Sobar Desh | সবার দেশ সবার দেশ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৬:৫৪, ১২ অক্টোবর ২০২৫

আপডেট: ১৮:৫১, ১২ অক্টোবর ২০২৫

১৫ সেনা কর্মকর্তাকে আদালতে আনতেই হবে: চিফ প্রসিকিউটর

১৫ সেনা কর্মকর্তাকে আদালতে আনতেই হবে: চিফ প্রসিকিউটর
ছবি: সংগৃহীত

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির পর যে ১৫ জন সেনা কর্মকর্তা এখন সেনাবাহিনীর হেফাজতে রয়েছেন, তাদের অবশ্যই আদালতে হাজির করতে হবে—এমন মন্তব্য করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম।

রোববার (১২ অক্টোবর) দুপুরে ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, 

আইনের বিধান অনুযায়ী, যেখানেই গ্রেফতার করা হোক না কেনো, তাকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আদালতের সামনে হাজির করতে হবে। এটি শুধু আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের আইন নয়, সংবিধানেও এর সুস্পষ্ট স্বীকৃতি আছে।

সেনাসদরের সংবাদ সম্মেলনের একদিন পর এ মন্তব্য করেন তিনি। শনিবার সেনাবাহিনীর অ্যাডজুট্যান্ট জেনারেল মেজর জেনারেল মো. হাকিমুজ্জামান জানিয়েছিলেন, ট্রাইব্যুনালের গ্রেফতারি পরোয়ানায় নাম থাকা ২৫ কর্মকর্তার মধ্যে ১৫ জন সেনাসদরের হেফাজতে আছেন। তাদের মধ্যে ১৪ জন চাকরিরত ও একজন অবসর প্রস্তুতিমূলক ছুটিতে (এলপিআর) আছেন।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, আমাদের কাছে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কেউ জানায়নি যে ওই কর্মকর্তারা হেফাজতে আছেন। মিডিয়াতে যা এসেছে, সেটি আমরা আইনি নথি হিসেবে গ্রহণ করছি না। যদি আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয় যে তারা আটক আছেন, তাহলে আইন অনুযায়ী তাদের অবশ্যই আদালতে হাজির করতে হবে। সেটিই আইনি বিধান।

তাজুল ইসলাম আরও বলেন, 

আদালতের এখতিয়ার ছাড়া কাউকে দীর্ঘ সময় আটক রাখা যায় না। সংবিধান ও ফৌজদারি কার্যবিধি উভয়েই স্পষ্টভাবে বলছে—২৪ ঘণ্টার মধ্যে আদালতের অনুমতি ছাড়া কাউকে আটক রাখা বেআইনি। আদালতই সিদ্ধান্ত নেবে, অভিযুক্তকে হেফাজতে রাখা হবে নাকি জামিন দেয়া হবে।

গত ৮ অক্টোবর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গুম, নির্যাতন ও জুলাই গণ-অভ্যুত্থান চলাকালে রামপুরা ও বনশ্রী এলাকায় হত্যাকাণ্ডের অভিযোগে সেনা ও নিরাপত্তা বাহিনীর ২৫ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে। এরপর থেকে তাদের গ্রেফতারের দাবি উঠতে থাকে।

এ বিষয়ে সেনাসদর জানায়, সেনাবাহিনী ন্যায়বিচারের পক্ষে এবং আইন অনুযায়ীই ব্যবস্থা নেবে। তবে ট্রাইব্যুনালের পরোয়ানার কপি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে না পাওয়ার কথা জানায় তারা।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, 

আমাদের কাছে কেউ এখনও কোনও ব্যাখ্যা চাননি। যদি চান, আমরা আইন অনুযায়ী ব্যাখ্যা দিতে প্রস্তুত। তবে মনে রাখতে হবে, গ্রেফতার মানে আদালতের কাছে জবাবদিহি করা—আইন কখনোই সেটি এড়িয়ে যাওয়ার অনুমতি দেয় না।

পর্যবেক্ষকরা বলছেন, সেনা কর্মকর্তাদের আদালতে হাজির করা না হলে এটি সংবিধান ও আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের আইনি প্রক্রিয়ার সঙ্গে সাংঘর্ষিক অবস্থান তৈরি করতে পারে। বিষয়টি নিয়ে সরকারের উচ্চপর্যায়ে এখন তীব্র আলোচনাও চলছে।

সবার দেশ/কেএম

শীর্ষ সংবাদ:

মেঘনায় এনসিপির ৫৯ সদস্যের কমিটি, আহ্বায়ক কিরন
ধর্ম যার যার, নিরাপত্তা পাবার অধিকার সবার: প্রধানমন্ত্রী
সুখের লাগিয়া এ ঘর বাঁধিনু
শোয়েব মালিকের সঙ্গে বিয়ের গুঞ্জনে বিরক্ত ভানিজা
দিল্লিতে সিজেপি নেতা দীপক আটক, তুলে নিলো নেহাকেও
এখন গরু-মহিষকে ঘাস খাওয়াতেও চাঁদা দিতে হয়: রুমিন ফারহানা
যুব উন্নয়নের প্রশ্নফাঁসে সরকারি দফতরের কর্মচারী, গ্রেফতার ৭
কৃতিত্বের পরিচয় রক্ষায় আদালতে কৃতি শ্যানন
চুয়েটে অনলাইন সিন্ডিকেট সভা, ছিলেন না কোনও সদস্য
শূন্যে ভাসবে টেসলার গাড়ি
ক্ষমতার রাজনীতি ও আমলাতন্ত্রে জিম্মি রাষ্ট্রসংস্কার: টিআইবি
পিনাকী ভট্টাচার্যের ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জন
পূজার ছুটিতেও চালু থাকবে পোশাক কারখানা
ককরোচ পার্টির পক্ষে রায় দিলো দিল্লি হাইকোর্ট
হরমুজে জাহাজডুবি, সাগরে ভাসছে আইফোন ও দামি সুগন্ধি
সাজেক পর্যটকদের জন্য উম্মুক্ত, অবরোধ স্থগিত
হাইতিতে জাতিসংঘ মিশনে সেনাবাহিনীর ৫০ সদস্য