ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনায় মধ্যস্থতা
পাকিস্তানের সেনাপ্রধান তেহরানে
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পুনরায় আলোচনার সম্ভাবনা ঘিরে কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার হয়েছে। এ প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির ইরান সফরে গেছেন বলে ইরানি সূত্রের বরাতে জানিয়েছে আলজাজিরা।
জানা গেছে, তিনি একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন এবং সফরের মূল উদ্দেশ্য হলো যুক্তরাষ্ট্রের একটি বার্তা তেহরান সরকারের কাছে পৌঁছে দেয়া, পাশাপাশি নতুন করে আলোচনার পরিবেশ তৈরি করা।
কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, আলোচনায় আবারও বসার সময় নির্ধারণ এবং আগের যুদ্ধবিরতি চুক্তি–সম্পর্কিত কিছু অমীমাংসিত ইস্যু নিয়েই মূলত আলোচনা হচ্ছে।
ইরানের অবস্থান ও দাবি
ইরান বলছে, আগের চুক্তিতে যেসব যুদ্ধবিরতির শর্ত ছিলো, তার কিছু অংশ এখনও পুরোপুরি বাস্তবায়িত হয়নি। বিশেষ করে আঞ্চলিক নিরাপত্তা ইস্যু ও যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা-সংক্রান্ত বিষয়গুলো এখনও অমীমাংসিত রয়ে গেছে।
তেহরানের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলোর একটি হলো বিদেশে জব্দ থাকা ইরানি অর্থ সম্পদ ফেরত দেয়া। ইরান মনে করছে, এ অর্থ ছাড় ছাড়া দীর্ঘমেয়াদি কোনও সমঝোতা কার্যকর করা কঠিন হবে।
আলোচনার সম্ভাব্য অগ্রগতি
বিশ্লেষকদের মতে, পাকিস্তানের এ কূটনৈতিক ভূমিকা দক্ষিণ এশিয়ার মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যের সংকটে একটি নতুন মধ্যস্থতাকারী চ্যানেল তৈরি করতে পারে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আস্থা সংকট থাকায় তৃতীয় পক্ষের ভূমিকা এখন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
তবে এখন পর্যন্ত কোনও পক্ষই আনুষ্ঠানিকভাবে চূড়ান্ত আলোচনার সময় বা স্থান ঘোষণা করেনি।
সব মিলিয়ে, ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক আবারও নতুন আলোচনার দিকে এগোচ্ছে কি না—সে প্রশ্নের উত্তর এখন অনেকটাই নির্ভর করছে চলমান কূটনৈতিক যোগাযোগের অগ্রগতির ওপর।
সবার দেশ/কেএম




























