Sobar Desh | সবার দেশ ফজলে রাব্বি, বাগাতিপাড়া (নাটোর) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ০৩:২১, ৬ মার্চ ২০২৬

আপডেট: ০৩:২২, ৬ মার্চ ২০২৬

বাগাতিপাড়ায় মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অর্থ আত্নসাৎতের আভিযোগ

বাগাতিপাড়ায় মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অর্থ আত্নসাৎতের আভিযোগ
ছবি: সবার দেশ

বাগাতিপাড়া উপজেলায় উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার কার্যালয়ের বিরুদ্ধে পরিচ্ছন্নতাকর্মীর প্রাপ্য মজুরি আত্মসাৎ এবং ভাউচারে অসঙ্গতির অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, জাল স্বাক্ষরের মাধ্যমে অর্থ উত্তোলন দেখানো হয়েছে এবং অফিসের ওয়াইফাই বিলেও অনিয়ম করা হয়েছে।

অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন শিরিন আক্তার। স্থানীয় সূত্র ও ভুক্তভোগীর অভিযোগ অনুযায়ী, অফিসে পরিচ্ছন্নতাকর্মী হিসেবে দায়িত্ব পালন করা খদেজা বেগমের নামে মাসিক ২ হাজার টাকা মজুরি নির্ধারণ থাকলেও বাস্তবে তাকে দেয়া হতো মাত্র ৫০০ টাকা।

খদেজা বেগম দীর্ঘ প্রায় ৩০ বছর ধরে উপজেলা পরিষদ চত্বরে বিভিন্ন দফতর ও ডরমিটরি ভবনে পরিচ্ছন্নতা ও রান্নার কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করছেন। তবে তার কোনও লিখিত নিয়োগপত্র বা স্থায়ী চাকরির নিশ্চয়তা ছিলো না। অভিযোগ রয়েছে, মৌখিক চুক্তির সুযোগ নিয়ে তার প্রাপ্য অর্থ কাগজে বেশি দেখানো হয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, সরকারি ভাউচার ও হিসাবপত্র যাচাই করে দেখা গেছে, খদেজা বেগমের নামে মাসে ২ হাজার টাকা উত্তোলন দেখানো হলেও তাকে নিয়মিত ৫০০ টাকা করে দেয়া হতো। এছাড়া নথিতে থাকা স্বাক্ষর নিয়ে তিনি অস্বীকৃতি জানিয়েছেন এবং কখনও ২ হাজার টাকা পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেননি।

অন্যদিকে অফিসের ওয়াইফাই বিল নিয়েও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, মাসিক ৬০০ টাকা চুক্তিতে ইন্টারনেট সেবা ব্যবহারের কথা থাকলেও ভাউচারে ১৫০০ টাকা উত্তোলন দেখানো হয়েছে।

এ বিষয়ে স্থানীয় উপজেলা দুর্নীতি দমন কমিটি, বাগাতিপাড়ার সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান বলেন, নথিপত্র ও বাস্তব প্রাপ্তির মধ্যে অসামঞ্জস্য পাওয়া গেছে, যা দুর্নীতির ইঙ্গিত দেয়। বিষয়টি সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানিয়েছেন তিনি।

অভিযোগের বিষয়ে শিরিন আক্তার বলেন, খদেজা বেগমকে প্রতি মাসে ৫০০ টাকা করে দেয়া হতো এবং তিনি সাধারণ পরিচ্ছন্নতাকর্মীর মতোই কাজ করতেন। অতিরিক্ত বিল উত্তোলনের বিষয়ে তিনি বলেন, ভ্যাট ও আয়কর পরিশোধের জন্য অনেক সময় বেশি অঙ্ক দেখিয়ে ভাউচার প্রস্তুত করতে হয়। তবে এটি সব অফিসের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য কি না—সে বিষয়ে তিনি সরাসরি মন্তব্য করেননি।

এদিকে জেলা মহিলা বিষয়ক কার্যালয়ের উপপরিচালক (চলতি দায়িত্ব) নীলা হাফিয়া জানিয়েছেন, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে দেখা হবে। তিনি বলেন, ভাউচার প্রস্তুত প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ উঠলে সেটি অবশ্যই খতিয়ে দেখা হবে।

স্থানীয়রা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, জাল স্বাক্ষর যাচাই এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানিয়েছেন।

সবার দেশ/কেএম

শীর্ষ সংবাদ:

ডিপি ওয়ার্ল্ডকে বিনিয়োগে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান
দিল্লির ককরোচ আন্দোলনে যোগ দেবেন মমতা!
সব ইসলামী দল এক হলেও ক্ষমতায় যাওয়া সম্ভব নয়: আ ফ ম খালিদ
ইউরেনিয়াম ছাড়বে না ইরান, মজুতও দেবে না
রংপুরের চার খুনে ডিএনএ মিললো সিদ্ধার্থ-মুগ্ধর
হুতিদের হামলায় রিয়াদে শতাধিক ফ্লাইট বাতিল
পানির ন্যায্য হিস্যায় ভারতের সঙ্গে ছাড় নয়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
জন্মদিনেও ‘অকারণ’-এ হিমি
প্রীতি জিনতার দল ছাড়লেন দুই অজি কোচ
মাইক্রোসফটসহ ৭ প্রতিষ্ঠানের ভিসা কর্মসূচি স্থগিত করছে যুক্তরাষ্ট্র
বিশ্বসেরা ২ শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায় মেঘনার দুই সন্তান
রফিকুল ইসলাম মিয়া নন, মারা গেছেন আইনজীবী রফিকুল হোসেন
নরসিংদীর পুকুরে ‘জলপরীর গুজব’, নেপথ্যে কি?
সাহিত্যে নোবেল পেলেন অ্যান কারসন
রূপপুরের প্রথম ইউনিটে উৎপাদনের চূড়ান্ত অনুমোদন
ধ্বংসাবশেষের ধাক্কা থেকে বাঁচলো বাংলাদেশের স্যাটেলাইট
রোহিঙ্গাদের ৫ শর্ত, না হলে ফিরতে নারাজ ৮৭%
মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ব্যর্থতা, সরকারের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি ক্রিস্টা পাইকের