ইউজিসি চেয়ারম্যানের সঙ্গে প্রতিনিধি দলের সাক্ষাৎ
বাংলাদেশে ক্যাম্পাস খুলতে চায় ইউনিভার্সিটি অব ক্যানবেরা
বাংলাদেশে সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে একটি শাখা ক্যাম্পাস স্থাপনে আগ্রহ প্রকাশ করেছে অস্ট্রেলিয়ার ইউনিভার্সিটি অব ক্যানবেরা। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়টির একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি)-এর চেয়ারম্যান মামুন আহমেদ-এর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছে।
মঙ্গলবার (৫ মে) ইউজিসির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
সোমবার সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন মো. হাসান উজ জামান। বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন মোহাম্মদ কামরুল হাছান, ইউনিভার্সিটি অব ক্যানবেরার ভাইস-চ্যান্সেলর ও প্রেসিডেন্ট বিল শর্টেন, ডেপুটি ভাইস-চ্যান্সেলর মাইকেল লিংকন এবং চিফ গ্লোবাল এনগেজমেন্ট অফিসার ড. ফিওনা রিচার্ডসসহ অন্যান্য সদস্যরা।
এছাড়া বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী ও শিক্ষা সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরাও বৈঠকে অংশ নেন।
ইউজিসির পক্ষ থেকে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, প্রফেসর ড. মো. সাইদুর রহমান, প্রফেসর ড. মাছুমা হাবিব ও প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আইয়ুব ইসলাম। এছাড়া বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ম্যানেজমেন্ট বিভাগের পরিচালক ড. সুলতান মাহমুদ ভূইয়া ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বিভাগের পরিচালক জেসমিন পারভিন উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে বাংলাদেশে উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়ন ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে ইউনিভার্সিটি অব ক্যানবেরার শাখা ক্যাম্পাস স্থাপনের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়। প্রতিনিধি দল জানায়, এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে দেশের শিক্ষার্থীরা নিজ দেশেই আন্তর্জাতিক মানের উচ্চশিক্ষা গ্রহণের সুযোগ পাবে এবং পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।
ইউজিসি চেয়ারম্যান মামুন আহমেদ এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, এর মাধ্যমে কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধি পাবে এবং জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতি গড়ে তোলার পথ আরও সুগম হবে। তিনি বিদ্যমান আইন ও বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাসও দেন।
সভায় সময়োপযোগী ও ভবিষ্যতমুখী শিক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, বিগ ডাটা, মেশিন লার্নিংসহ আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিষয়গুলো শিক্ষাক্রমে অন্তর্ভুক্ত করার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়, যাতে শিক্ষার্থীরা বৈশ্বিক কর্মবাজারে প্রতিযোগিতামূলক দক্ষতা অর্জন করতে পারে।
এছাড়া একাডেমিক বিনিময়, গবেষণা সহযোগিতা এবং দক্ষতা উন্নয়নমূলক কার্যক্রম সম্প্রসারণের বিষয়েও আলোচনা হয়।
সবার দেশ/কেএম




























