এখন কৃতিত্ব নেয়ার প্রতিযোগিতা চলছে
জুলাই আন্দোলনে বিএনপির নেতারা গর্তে ছিলেন: রুমিন ফারহানা
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা দাবি করেছেন, জুলাই আন্দোলনের শুরুতে বিএনপির শীর্ষ নেতারা সক্রিয় ছিলেন না। বরং তারা আন্দোলন থেকে নিজেদের দূরে রেখেছিলেন। তবে আন্দোলন সফল হওয়ার পর এখন এর কৃতিত্ব নেয়ার প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলকে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।
রুমিন ফারহানা বলেন,
জুলাই আন্দোলনের সময় বিএনপির নেতারা গর্তে ছিলেন, ডোবায় ছিলেন, খালে ছিলেন। প্রথমে তো তারা হাতই ধুয়ে ফেলেছিলেন যে, এ আন্দোলন তাদের নয়। পরে একটি পর্যায়ে এসে শুধু নৈতিক সমর্থন দিয়েছেন। এখন সে আন্দোলন নিয়েই কৃতিত্ব দাবি করার প্রতিযোগিতা চলছে।
তিনি বলেন, সংসদে এ বিষয়টি তুলতে হলেও নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হয়। সংসদে তো চাইলেই কথা বলা যায় না। আগে হুইপের কাছ থেকে সময় বা অ্যালোকেশন নিতে হয়। সে প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই আমি বিষয়টি সংসদে বলেছি।
নিজের ভূমিকার প্রসঙ্গ তুলে রুমিন ফারহানা বলেন, এখন যারা সংসদে বসে আছেন, তাদের কতজনের মুখ জুলাই আন্দোলনের রাজপথে মানুষ দেখেছে? আমার মুখ নিশ্চয়ই মানুষের মনে আছে।
তিনি দাবি করেন, আন্দোলনের সময় তার বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর চালানো হয়েছিলো এবং তার গাড়িও ক্ষতিগ্রস্ত করা হয়।
জুলাইয়ে আমার বাড়ি ভাঙচুর হয়েছে। আপনাদের টেলিভিশন রাত দুইটায় আমার বাড়িতে গিয়েছিলো। আমি ফেসবুক লাইভ করেছি। এসব তো মানুষের দেখার কথা, বলেন তিনি।
বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির সমালোচনা করে রুমিন ফারহানা বলেন, মানুষের স্মৃতিশক্তি অনেক সময় স্বল্পস্থায়ী হওয়ায় অতীতের অনেক বাস্তবতা দ্রুত ভুলে যাওয়া হয়। তার ভাষায়,
আমাদের অনেকের স্মৃতি জেলিফিশের মতো। তাই অনেকেই ভুলে যাওয়ার চেষ্টা করেন, কে কখন কোথায় ছিলেন।
বিএনপির ত্যাগী নেতাদের যথাযথ মূল্যায়ন করা হয়নি—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এটা বিএনপির ত্যাগী নেতারাই বলতে পারবেন। আমি অন্যদের বিষয়ে মন্তব্য করতে চাই না। আমি শুধু আমার নিজের অভিজ্ঞতার কথা বলতে পারি।
সবার দেশ/কেএম




























