চ্যাম্পিয়নস লিগ
টানা ফাইনালে পিএসজি, স্বপ্ন ভঙ বায়ার্নের
ইউরোপিয়ান ফুটবলের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ আসর উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে উঠেছে প্যারিস সেন্ট জার্মেই (পিএসজি)। সেমিফাইনালের দ্বিতীয় লেগে বায়ার্ন মিউনিখের সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করলেও দুই লেগ মিলিয়ে ৬-৫ অ্যাগ্রিগেটে জয় নিশ্চিত করে ফাইনালের টিকিট কেটে নেয় ফরাসি জায়ান্টরা।
প্রথম লেগে গোলবন্যার ম্যাচ জিতে এগিয়ে থাকা পিএসজি মিউনিখেও শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলেছে। ম্যাচের মাত্র ৩ মিনিটেই এগিয়ে যায় প্যারিস সেন্ট জার্মেই (পিএসজি)। মাঝমাঠ থেকে দারুণ পাস দেন ফাবিয়ান রুইজ। তার বাড়ানো বল থেকে নিখুঁত ক্রস করেন খাভিচা কাভারেস্খেইয়ার। সে ক্রসে ১২ গজ দূর থেকে জোরালো শটে গোল করেন উসমান দেম্বেলে।
এই গোলে ম্যাচে ১-০ এবং দুই লেগ মিলিয়ে ৬-৪ ব্যবধানে এগিয়ে যায় লুইস এনরিকের দল।
প্রথমার্ধে একাধিক বিতর্কিত রেফারিং সিদ্ধান্ত নিয়ে ক্ষুব্ধ ছিলো বায়ার্ন মিউনিখ। বিশেষ করে হ্যান্ডবলের দুটি সম্ভাব্য ঘটনায় জোর আপত্তি জানায় বাভারিয়ানরা। নুনো মেন্দেস ও পরে জোয়াও নেভেসেরকে ঘিরে হওয়া ঘটনাগুলোতে পেনাল্টির দাবি উঠলেও রেফারি তা নাকচ করে দেন।
প্রথমার্ধের শেষদিকে হ্যারি কেইন ও লুইস দিয়াজ কয়েকটি ভালো সুযোগ তৈরি করলেও দৃঢ়তায় ভর করে রক্ষা করেন পিএসজির গোলরক্ষক মাতভেই সাফোনভ।
বিরতির পর আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে বায়ার্ন মিউনিখ। তবে একের পর এক আক্রমণ ঠেকিয়ে দেন সাফোনভ। অন্যদিকে পাল্টা আক্রমণে দেম্বেলে ও কাভারেস্খেইয়া ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ পেলেও তা কাজে লাগাতে পারেননি।
শেষদিকে বদলি খেলোয়াড় নামিয়ে আক্রমণের তীব্রতা বাড়ায় বায়ার্ন। অতিরিক্ত সময়ে গোল করে সমতা ফেরান হ্যারি কেইন। এতে কিছুটা আশার আলো দেখেছিলো জার্মান ক্লাবটি। কিন্তু আরেকটি গোল না পাওয়ায় শেষ পর্যন্ত বিদায় নিতে হয় তাদের।
সব নাটকীয়তার পর শেষ হাসি হাসে প্যারিস সেন্ট জার্মেই (পিএসজি)। ৬-৫ অ্যাগ্রিগেটে জয় নিয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে পৌঁছে যায় তারা।
আগামী ৩০ মে বুদাপেস্টে অনুষ্ঠিত হবে ফাইনাল। সেখানে পিএসজির প্রতিপক্ষ আর্সেনাল এফসি। ২০০৫-০৬ মৌসুমের পর প্রথমবার ইউরোপের সর্বোচ্চ পর্যায়ের ফাইনালে উঠেছে গানার্সরা।
সবার দেশ/কেএম




























