শবে কদরের ছুটিতেও সচিবালয়ে তারেক রহমানের ব্যস্ত দিন
কৃষকের হাসিই উন্নয়নের শর্ত: প্রধানমন্ত্রী
দেশের সার্বিক উন্নয়নের মূল শর্ত হিসেবে কৃষকের মুখে হাসি ফোটানোর ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, কৃষি খাত শক্তিশালী না হলে অর্থনীতির ভিত্তি দুর্বল হয়ে পড়বে, তাই প্রকৃত কৃষকদের সরাসরি সহায়তা নিশ্চিত করা এখন সরকারের প্রধান লক্ষ্য।
মঙ্গলবার সচিবালয়ে ‘কৃষক কার্ড’ চালু সংক্রান্ত একটি পর্যালোচনা সভায় এসব কথা বলেন তিনি। পবিত্র শবে কদর-এর সরকারি ছুটির দিনেও সকাল ১১টার দিকে সচিবালয়ে উপস্থিত হয়ে সংশ্লিষ্ট কমিটির অগ্রগতি খতিয়ে দেখেন প্রধানমন্ত্রী।
সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, কৃষি বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি। কৃষকদের উন্নয়ন নিশ্চিত না হলে দেশের সামগ্রিক অগ্রগতি সম্ভব নয়। ‘কৃষক কার্ড’ চালুর মাধ্যমে প্রকৃত কৃষকরা যাতে মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য ছাড়াই সরাসরি সার, বীজ, কীটনাশক এবং সরকারি আর্থিক সহায়তা পান, সে লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন, কার্ড ব্যবস্থায় কোনো ধরনের অনিয়ম বা ভোগান্তি যেন না থাকে এবং প্রকৃত কৃষকরাই যেনো এ সুবিধার আওতায় আসেন তা নিশ্চিত করতে হবে।
এদিন সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান। বৈঠক শেষে ডিএসসিসি প্রশাসক জানান, রাজধানী ঢাকাকে আধুনিক ও পরিচ্ছন্ন নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে প্রধানমন্ত্রী অত্যন্ত গুরুত্ব দিচ্ছেন।
তিনি বলেন, শহরের কোথায় কী কাজ হচ্ছে, কোথায় ঘাটতি রয়েছে এবং ভবিষ্যতে কী পদক্ষেপ নেয়া প্রয়োজন—এসব বিষয়ে নিয়মিত খোঁজখবর রাখছেন প্রধানমন্ত্রী। ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনকে সমন্বিতভাবে কাজ করে রাজধানীকে বাসযোগ্য ও পরিচ্ছন্ন নগরীতে রূপান্তরের নির্দেশনাও দিয়েছেন তিনি।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, কৃষি খাতের পাশাপাশি নগর ব্যবস্থাপনায়ও সরাসরি নজরদারি বাড়ানোর মাধ্যমে সরকার একযোগে গ্রাম ও শহরের উন্নয়ন ত্বরান্বিত করতে চায়।
সবার দেশ/কেএম




























