শফিকের সেঞ্চুরি, বাবরের অপরাজিত ৮৬
ওয়েস্ট ইন্ডিজের জবাবে দাপুটে পাকিস্তান
দ্বিতীয় টেস্টে অবশেষে ছন্দে ফিরেছে পাকিস্তানের ব্যাটিং। আব্দুল্লাহ শফিকের দুর্দান্ত সেঞ্চুরি এবং বাবর আজমের অপরাজিত ৮৬ রানের ইনিংসে ভর করে শক্ত অবস্থানে দিন শেষ করেছে সফরকারীরা। দুজনের অবিচ্ছিন্ন ১৬৮ রানের জুটিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রথম ইনিংসের জবাবে ২ উইকেটে ২৬৬ রান তুলে দ্বিতীয় দিনের খেলা শেষ করেছে পাকিস্তান। ফলে প্রথম ইনিংসে এখনো ৭৮ রানে পিছিয়ে রয়েছে তারা।
দিনের শুরুতেই পাকিস্তান ধাক্কা খায়। দলীয় ৩৪ রানে ওপেনার ইমাম-উল-হক ১৪ রান করে শামার জোসেফের শিকার হন। এরপর আজান আওয়াইস ও আব্দুল্লাহ শফিক দ্বিতীয় উইকেটে ৬৪ রানের জুটি গড়ে ইনিংসের ভিত গড়ে দেন। আজান ৭১ বলে ১০টি চারে ৫৫ রান করে বিদায় নেন।
এরপর ক্রিজে এসে শফিকের সঙ্গে দারুণ বোঝাপড়া গড়ে তোলেন বাবর আজম। দুজন মিলে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বোলারদের ওপর আধিপত্য বিস্তার করেন। ১৭৩ বলে ১০ চার ও ২ ছক্কায় টেস্ট ক্যারিয়ারের ষষ্ঠ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন শফিক। ২০২৪ সালের পর এটিই তার প্রথম টেস্ট শতক। দিনের খেলা শেষে তিনি ১৮৫ বলে ১০৭ রানে অপরাজিত ছিলেন।
অন্যদিকে বাবর আজমও খেলেছেন দারুণ দায়িত্বশীল ইনিংস। ৬৭ বলে হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করা এ ডানহাতি ব্যাটার দিন শেষ করেন ৮৬ রানে অপরাজিত থেকে। চার বছর পর টেস্ট সেঞ্চুরির খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছেন তিনি। শতক পূরণ করতে তার প্রয়োজন আর মাত্র ১৪ রান।
এর আগে দ্বিতীয় দিনের শুরুতে ৫ উইকেটে ২৩৯ রান নিয়ে ব্যাটিংয়ে নামে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। আগের দিনের অপরাজিত ব্যাটার জাস্টিন গ্রিভস আরও ৩০ রান যোগ করে ৭৩ রানে আউট হন। এরপর অধিনায়ক রোস্টন চেজ ১২৬ বলে ৭০ রানের লড়াকু ইনিংস খেললেও শেষ পর্যন্ত বড় সংগ্রহ গড়তে পারেনি স্বাগতিকরা।
চেজ ও কেমার রোচের ৩৫ রানের জুটি ভাঙার পর দ্রুত গুটিয়ে যায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের ইনিংস। শেষ পর্যন্ত ৩৪৪ রানে অলআউট হয় তারা।
পাকিস্তানের হয়ে সর্বোচ্চ ৪ উইকেট শিকার করেন সাজিদ খান। এছাড়া আলী উসমান, উবাইদ শাহ ও মোহাম্মদ আলী দুটি করে উইকেট নেন।
দুই দিনের খেলা শেষে ম্যাচে এখন ভালো অবস্থানে রয়েছে পাকিস্তান। তৃতীয় দিনে বাবর-শফিকের জুটি বড় ইনিংসে রূপ নিতে পারলে প্রথম ইনিংসে লিড নেয়ার সুযোগ থাকবে সফরকারীদের।
সবার দেশ/কেএম




























