চিন্তা শুধু খেলোয়াড়দের নিয়েই
বিসিবিতে কে এলো, কে গেলো—মাথাব্যথা নেই সাকিবের
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডে (বিসিবি) একের পর এক প্রশাসনিক পরিবর্তন নিয়ে নিজের অনাগ্রহের কথা স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। তিনি বলেছেন, বোর্ডে কে এলেন, কে গেলেন—এসব নিয়ে তার কোনও আগ্রহ নেই; তার মূল উদ্বেগ ক্রিকেটারদের স্বার্থ ও মাঠের খেলাকে ঘিরে।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর দেশের বিভিন্ন খাতের মতো বিসিবিতেও বড় ধরনের রদবদল ঘটে। এর ধারাবাহিকতায় ফারুক আহমেদের পর বিসিবির সভাপতি হন সাবেক অধিনায়ক আমিনুল ইসলাম বুলবুল। পরে গত ৭ এপ্রিল নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ এনে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি) নির্বাচিত পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দেয় এবং সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবালকে প্রধান করে ১১ সদস্যের অ্যাডহক কমিটি গঠন করে। এ কমিটিকে আগামী তিন মাসের মধ্যে নতুন নির্বাচন আয়োজনের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।
দেশের একটি অনলাইন সংবাদমাধ্যমকে দেয়া সাক্ষাৎকারে সাকিব বলেন,
এগুলো নিয়ে আমার কোনও আগ্রহ নেই। কে আসলো, কে গেলো কিংবা এটা হলে কী হতো—এসব নিয়ে আমার কোনো ভাবনা নেই।
তিনি আরও বলেন, একটা কথাই বলবো—প্লেয়াররাই কেবল ভুক্তভোগী। এখন যেহেতু একটা বোর্ড এসেছে, তাদের বেশিরভাগই ক্লাবের প্রতিনিধিত্ব করছে। আশা করি ঢাকা লিগটা দ্রুত শুরু হবে, এতে খেলোয়াড়দেরই উপকার হবে।
বিসিবির নেতৃত্বে সাবেক ক্রিকেটাররা এসে প্রত্যাশা পূরণ করতে না পারার বিষয়ে সাকিবের মূল্যায়নও ছিলো সরাসরি। তার মতে, ফারুক আহমেদ ও আমিনুল ইসলাম বুলবুলের ব্যর্থতার দায় শুধু ব্যক্তিগত নয়; তখনকার সরকারের সিদ্ধান্তও এর জন্য বড় কারণ। তিনি বলেন, তাদের ব্যর্থতার চেয়ে তখন যারা সরকারে ছিলো, তাদের দায়টাই বেশি। তাদের সিদ্ধান্তের কারণেই বুলবুল ও ফারুক ভাই ব্যর্থ হয়েছেন বলে আমার মনে হয়।
উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক সময়ে সাকিব নিজেও ক্রিকেটে ফেরার আগ্রহের কথা জানিয়েছেন এবং জানিয়েছেন, তার বর্তমান পুরো মনোযোগ ক্রিকেটেই।
সবার দেশ/কেএম




























