প্রধান অভিযুক্ত রবিন আটক
ছাত্রাবাসে তরুণীকে চার দিন আটকে ধর্ষণের অভিযোগ
কুষ্টিয়া শহরের একটি ছাত্রাবাসে প্রেমের সম্পর্কের প্রলোভন দেখিয়ে এক তরুণীকে ডেকে এনে চার দিন আটকে রেখে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। সোমবার (২০ জুলাই) সকালে কৌশলে সেখান থেকে পালিয়ে রাস্তায় বের হয়ে সাহায্য চাইলে স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাকে উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত রাফিউজ্জামান রবিনকে (২৪) আটক করা হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দৌলতপুর উপজেলার লক্ষীখোলা গ্রামের বাসিন্দা রাফিউজ্জামান রবিন কৌশলে ওই তরুণীকে কুষ্টিয়া শহরের আড়ুয়াপাড়া এলাকার একটি বহুতল ভবনের নিচতলার একটি ছাত্রাবাসে নিয়ে যান। এরপর গত চার দিন ধরে তাকে সেখানে জিম্মি করে শারীরিক নির্যাতন ও ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, ভুক্তভোগীর পরিচয় গোপন করতে তার ব্যাগে থাকা জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র পুড়িয়ে ফেলা হয়।
সোমবার সকালে সুযোগ বুঝে তরুণীটি ছাত্রাবাস থেকে পালিয়ে রাস্তায় বের হয়ে সাহায্য চান। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে পুলিশে খবর দিলে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে।
কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. ইকবাল হোসেন জানান, ভুক্তভোগীর যৌন নির্যাতনের অভিযোগ থাকায় তাকে গাইনি ওয়ার্ডে ভর্তি রেখে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও মেডিকেল পরীক্ষা করা হচ্ছে।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পরিদর্শক রঞ্জিত জানান, ঘটনার প্রধান অভিযুক্ত রাফিউজ্জামান রবিনকে আটক করা হয়েছে।
কুষ্টিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কবির হোসেন মাতব্বর বলেন, ভুক্তভোগীর পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। ঘটনার সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত আছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।
পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগের সব দিক তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
সবার দেশ/কেএম




























