দুমকিতে যুবদলের আনন্দ মিছিলে হামলা, আহত ৫
পটুয়াখালীর দুমকিতে নবগঠিত উপজেলা যুবদলের আনন্দ মিছিলে হামলার ঘটনায় দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এতে অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন। ভাঙচুর করা হয়েছে চারটি মোটরসাইকেল। আহতদের মধ্যে তিনজনকে গুরুতর অবস্থায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
শুক্রবার (২৮ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে পাগলা এলাকা থেকে নবগঠিত কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নেতৃত্বে আনন্দ মিছিলটি বের হয়। মিছিলটি উপজেলা প্রধান ফটকের সামনে পৌঁছালে পদবঞ্চিত নেতাকর্মীদের সঙ্গে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মিছিলটি প্রধান ফটকের সামনে পৌঁছানোর পর বিপরীত দিক থেকে সাবেক আহ্বায়ক জসিম উদ্দিন ও যুগ্ম আহ্বায়ক জাকির হাওলাদারের নেতৃত্বে শতাধিক পদবঞ্চিত নেতাকর্মী মিছিলে হামলা চালান। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করলেও কিছু সময় বিক্ষিপ্তভাবে হামলা ও সংঘর্ষ চলতে থাকে। এতে সৈয়দ রিয়াদ (৩১), শাকিল জমাদ্দার (২৭) ও আবদুল ওয়াব (৩২) গুরুতর আহত হন। পরে তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
এর আগে নবগঠিত আংশিক কমিটিকে ‘পকেট কমিটি’ আখ্যা দিয়ে তা বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ করেছিলেন পদবঞ্চিত নেতাকর্মীরা। গত বুধবার বিকেলে উপজেলা শহরে সাবেক আহ্বায়ক জসিম উদ্দিন হাওলাদারের নেতৃত্বে শতাধিক নেতাকর্মী ঝাড়ু মিছিল ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন।
পদবঞ্চিত নেতাকর্মীদের অভিযোগ, তৃণমূলের মতামত উপেক্ষা করে পক্ষপাতমূলকভাবে নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। এ কারণে তারা কমিটি বাতিল করে তৃণমূলের মতামতের ভিত্তিতে নতুন কমিটি গঠনের দাবি জানান।
তবে নবগঠিত কমিটির সভাপতি জাকির আলম মিলন অভিযোগ করেছেন, জেলা বিএনপির প্রভাবেই তাদের আনন্দ মিছিলে হামলার ঘটনা ঘটেছে।
অন্যদিকে সংঘর্ষের পর নতুন বাজার এলাকায় মিষ্টি বিতরণ করেন পদবঞ্চিত নেতাকর্মীরা।
সম্প্রতি দুমকি উপজেলা যুবদলের আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়। এতে সভাপতি হিসেবে জাকির আলম মিলন এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মো. জহিদুল ইসলাম রুবেলকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। সংগঠন সূত্র জানিয়েছে, শিগগিরই পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হতে পারে।
দুমকি থানার অফিসার ইনচার্জ সেলিম উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
সবার দেশ/কেএম




























