পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণে সরকার
মিয়ানমার সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
মিয়ানমারের চলমান সংঘাতকে কেন্দ্র করে সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা ও নজরদারি আরও জোরদার করেছে সরকার। সীমান্ত পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান।
রোববার (৫ জুলাই) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান।
মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী ও আরাকান আর্মির মধ্যে চলমান সংঘাতের কারণে সীমান্তবর্তী এলাকায় নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে সম্ভাব্য রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশের আশঙ্কা নিয়ে সরকারের প্রস্তুতি সম্পর্কে জানতে চাইলে ড. খলিলুর রহমান বলেন, সীমান্ত পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সীমান্তে নজরদারি উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়েছে।
তিনি বলেন, সরকার পরিস্থিতির ওপর সতর্ক দৃষ্টি রাখছে এবং জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।
এদিকে, সম্প্রতি বিভিন্ন মহলে আরাকান আর্মির প্রধান আহত হয়ে বাংলাদেশে চিকিৎসা নিচ্ছেন—এমন গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে। এ বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, এ ধরনের কোনও তথ্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে নেই।
তিনি এ বিষয়ে কোনও মন্তব্য না করে বলেন, সরকারের কাছে এমন কোনও তথ্য বা আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ নেই।
উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক সময়ে মিয়ানমারের রাখাইন অঞ্চলে দেশটির সামরিক বাহিনী ও আরাকান আর্মির মধ্যে সংঘাত আরও তীব্র হয়েছে। এর প্রভাব সীমান্তবর্তী এলাকাতেও উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। এ পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ সরকার সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদারের পাশাপাশি সম্ভাব্য যেকোনও অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় সতর্ক অবস্থান বজায় রেখেছে।
সবার দেশ/কেএম




























