।
তিনি জানান, ইতোমধ্যে একটি তেলবাহী জাহাজ দেশে নোঙর করেছে এবং আরেকটি জাহাজ দুপুরের দিকে নোঙর করার কথা রয়েছে। এ দুটি জাহাজ থেকে তেল সরবরাহ শুরু হলে দেশের মজুত আরও শক্তিশালী হবে। তবে এর অর্থ এ নয় যে নির্বিচারে তেল ব্যবহার করা যাবে।
মন্ত্রী বলেন, যুদ্ধ কতদিন চলবে তা কেউ নিশ্চিত করে বলতে পারে না। তাই একসঙ্গে সব মজুত ব্যবহার করে ফেলার পরিবর্তে দীর্ঘ সময় ধরে ব্যবহারের উপযোগী পরিকল্পনা নিয়ে এগোতে হবে। সে কারণেই সরকার তেলের ব্যবহার রেশনিং পদ্ধতিতে চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং যুদ্ধ পরিস্থিতি শেষ না হওয়া পর্যন্ত এ ব্যবস্থা বহাল থাকতে পারে।
তিনি আরও বলেন, যেসব তেলবাহী জাহাজ এখনও পথে রয়েছে বা সমুদ্রে আটকে আছে, সেগুলো দেশে পৌঁছানো পর্যন্ত বর্তমান মজুতের ওপর অতিরিক্ত চাপ না দিতে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।
জ্বালানি তেল যাতে চোরাচালান বা কালোবাজারে না যায়, সেজন্য রাজনৈতিক নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগণকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান, সংসদ সদস্য আমিরুল ইসলাম খান আলিম, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক নাজমুল হাসান এবং ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ফজলুর রহমানসহ উত্তরাঞ্চল ছাত্র ফোরামের নেতারা।
সবার দেশ/কেএম




























