যাত্রা আজ রাতেই
হজ ফ্লাইট উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
আসন্ন পবিত্র হজ মৌসুমকে সামনে রেখে বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে হজ ফ্লাইট কার্যক্রম। শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) রাতে রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর-এ আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
উদ্বোধনী বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, হজযাত্রীদের নিরাপত্তা ও সেবা নিশ্চিত করা সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। তিনি বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সসহ সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে হজযাত্রীদের সঙ্গে সর্বোচ্চ ধৈর্য ও পেশাদারিত্ব বজায় রেখে কাজ করার নির্দেশ দেন।
সরকার জানিয়েছে, সৌদি আরবের ঘোষিত হজ ব্যবস্থাপনার বিশেষ রোডম্যাপ অনুসরণ করে এবার আগেভাগেই ফ্লাইট কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। এর অংশ হিসেবে ‘রুট-টু-মক্কা ইনিশিয়েটিভ’-এর আওতায় বাংলাদেশেই ইমিগ্রেশন সম্পন্ন করার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে, ফলে সৌদি আরবে পৌঁছানোর পর হাজিদের দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হবে না।
অনুষ্ঠান শেষে প্রধানমন্ত্রী প্রথম ফ্লাইটের যাত্রীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং তাদের হাতে উপহার তুলে দেন। এ সময় ধর্ম মন্ত্রণালয় ও বেসামরিক বিমান পরিবহন সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা, সৌদি দূতাবাসের প্রতিনিধি এবং ট্রাভেল এজেন্সির প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, প্রথম হজ ফ্লাইটটি ১৮ এপ্রিল রাত ১২টা ২০ মিনিটে ঢাকা থেকে বাদশাহ আব্দুল আজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর-এর উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাবে। এতে ৪১৯ জন হজযাত্রী অংশ নেবেন।
প্রথম দিনে মোট ১৪টি ফ্লাইট পরিচালনার কথা রয়েছে। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ৬টি, সাউদিয়া-এর ৩টি এবং ফ্লাইনাস-এর ৩টি ফ্লাইট থাকবে।
এ বছর বাংলাদেশ থেকে প্রায় ৭৮ হাজার ৫০০ জন হজযাত্রী সৌদি আরবে যাবেন। এর মধ্যে ৪ হাজার ৫৬৫ জন সরকারি ব্যবস্থাপনায় এবং বাকি ৭৩ হাজার ৯৩৫ জন বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ পালন করবেন।
আগামী ২১ মে পর্যন্ত হজ-পূর্ব ফ্লাইট চলবে। মোট ২০৭টি ফ্লাইট পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে, যার মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ১০২টি, সাউদিয়া ৭৫টি এবং ফ্লাইনাস ৩০টি ফ্লাইট পরিচালনা করবে।
চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে আগামী ২৬ মে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হতে পারে। হজ শেষে ফিরতি ফ্লাইট শুরু হবে ৩০ মে থেকে, যা চলবে ১ জুলাই পর্যন্ত।
সবার দেশ/কেএম




























